গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মেনু

নজরুলের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকীতে গুণী শিল্পী ড. প্রিয়াংকা গোপ ও বর্ণালী সরকারের বিশেষ গান

বিনোদন প্রতিবেদক

বিনোদন প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১২:১৮ পিএম, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | আপডেট: ১০:২২ এএম ২০২৬
নজরুলের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকীতে গুণী শিল্পী ড. প্রিয়াংকা গোপ ও বর্ণালী সরকারের বিশেষ গান
ছবি

ছবি আজকের প্রত্যাশা

 

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে কবির স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে প্রকাশিত হয়েছে বিশেষ গান ‘হে প্রিয়, আমারে দিব না ভুলিতে’। গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন দুই গুণী শিল্পী ড. প্রিয়াংকা গোপ ও বর্ণালী সরকার। এর সংগীত পরিচালনা করেছেন তরুণ সংগীত পরিচালক জাহাঙ্গীর আলম (শ্রাবণ)।

নজরুলের সৃষ্টিকর্মের প্রতি নতুন প্রজন্মের আগ্রহ তৈরি এবং তার কালজয়ী গানকে নতুন আঙ্গিকে শ্রোতাদের কাছে তুলে ধরার লক্ষ্যেই এ আয়োজন। নজরুলের গান ও দর্শনের মূল আবেগ ও সৌন্দর্য অক্ষুণ্ন রেখে সমকালীন সংগীতভাবনার সঙ্গে এর সংগীতায়োজন করা হয়েছে।

গানটির দুই শিল্পী প্রিয়াংকা গোপ ও বর্ণালী সরকার তাদের স্বতন্ত্র গায়কী ও আবেগঘন পরিবেশনার মধ্য দিয়ে গানটিতে ভিন্ন মাত্রা যোগ করেছেন। দুই শিল্পীর কণ্ঠের বৈচিত্র্য ও পারস্পরিক সংলাপধর্মী পরিবেশনা গানটির আবেগকে আরও গভীর করেছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত বিভাগের চেয়ারম্যান ড. প্রিয়াংকা গোপ বলেন, ‘নজরুলের সৃষ্টিকে নতুন প্রজন্মের শ্রোতাদের কাছে পৌঁছে দিতে হলে ঐতিহ্যকে সম্মান করার পাশাপাশি সময়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ সংগীতভাবনাও জরুরি।’

সংগীত পরিচালক জাহাঙ্গীর আলম (শ্রাবণ) বলেন, ‘নজরুলের গান নিয়ে কাজ করা একই সঙ্গে আনন্দের ও দায়িত্বের। সেই ভাবনা থেকেই “হে প্রিয়, আমারে দিব না ভুলিতে” গানটির সংগীতায়োজন করা হয়েছে।’

শিল্পী বর্ণালী সরকার বলেন, ‘নজরুলের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকীকে কেন্দ্র করে কবির সাহিত্য, সংগীত ও জীবনদর্শন নিয়ে নানা আয়োজন চলছে। এমন সময়ে প্রকাশিত এই গানটি নজরুলপ্রেমী শ্রোতাদের জন্য বিশেষ সংযোজন।’

গানটির নতুন আয়োজনে শিল্পীদ্বয়ের সঙ্গে সেতারে সংগত করেছেন জাহাঙ্গীর আলম (শ্রাবণ)। তবলায় ছিলেন অপূর্ব দেব এবং বাঁশিতে মামুনুর রশীদ। গানটির মিক্সিং ও মাস্টারিং করেছেন ইফতে খাইরুল আলম শুভ।

বাংলা সাহিত্য ও সংগীতের ইতিহাসে কাজী নজরুল ইসলামের অবদান অনন্য। প্রেম, দ্রোহ, মানবতা, সাম্য ও অসাম্প্রদায়িকতার চেতনায় তার সৃষ্টিকর্ম আজও সমানভাবে প্রাসঙ্গিক। কবির মৃত্যুবার্ষিকীতে নতুন প্রজন্মের শিল্পীদের কণ্ঠে ও নতুন সংগীতভাবনায় তার সৃষ্টি উপস্থাপনের এই উদ্যোগ সেই চেতনাকে নতুন করে শ্রোতাদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার প্রয়াস।

অরেঞ্জ বিজনেস ডেভেলপমেন্টের সহযোগিতায় নির্মিত গানটি বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মের পাশাপাশি ‘কাভার্ড বাই শ্রাবণ’ ও ‘বর্ণালী সরকার’ ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশ করা হয়েছে।

এসি/আপ্র/০১/০৯/২০২৬

 

 

সংশ্লিষ্ট খবর

আন্তর্জাতিক সঙ্গীত প্রতিযোগিতায় প্রথম আত্মা ও নাজনীন
০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আন্তর্জাতিক সঙ্গীত প্রতিযোগিতায় প্রথম আত্মা ও নাজনীন

বিশ্ব সঙ্গীত দিবস উপলক্ষে অনলাইনে আয়োজিত আন্তর্জাতিক সঙ্গীত প্রতিযোগিতায় বিভিন্ন বিভাগে বিজয়ীদের নাম...

ভারতে ঝড় তুলেছে যে চীনা রোমান্টিক সি-ড্রামা
০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ভারতে ঝড় তুলেছে যে চীনা রোমান্টিক সি-ড্রামা

প্রতি সপ্তাহে নতুন নতুন কন্টেন্টের ভিড়েও ভারতের নেটফ্লিক্সের শীর্ষ ৫ তালিকার জায়গা ছাড়তে নারাজ চীনের...

অভিষেকেই চমক, সায়নীর প্রথম সিনেমা জায়গা করে নিল ১০ উৎসবে
০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

অভিষেকেই চমক, সায়নীর প্রথম সিনেমা জায়গা করে নিল ১০ উৎসবে

সায়নী গুপ্তা—একজন বাঙালি অভিনেত্রী, তবে অভিনয় করেন বলিউডে। হিন্দি সিনেমা ও সিরিজে বেশ পরিচিত একটি মু...

এক যুগ পর পর্দায় ফিরছেন দেব-শুভশ্রী
০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

এক যুগ পর পর্দায় ফিরছেন দেব-শুভশ্রী

কলকাতার দুই জনপ্রিয় অভিনয়শিল্পী দীপক অধিকারী দেব ও শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায় দীর্ঘ এক যুগ পর একসঙ্গে ফিরছ...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

প্রধানমন্ত্রীর দেড়শ টাকার খাবারের দাওয়াত পেলেন বিরোধীদলীয় নেতা

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দুপুরের খাবারের খরচ ১০০ থেকে ১৫০ টাকা—এমন ব্যয়ের প্রশংসা করায় বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমানকে সেই খাবার খাওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে জ্বালানি সংকট নিয়ে কার্যপ্রণালিবিধির ৬৮ বিধির আলোচনার একপর্যায়ে এ ঘটনা ঘটে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দুপুরের খাবারের খরচ ১০০ থেকে ১৫০ টাকা—এমন ব্যয়ের প্রশংসা করায় বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমানকে সেই খাবার খাওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে জ্বালানি সংকট নিয়ে কার্যপ্রণালিবিধির ৬৮ বিধির আলোচনার একপর্যায়ে এ ঘটনা ঘটে। প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন প্রধান দুই দলের প্রধানদের এমন আচরণের ইতিবাচক প্রভাব দেশের রাজনীতিতে পড়বে ?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 1 দিন আগে