গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬

মেনু

রাজনৈতিক অস্তিত্বের কঠিন পরীক্ষায় নেতানিয়াহু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ০১:৫৬ পিএম, ২৮ অক্টোবর ২০২৬ | আপডেট: ০২:৫৪ এএম ২০২৬
রাজনৈতিক অস্তিত্বের কঠিন পরীক্ষায় নেতানিয়াহু
ছবি

বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু-ছবি রয়টার্স

ইসরায়েলের সাধারণ নির্বাচনে মঙ্গলবার ভোট দিচ্ছেন দেশটির নাগরিকেরা। প্রায় তিন বছর ধরে চলা যুদ্ধ, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলা ঠেকাতে নিরাপত্তাব্যবস্থার ব্যর্থতা, জিম্মিদের ফিরিয়ে আনার প্রশ্ন, দুর্নীতির মামলা এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ক্রমবর্ধমান চাপের মধ্যে এই নির্বাচন প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর নেতৃত্বের জন্য বড় পরীক্ষা হয়ে উঠেছে। বিভিন্ন মেয়াদে প্রায় ১৯ বছর ক্ষমতায় থাকা নেতানিয়াহু এবারও সরকার গঠনের লড়াইয়ে থাকলেও জনমত জরিপে তাঁর জোট প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা থেকে পিছিয়ে রয়েছে।

নির্বাচনকে নেতানিয়াহুর নেতৃত্বের প্রশ্নে এক ধরনের গণভোট হিসেবে দেখা হচ্ছে। গাজা, লেবানন ও ইরানকে ঘিরে সংঘাত এবং তাঁর ডানপন্থি জোটের বিতর্কিত নীতি ভোটারদের মধ্যে বিভাজন আরো বাড়িয়েছে। অন্যদিকে, সাবেক সেনাপ্রধান গাদি আইজেনকোটের নেতৃত্বে বিরোধীদের নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ ক্ষমতার পালাবদলের সম্ভাবনা তৈরি করেছে।

ইসরায়েলের ১২০ আসনের পার্লামেন্টে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজন ৬১টি আসন। জনমত জরিপগুলোতে নেতানিয়াহুর লিকুদ পার্টি ও তাঁর ডানপন্থি মিত্রদের সঙ্গে আইজেনকোটের নেতৃত্বাধীন বিরোধী শিবিরের তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার আভাস পাওয়া যাচ্ছে। তবে কোনো পক্ষেরই এককভাবে সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত করার স্পষ্ট পথ নেই। ফলে নির্বাচনের পর সরকার গঠন নিয়ে দীর্ঘ দর-কষাকষি কিংবা রাজনৈতিক অচলাবস্থা তৈরি হতে পারে।

ভোটগ্রহণ চলছে, প্রথমবার ভোট দিচ্ছেন লাখো তরুণ: মঙ্গলবার স্থানীয় সময় সকাল ৭টায় ইসরায়েলে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। চলবে রাত ১০টা পর্যন্ত। দেশটির কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, মোট ৭৩ লাখ নিবন্ধিত ভোটারের মধ্যে প্রায় ৩ লাখ ৩০ হাজার তরুণ এবার প্রথমবারের মতো ভোট দিচ্ছেন।

নির্বাচনী প্রচারণায় নেতানিয়াহু যুদ্ধকালীন নেতৃত্ব এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ককে গুরুত্ব দিয়েছেন। ট্রাম্প তাঁকে সমর্থন দিয়েছেন এবং ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে ইসরায়েলের পাশে দাঁড়িয়েছেন। রোববার নেতানিয়াহু দাবি করেন, ট্রাম্প ইরানের হুমকি দূর করতে আবারো পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত, তবে শর্ত হলো তাঁকেই ক্ষমতায় থাকতে হবে।

অন্যদিকে, আইজেনকোট নেতানিয়াহুর প্রচারণার সমালোচনা করে বলেছেন, তিনি ভীতিপ্রদর্শন, মিথ্যাচার ও হুমকির ওপর নির্ভর করছেন। ট্রাম্পের সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়ে আইজেনকোটের বক্তব্য, যুক্তরাষ্ট্রের জনগণের ভোটে নির্বাচিত যেকোনো প্রেসিডেন্টের সঙ্গেই তিনি পূর্ণ সহযোগিতা করবেন।

