গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

মেনু

ই-ভ্যাট রিটার্ন জমার সময় বাড়ালো এনবিআর

নিজেস্ব প্রতিবেদক

নিজেস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১১:৫১ পিএম, ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | আপডেট: ১৪:১২ এএম ২০২৬
ই-ভ্যাট রিটার্ন জমার সময় বাড়ালো এনবিআর
ছবি

ছবি সংগৃহীত

পবিত্র শবে বরাত ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে দীর্ঘ সরকারি ছুটি এবং এ-চালান সিস্টেমে সার্ভার জটিলতার কারণে জানুয়ারি-২০২৬ কর মেয়াদের অনলাইন ভ্যাট রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা বাড়িয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ই-ভ্যাট সিস্টেমে জানুয়ারি মাসের রিটার্ন আগামী ২২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দাখিল করা যাবে।

রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) আগারগাঁওয়ের রাজস্ব ভবন থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। 

এতে বলা হয়, মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২ এর ধারা ৬৪ এর উপধারা (১ক) এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে জনস্বার্থে এই সময়সীমা বৃদ্ধি করা হয়েছে।

এনবিআর সূত্রে জানা গেছে, পবিত্র শবে বরাত এবং জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে কয়েকদিন সরকারি কার্যক্রম সীমিত ছিল। এর সঙ্গে ১৫ ফেব্রুয়ারি এ-চালান সিস্টেমে জুটিপি সার্ভার ডাউন থাকার কারণে অনেক করদাতা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে রিটার্ন দাখিল করতে পারেননি। বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে করদাতাদের স্বার্থ সুরক্ষায় সময় বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বর্তমানে দেশের ভ্যাট নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠানগুলোকে অনলাইনে মাসিক রিটার্ন দাখিল করতে হয়। ই-ভ্যাট ব্যবস্থা চালুর পর থেকে কর প্রশাসন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে রিটার্ন গ্রহণ, কর পরিশোধ ও চালান ব্যবস্থাপনা সম্পন্ন করছে। তবে সার্ভার জটিলতা বা প্রযুক্তিগত সমস্যার কারণে মাঝে-মধ্যে করদাতারা বিড়ম্বনার মুখে পড়েন। বিশেষ করে কর মেয়াদের শেষ সময়ে রিটার্ন দাখিলের চাপ বেড়ে গেলে সিস্টেমে ধীরগতি দেখা দেয়।

এনবিআরের কর্মকর্তারা জানান, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে রিটার্ন দাখিল না করলে আইন অনুযায়ী বিলম্ব ফি ও আর্থিক জরিমানার বিধান রয়েছে। ফলে সার্ভার জটিলতার কারণে যাতে কোনও করদাতা অযথা জরিমানার মুখে না পড়েন, সে জন্য সময় বৃদ্ধি করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, এ সিদ্ধান্ত শুধু জানুয়ারি-২০২৬ কর মেয়াদের জন্য প্রযোজ্য হবে। ২২ ফেব্রুয়ারির মধ্যে অনলাইনে রিটার্ন দাখিল করলে তা সময়মতো দাখিল হিসেবে গণ্য হবে এবং কোনও বিলম্বজনিত জরিমানা প্রযোজ্য হবে না।

রাজস্ব প্রশাসনের সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, সাম্প্রতিক সময়ে কর ব্যবস্থাপনা ডিজিটাল হওয়ায় সিস্টেমের সক্ষমতা ও সার্ভার স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা জরুরি। বিশেষ করে কর মেয়াদের শেষ সপ্তাহে যাতে প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে করদাতারা সমস্যায় না পড়েন, সে বিষয়ে এনবিআরকে আরও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।

কর বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সময়সীমা বাড়ানো সাময়িক স্বস্তি দিলেও দীর্ঘমেয়াদে ই-ভ্যাট প্ল্যাটফর্মের সক্ষমতা বৃদ্ধি, সার্ভার আপগ্রেড এবং বিকল্প ব্যাকআপ ব্যবস্থা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। তাতে করদাতাদের আস্থা বাড়বে এবং রাজস্ব আদায় প্রক্রিয়াও আরও মসৃণ হবে।

এসি/১৬/০২/২০২৬

 

 

 

 

 

 

 

 

 

সংশ্লিষ্ট খবর

ঢাকার জন্য ৩৭০ মিলিয়ন ডলার দেবে বিশ্বব্যাংক
১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

ঢাকার জন্য ৩৭০ মিলিয়ন ডলার দেবে বিশ্বব্যাংক

ঢাকা ও আশপাশের এলাকার পানি দূষণ রোধ এবং স্যানিটেশন ব্যবস্থার উন্নয়নে ৩৭০ মিলিয়ন বা ৩৭ কোটি ডলার ঋণ দ...

প্রধান উপদেষ্টাসহ সব উপদেষ্টার সম্পদ বিবরণী প্রকাশ
১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

প্রধান উপদেষ্টাসহ সব উপদেষ্টার সম্পদ বিবরণী প্রকাশ

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা এবং সমমর্যাদাসম্পন্ন ব্যক্তি এবং তাদের স্ত্রী-স্বামীর সম্পদ বিবরণী...

রমজানে ব্যাংক লেনদেনে নতুন সময়সূচি
১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

রমজানে ব্যাংক লেনদেনে নতুন সময়সূচি

পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে দেশের সকল তফসিলি ব্যাংকের অফিস ও লেনদেনের সময়সূচিতে পরিবর্তন এনেছে বাংলাদেশ...

টানা ৪ দিন বন্ধ থাকবে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান
১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

টানা ৪ দিন বন্ধ থাকবে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে আগামী ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি দেশে কার্যরত সব তফসিলি ব্যাংক ও...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

বাজারে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী গ্যাস সংকটের সুযোগে অতিরিক্ত দাম নিচ্ছে, এর মধ্যেই সরকার গ্যাস সিলিন্ডারের দাম বাড়িয়েছে। এটা কতটা যুক্তিসঙ্গত মনে করেন?

মোট ভোট: ৩ | শেষ আপডেট: 1 সপ্তাহ আগে