দীর্ঘ এক যুগ পর আগামী ১৬ আগস্ট ইতালির রাজধানী রোমে কনসার্টে গাইতে যাচ্ছেন নগরবাউল জেমস। একই দিন প্রয়াত রক সংগীতশিল্পী আইয়ুব বাচ্চুর জন্মদিন। কনসার্ট উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তাই অনিবার্যভাবেই উঠে আসে আইয়ুব বাচ্চুর প্রসঙ্গ। দীর্ঘদিনের সহকর্মী ও বন্ধুকে হারানোর পর নিজের একাকিত্বের কথা জানিয়েছেন জেমস।
রোমের একটি অভিজাত হোটেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে জেমস ও আইয়ুব বাচ্চুর দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব, একসঙ্গে কাজ করার স্মৃতি ও সংগীতজীবনের নানা প্রসঙ্গ উঠে আসে। তবে বন্ধুকে হারানোর পর নিজের শূন্যতার অনুভূতি প্রকাশ করলেও এ বিষয়ে বিস্তারিত বলতে চাননি জেমস।
তিনি বলেন, ‘আমরা সব সময় একসঙ্গেই কাজ করেছি, “জোড়া” ছিলাম আমরা। তো উনি চলে যাওয়ার পর খুব একা লাগে, এর থেকে বেশি বিষয় বলতে চাই না।’
জেমস ও আইয়ুব বাচ্চু ছিলেন বাংলাদেশের ব্যান্ডসংগীতের দুই উজ্জ্বল নক্ষত্র। দীর্ঘ সময় ধরে তাঁদের বন্ধুত্ব ও পেশাগত সম্পর্ক দেশের রক সংগীতের ইতিহাসেরও গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে আছে। তাই আইয়ুব বাচ্চুর চলে যাওয়ার পর নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন জেমস।
দীর্ঘ বিরতির পর রোমে কনসার্টে ফেরা নিয়েও কথা বলেন জেমস। প্রবাসী বাংলাদেশিদের অকৃত্রিম ভালোবাসা ও সমর্থন শিল্পীদের জন্য সব সময় বড় অনুপ্রেরণার উৎস বলে উল্লেখ করেন তিনি।
রোমে বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশির উপস্থিতি দেখে নিজের অনুভূতির কথা জানিয়ে জেমস বলেন, তাঁর মনে হয়েছে তিনি ইতালিতে নন; বরং বাংলাদেশেরই কোনো একটি হোটেল বা সংবাদ সম্মেলনে বসে আছেন।
প্রবাসে বাংলা গান ও সংস্কৃতির প্রতি মানুষের ভালোবাসা তাঁকে মুগ্ধ করেছে বলেও জানান এই জনপ্রিয় শিল্পী। একই সঙ্গে বাংলা সংস্কৃতি ও সংগীতকে নতুন প্রজন্মের শিল্পীরা আরো অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে যাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
সানা/আপ্র/১৪/৮/২০২৬