আইজেনকোটের নেতৃত্বাধীন ইয়াশার দল, ইয়ার লাপিদ ও নাফতালি বেনেটের মতো নেতাদের রাজনৈতিক তৎপরতা নেতানিয়াহুর ভোটব্যাংকে চাপ সৃষ্টি করেছে। বিরোধীরা ডান ও মধ্যপন্থি ভোটারদের একত্র করার চেষ্টা করছে। তবে মতাদর্শগত পার্থক্য এবং আরব দলগুলোর সঙ্গে আনুষ্ঠানিক জোটের প্রশ্নে অনীহা বিরোধী শিবিরের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।

কট্টর ডানপন্থিদের ওপর নির্ভরতা

নির্বাচনের পর সরকার গঠন করতে হলে নেতানিয়াহুকে আবারো ইতামার বেন-গভির ও বেজালেল স্মোট্রিচের মতো কট্টর ডানপন্থি নেতাদের ওপর নির্ভর করতে হতে পারে। ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে সহিংসতায় উসকানি দেওয়ার অভিযোগে এই দুই নেতার বিরুদ্ধে কয়েকটি পশ্চিমা দেশ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। তা সত্ত্বেও জনমত জরিপে বেন-গভিরের জিউইশ পাওয়ার পার্টির সমর্থন বাড়ার আভাস পাওয়া গেছে।

অধিকৃত পশ্চিম তীরের কিরিয়াত আরবা বসতিতে মঙ্গলবার সকালে ভোট দেওয়ার পর বেন-গভির বলেন, নেতানিয়াহুই আবার প্রধানমন্ত্রী হবেন। তাঁর দল নতুন সরকারের ডানপন্থি ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে বলেও পূর্বাভাস দেন তিনি।

অন্যদিকে, আইজেনকোট নেতানিয়াহুর জোটে বেন-গভির ও স্মোট্রিচের অন্তর্ভুক্তির বিরোধিতা করছেন। তাঁর মতে, দেশের নিরাপত্তা, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্ক পুনর্গঠনে নেতৃত্বের পরিবর্তন প্রয়োজন।

তবে সরকার গঠনের হিসাব সহজ নয়। আরব সংখ্যালঘুদের ভোটের উপস্থিতি এবং আরব দলগুলোর অবস্থান নির্বাচনের ফল নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। আইজেনকোট আনুষ্ঠানিকভাবে আরব দলগুলোর সঙ্গে জোট করতে আগ্রহী নন। তবে নেতানিয়াহুকে ক্ষমতাচ্যুত করতে এসব দল তাঁর নেতৃত্বাধীন সংখ্যালঘু সরকারকে বাইরে থেকে সমর্থন দিতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।

৭ অক্টোবরের নিরাপত্তা ব্যর্থতা বড় ইস্যু
নেতানিয়াহুর বিরোধীদের কাছে এই নির্বাচন ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার সময় ইসরায়েলের নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা ব্যর্থতার জবাবদিহি নিশ্চিত করার সুযোগ। ওই হামলায় ইসরায়েলের দক্ষিণাঞ্চলে ১ হাজার ২০০ জন নিহত হন এবং ২৫১ জনকে জিম্মি করা হয়। হামলা ঠেকাতে ব্যর্থতার দায় নেতানিয়াহুর সরকারের ওপর চাপিয়ে আসছেন বিরোধীরা।

নেতানিয়াহু দীর্ঘদিন ধরে নিজেকে ইসরায়েলের নিরাপত্তার প্রধান রক্ষক হিসেবে উপস্থাপন করেছেন। কিন্তু হামাসের আকস্মিক হামলা ঠেকাতে ব্যর্থতা তাঁর সেই ভাবমূর্তিকে বড় ধাক্কা দিয়েছে। নিরাপত্তা ব্যর্থতার ব্যক্তিগত দায় স্বীকার না করায় দেশটির একাংশের মধ্যে তাঁর প্রতি ক্ষোভও বেড়েছে।

