গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬

মেনু

স্মার্টফোনের দাম ২৫০০ টাকায় নামিয়ে আনতে চায় সরকার

প্রযুক্তি ডেস্ক

প্রযুক্তি ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৫:০৩ পিএম, ২৬ এপ্রিল ২০২৬ | আপডেট: ০০:৫৬ এএম ২০২৬
স্মার্টফোনের দাম ২৫০০ টাকায় নামিয়ে আনতে চায় সরকার
ছবি

ছবি সংগৃহীত

সরকার স্মার্টফোনের দাম আড়াই হাজার থেকে তিন হাজার টাকার মধ্যে নামিয়ে আনতে চায় বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ। একইসঙ্গে দেশের প্রত্যেক নাগরিকের জন্য ‘ওয়ান সিটিজেন, ওয়ান ডিজিটাল আইডি, ওয়ান ডিজিটাল ওয়ালেট’ নীতি প্রণয়নের কথা সরকার ভাবছে বলেও জানান তিনি।

শনিবার (২৫ এপ্রিল) ‘নতুন টেলিযোগাযোগ নীতিমালা: উদ্যোক্তাদের প্রত্যাশা’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। রাজধানীর হলিডে ইন হোটেলে টেলিকম অ্যান্ড টেকনোলজি রিপোর্টার্স নেটওয়ার্ক, বাংলাদেশ (টিআরএনবি) এ সেমিনারের আয়োজন করে।

রেহান আসিফ আসাদ বলেন, আমাদের ডিভাইসের দাম সাশ্রয়ী ও সস্তা করা উচিত। ২০২৬ সালে এসেও বাংলাদেশের ৫০ শতাংশ মানুষের হাতে স্মার্টফোন নেই। ৯০০ থেকে ১ হাজার টাকায় একজন ফিচার ফোন কিনতে পারেন, আমাদের চিপেস্ট স্মার্টফোন হলো ৯০০০ থেকে ১০ হাজার টাকা। যারা খুচরা বিক্রেতা আমি তাদের সঙ্গেও বসেছি, যারা মোবাইল ম্যানুফ্যাকচারার তাদের সঙ্গেও বসেছি- আমরা কীভাবে আরও কমাতে পারি। আমি বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে কথা বলছি, মোবাইল অপারেটরের সঙ্গেও কথা বলছি।

তিনি বলেন, আমাদের টার্গেট ডিভাইস কস্ট (মোবাইল ফোনের) দাম ২ হাজার ৫০০ থেকে ৩ হাজার টাকায় নিয়ে আসা। একজন কৃষক, দিনমজুর, রিকশাচালকও যেন স্মার্টফোন ব্যবহার করতে পারেন।

তিনি আরো বলেন, জন্মের পর থেকেই একটি শিশুর ডিজিটাল আইডি চালু হবে, যা যুক্ত থাকবে ডিজিটাল ওয়ালেটের সঙ্গে। এই ওয়ালেট ব্যাংক ও মোবাইল ফোনে আর্থিক সেবার (এমএফএস) সঙ্গে যুক্ত করা যাবে। দেশের ১৮ কোটি মানুষের জন্যই এ ব্যবস্থা চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।

মোবাইল ফোন সেবায় করের হার প্রসঙ্গে উপদেষ্টা বলেন, টেলিযোগাযোগ খাতে বিশ্বের তৃতীয় সর্বোচ্চ রাজস্ব আদায়কারী দেশ বাংলাদেশ। একজন সাধারণ গ্রাহক ১০০ টাকা রিচার্জ করলে মাত্র ৬২ টাকার সেবা পান, বাকি ৩৮ টাকা সরকার কর হিসেবে নিয়ে নেয়। এটি মোবাইল ফোন উৎপাদক, ভেন্ডর ও অপারেটর—সবার ওপরই চাপ সৃষ্টি করছে।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) এমদাদ উল বারী। এতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন টেলিযোগাযোগ বিশেষজ্ঞ সুমন আহমেদ সাবির।

টিআরএনবি সভাপতি সমীর কুমার দের সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য দেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মাসুদুজ্জামান রবিন। এতে আরো বক্তব্য দেন ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (আইএসপিএবি) সভাপতি মোহাম্মদ আমিনুল হাকিম, ফাইবার এট হোমের চেয়ারম্যান মইনুল হক সিদ্দিকী, মোবাইল টেলিকম অপারেটরস অব বাংলাদেশের (এমটব) মহাসচিব লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ জুলফিকার প্রমুখ।

এসি/আপ্র/২৬/০৪/২০২৬

 

সংশ্লিষ্ট খবর

রাজধানীর সড়কে বসছে আরো ১ হাজার স্মার্ট ক্যামেরা
২৮ জুলাই ২০২৬

রাজধানীর সড়কে বসছে আরো ১ হাজার স্মার্ট ক্যামেরা

রাজধানীর সড়কে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা আরো আধুনিক ও কার্যকর করতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক (এআই) ক্যামের...

এআই-নির্ভর ভিডিওতে আয়ের সুযোগ কমাচ্ছে ইউটিউব
২৮ জুলাই ২০২৬

এআই-নির্ভর ভিডিওতে আয়ের সুযোগ কমাচ্ছে ইউটিউব

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি নিম্নমানের ও বিভ্রান্তিকর ভিডিওর বিস্তার ঠেকাতে নীতিমালায় বড় পরি...

হোয়াটসঅ্যাপে আসছে পাসওয়ার্ডভিত্তিক নতুন নিরাপত্তা ব্যবস্থা
২৭ জুলাই ২০২৬

হোয়াটসঅ্যাপে আসছে পাসওয়ার্ডভিত্তিক নতুন নিরাপত্তা ব্যবস্থা

ব্যবহারকারীদের অ্যাকাউন্ট নিরাপত্তা আরো শক্তিশালী করতে নতুন একটি সুরক্ষা ব্যবস্থা আনতে কাজ করছে মেটা...

বিনা মূল্যে ভেরিফায়েড ব্যাজ আনছে ফেসবুক
২৫ জুলাই ২০২৬

বিনা মূল্যে ভেরিফায়েড ব্যাজ আনছে ফেসবুক

ফেসবুক ব্যবহারকারীদের জন্য বিনা মূল্যে ভেরিফায়েড ব্যাজ পাওয়ার নতুন সুবিধা চালু করতে যাচ্ছে মেটা। ‘ফে...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

শিল্পী বললেন ‘শ্রাবণের মেঘগুলো’ এখন প্রতিবাদের ভাষা

‘শ্রাবণের মেঘগুলো জড়ো হলো আকাশে গানটি সিলেটের এক শিক্ষিকাকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তৈরি হওয়া সমালোচনার বিরুদ্ধে দেশজুড়ে শিক্ষকদের সংহতির প্রতীক হয়ে উঠেছে। গানটির গায়ক মেজবাহ রহমান বলেন, “আমাদের এই গানটি যে অন্যায্য সমালোচনার বিরুদ্ধে একটি বড় সামাজিক আন্দোলনের ভাষা হয়ে উঠবে, তা কখনো ভাবিনি। গানটি মূলত প্রকৃতিকে ঘিরে তৈরি হয়েছিল। কিন্তু যেভাবে এটি ছড়িয়ে পড়েছে, তাতে এখন এটি অনেকের কাছে প্রতিবাদের ভাষা হয়ে দাঁড়িয়েছে।” প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন গানটি সত্যিই প্রতিবাদের চূড়ান্ত পর্যায়ে এসেছে?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 2 ঘন্টা আগে