গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২৬

মেনু

হামলা বন্ধের জন্য যে শর্ত দিলেন ইরানের প্রেসিডেন্ট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ২০:২৬ পিএম, ০৭ মার্চ ২০২৬ | আপডেট: ০৪:৫৭ এএম ২০২৬
হামলা বন্ধের জন্য যে শর্ত দিলেন ইরানের প্রেসিডেন্ট
ছবি

ছবি সংগৃহীত

ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান বলেছেন, যদি মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন সেনাঘাঁটিগুলো থেকে আক্রমণ আসা বন্ধ হয়, তাহলে ইরানও হামলা বন্ধ করবে। শনিবার (৭ মার্চ) টেলিভিশনে সম্প্রচারিত এক ভাষণে এ ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।
ভাষণে প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান বলেন, গত কয়েক দিনে যেসব প্রতিবেশী দেশে ইরান হামলা করেছে- তাদের কাছে আমি ক্ষমাপ্রার্থী। কিন্তু আমাদের সামনে আর কোনো পথ নেই। কারণ ইরানের জনগণ কখনও যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলের কাছে মাথা নত করবে না এবং স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, আত্মমর্যাদা ও জাতীয় স্বার্থে কখনও আপস করবে না।
শত্রুরা চায় ইরানের জনগণ আত্মসমর্পণ করুক; কিন্তু তা কখনও ঘটবে না, বরং এই আকাঙ্ক্ষা নিয়ে শত্রুরা কবরে যাবে। তবে ইরানের অস্থায়ী নিরাপত্তা পরিষদ এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছে যে প্রতিবেশী দেশগুলো থেকে যদি ইরানে হামলা বন্ধ হয়, তাহলে ইরানও পাল্টা হামলা বন্ধ করবে।

ইরানের পরমাণু প্রকল্প নিয়ে গত ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ২১ দিন ধরে সংলাপ চলে তেহরান এবং ওয়াশিংটনের মধ্যে। ২৭ ফেব্রুয়ারি কোনো প্রকার সমঝোতা চুক্তি ছাড়াই শেষ হয় সেই সংলাপ।
তার পরের দিন ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু করে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। ওয়াশিংটনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে একই সময়ে ইরানে সামরিক অভিযান ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ শুরু করে ইসরায়েলও।

হামলার পাল্টা জবাব হিসেবে ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন সেনাঘাঁটিগুলোতে দফায় দফায় ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করছে ইরান। এতে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো ক্ষয়ক্ষতির শিকার হচ্ছে বলেও জানা গেছে। তবে এখন পর্যন্ত মধ্যপ্রাচ্যের কোনো দেশের সঙ্গে ইরানের সরাসরি যুদ্ধ বাঁধেনি।

মার্কিন গোয়েন্দাদের বরাত দিয়ে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গণমাধ্যম জানিয়েছে, এ যুদ্ধে ইরানকে গোয়েন্দা সহায়তা দিচ্ছে রাশিয়া। মধ্যপ্রাচ্যের কোথায় কোথায় মার্কিন সামরিক ঘাঁটি আছে, সেসব ঘাঁটির সেনাসংখ্যা, অস্ত্র, যুদ্ধবিমান ও যুদ্ধজাহাজ সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলো বিভিন্ন গোয়েন্দা চ্যানেলে তেহরানকে জানাচ্ছে মস্কো।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধের প্রথম দিনই নিহত হয়েছিলেন ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। তিনি নিহত হওয়ার তিন সদস্যবিশিস্ট ‘অস্থায়ী নেতৃত্ব পরিষদ’ গঠিত হয়েছে ইরানে। সেই পরিষদের প্রধান হিসেবে আছেন প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান। অপর দু’জন ইরানের বিচার বিভাগের প্রধান গোলাম হোসেন মোহসেনি-এজেই এবং ইরানের প্রভাবশালী সংস্থা গার্ডিয়ান কাউন্সিলের একজন জ্যেষ্ঠ সদস্য। সূত্র: রয়টার্স, এএফপি


সানা/ডিসি/আপ্র/৭/৩/২০২৬
 

সংশ্লিষ্ট খবর

হরমুজ প্রণালি এখন পুরোপুরি যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে: ট্রাম্প
১২ আগস্ট ২০২৬

হরমুজ প্রণালি এখন পুরোপুরি যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে: ট্রাম্প

গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক জলপথ হরমুজ প্রণালি বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়...

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে দুটি আমন্ত্রণ জানিয়েছে ভারত: জয়সওয়াল
১২ আগস্ট ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে দুটি আমন্ত্রণ জানিয়েছে ভারত: জয়সওয়াল

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে দ্বিপাক্ষিক সফর ও ব্রিকস সম্মেলনে অংশগ্রহণে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে বলে জা...

তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে এখনো নীরব নয়াদিল্লি
১১ আগস্ট ২০২৬

তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে এখনো নীরব নয়াদিল্লি

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভারতের আমন্ত্রণে ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে দেশটি সফর করবেন কি না, সে...

মানবতাবিরোধী অপরাধে বাশার আল-আসাদের মৃত্যুদণ্ড
১১ আগস্ট ২০২৬

মানবতাবিরোধী অপরাধে বাশার আল-আসাদের মৃত্যুদণ্ড

সিরিয়ার ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদকে মানবতাবিরোধী অপরাধ, পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড ও নির্যাতনে...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

কোনো সক্রিয় জরিপ নেই