এ ছাড়া হামাসের হাতে আটক সব জিম্মিকে নিরাপদে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে অনিশ্চয়তা এবং যুদ্ধ শেষ করার সুস্পষ্ট কৌশলের অভাব নিয়ে সরকারের সমালোচনা রয়েছে। বিরোধী দলগুলো ক্ষমতায় এলে ৭ অক্টোবরের ঘটনাবলি তদন্তে জাতীয় তদন্ত কমিশন গঠনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

২০২৩ সালের হামলার পর যুদ্ধকালীন মন্ত্রিসভায় যোগ দিয়েছিলেন আইজেনকোট। তবে নেতানিয়াহুর নেতৃত্ব ও যুদ্ধ পরিচালনার সমালোচনা করে আট মাস পর পদত্যাগ করেন তিনি। সাবেক এই সেনাপ্রধান এখন নিজেকে বিকল্প নেতৃত্ব হিসেবে তুলে ধরছেন।

যুদ্ধ ও আন্তর্জাতিক বিচ্ছিন্নতার চাপ

গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযানে ফিলিস্তিনিদের ব্যাপক প্রাণহানি, লেবাননে হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে অভিযান এবং ইরানের সঙ্গে সরাসরি সামরিক সংঘাত ইসরায়েলের নিরাপত্তা ও পররাষ্ট্রনীতিকে নির্বাচনের অন্যতম প্রধান ইস্যুতে পরিণত করেছে। গাজার স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের হিসাবে, ইসরায়েলি অভিযানে অন্তত ৭৪ হাজার ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।

২০২৫ সালে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় ১২ দিনের বিমান হামলা এবং এ বছর ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযানের পরও আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ কাটেনি। আইজেনকোট বলেছেন, সামরিক শক্তি প্রয়োগ কিংবা যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক সমঝোতার মাধ্যমে ইরানকে সামরিক পারমাণবিক সক্ষমতা অর্জন থেকে বিরত রাখতে হবে।

ফিলিস্তিন প্রশ্নেও আইজেনকোটের অবস্থান ইসরায়েলের মূলধারার ইহুদিচালিত দলগুলোর সঙ্গে অনেকাংশে সামঞ্জস্যপূর্ণ। তিনি দ্বিরাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের বিরোধিতা করেন। তবে পশ্চিম তীরে ইহুদি বসতি স্থাপনকারীদের ফিলিস্তিনিদের ওপর সহিংসতার সমালোচনা করেছেন। তাঁর মতে, এ ধরনের সহিংসতা পশ্চিমা দেশগুলোর সঙ্গে ইসরায়েলের সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত করছে।

নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে চলা দুর্নীতির মামলাও নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। অভিযোগগুলো অস্বীকার করেছেন তিনি। তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আইনি জটিলতা এবং সরকারের নীতি নিয়ে অসন্তোষ তাঁর প্রতি ভোটারদের আস্থায় প্রভাব ফেলছে।

হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস
ইসরায়েল ডেমোক্রেসি ইনস্টিটিউটের ভিটারবি ফ্যামিলি সেন্টারের সমীক্ষা অনুযায়ী, প্রায় ১৩ শতাংশ ভোটার তখনো সিদ্ধান্ত নিতে পারেননি। ফলে শেষ মুহূর্তের ভোটের প্রবণতা নির্বাচনের ফলাফলে প্রভাব ফেলতে পারে।

আইজেনকোটের ইয়াশার দলের স্বেচ্ছাসেবক এলদাদ শালতিয়েল জেরুজালেমের একটি ভোটকেন্দ্রের বাইরে সিদ্ধান্তহীন ভোটারদের আকৃষ্ট করতে ভোরেই প্রচারপত্র লাগাতে যান। অন্যদিকে, সাবেক জেনারেল ইয়ার গোলানের নেতৃত্বাধীন দ্য ডেমোক্র্যাটস পার্টির স্বেচ্ছাসেবক নীলি মোর জানান, তিনি দেশে নতুন ভোর ও পরিবর্তনের প্রত্যাশায় প্রচারণা চালাচ্ছেন।

লিকুদ পার্টির কয়েকটি শক্ত ঘাঁটিতেও ক্ষুব্ধ ভোটারদের ঘরে ঘরে গিয়ে নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে প্রচারণা চালাতে দেখা গেছে। তবে তাঁর সমর্থকদের একটি অংশ এখনো তাঁকে অভিজ্ঞ যুদ্ধকালীন নেতা হিসেবে বিবেচনা করেন।

জেরুজালেমের শালোম হার্টম্যান ইনস্টিটিউটের রাজনৈতিক বিশ্লেষক আমোৎস আসা-এল বলেন, তাঁর ধারণা, দুই পক্ষের ভোটের ব্যবধান খুবই সামান্য হবে। বড় ধরনের একচ্ছত্র জয়ের সম্ভাবনা কম।

সব মিলিয়ে এই নির্বাচন নেতানিয়াহুর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের অন্যতম কঠিন পরীক্ষা। ভোটের ফলের পাশাপাশি জোট গঠনের সমীকরণই নির্ধারণ করবে তিনি আবারো ক্ষমতায় থাকবেন, নাকি ইসরায়েলের নেতৃত্বে পরিবর্তন আসবে। তথ্যসূত্র: রয়টার্স ও অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস
সানা/আপ্র/২৮/১০/২০২৬

 

সংশ্লিষ্ট খবর

২১ লাখ অনুসারী, ভোট পেলেন মাত্র ৩৩টি
২৮ অক্টোবর ২০২৬

২১ লাখ অনুসারী, ভোট পেলেন মাত্র ৩৩টি

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিপুলসংখ্যক অনুসারী থাকলেই যে বাস্তবে মানুষের সমর্থন পাওয়া যায়, তার নিশ্চয়তা...

জাতিসংঘের প্রথম নারী মহাসচিব হওয়ার দৌড়ে আমিরাতের নুসায়বেহ
২৮ অক্টোবর ২০২৬

জাতিসংঘের প্রথম নারী মহাসচিব হওয়ার দৌড়ে আমিরাতের নুসায়বেহ

জাতিসংঘের পরবর্তী মহাসচিব পদে সংযুক্ত আরব আমিরাতের কূটনীতিক লানা নুসায়বেহকে সমর্থন দেওয়ার বিষয়টি সক্...

আন্দোলনের মধ্যেই ভারতে ভোটার তালিকা থেকে বাদ প্রায় ১ কোটি নাম
২৭ অক্টোবর ২০২৬

আন্দোলনের মধ্যেই ভারতে ভোটার তালিকা থেকে বাদ প্রায় ১ কোটি নাম

ভারতের কর্ণাটকে ভোটার তালিকা সংশোধনের পর চূড়ান্ত তালিকা থেকে প্রায় এক কোটি ভোটারের নাম বাদ পড়েছে। মঙ...

হামলা বন্ধে হুথিদের ১০০ কোটি ডলার দিতে চায় সৌদি আরব
২৭ অক্টোবর ২০২৬

হামলা বন্ধে হুথিদের ১০০ কোটি ডলার দিতে চায় সৌদি আরব

ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের হামলা বন্ধ করতে ১০০ কোটি ডলার দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে সৌদি আরব। ইরানের মধ্য...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

পুলিশকে শক্তিশালী না করলে দিনে-রাতে স্বাচ্ছন্দ্যে চলা যাবে না

পুলিশকে শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্বারোপ করে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মোঃ আলী হোসেন ফকির, পিপিএম বলেছেন, “আপনারা সাংবাদিক ভাইয়েরা পুলিশকে ব্যবহার করেন। পুলিশকে শক্তিশালী না করলে আমরা সমাজে দিনে-রাতে কেউই স্বাচ্ছন্দ্যে চলাফেরা করতে পারব না।” রোববার (২৫ অক্টোবর) সকালে বাগেরহাট পুলিশ লাইনে জেলা পুলিশের আয়োজনে কমিউনিটি পুলিশিং সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন আইজিপি সঠিক বলেছেন?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 2 দিন আগে