গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬

মেনু

ই-ভ্যাট রিটার্ন জমার সময় বাড়ালো এনবিআর

নিজেস্ব প্রতিবেদক

নিজেস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১১:৫১ পিএম, ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | আপডেট: ১৫:৩৫ এএম ২০২৬
ই-ভ্যাট রিটার্ন জমার সময় বাড়ালো এনবিআর
ছবি

ছবি সংগৃহীত

পবিত্র শবে বরাত ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে দীর্ঘ সরকারি ছুটি এবং এ-চালান সিস্টেমে সার্ভার জটিলতার কারণে জানুয়ারি-২০২৬ কর মেয়াদের অনলাইন ভ্যাট রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা বাড়িয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ই-ভ্যাট সিস্টেমে জানুয়ারি মাসের রিটার্ন আগামী ২২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দাখিল করা যাবে।

রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) আগারগাঁওয়ের রাজস্ব ভবন থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। 

এতে বলা হয়, মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২ এর ধারা ৬৪ এর উপধারা (১ক) এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে জনস্বার্থে এই সময়সীমা বৃদ্ধি করা হয়েছে।

এনবিআর সূত্রে জানা গেছে, পবিত্র শবে বরাত এবং জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে কয়েকদিন সরকারি কার্যক্রম সীমিত ছিল। এর সঙ্গে ১৫ ফেব্রুয়ারি এ-চালান সিস্টেমে জুটিপি সার্ভার ডাউন থাকার কারণে অনেক করদাতা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে রিটার্ন দাখিল করতে পারেননি। বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে করদাতাদের স্বার্থ সুরক্ষায় সময় বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বর্তমানে দেশের ভ্যাট নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠানগুলোকে অনলাইনে মাসিক রিটার্ন দাখিল করতে হয়। ই-ভ্যাট ব্যবস্থা চালুর পর থেকে কর প্রশাসন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে রিটার্ন গ্রহণ, কর পরিশোধ ও চালান ব্যবস্থাপনা সম্পন্ন করছে। তবে সার্ভার জটিলতা বা প্রযুক্তিগত সমস্যার কারণে মাঝে-মধ্যে করদাতারা বিড়ম্বনার মুখে পড়েন। বিশেষ করে কর মেয়াদের শেষ সময়ে রিটার্ন দাখিলের চাপ বেড়ে গেলে সিস্টেমে ধীরগতি দেখা দেয়।

এনবিআরের কর্মকর্তারা জানান, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে রিটার্ন দাখিল না করলে আইন অনুযায়ী বিলম্ব ফি ও আর্থিক জরিমানার বিধান রয়েছে। ফলে সার্ভার জটিলতার কারণে যাতে কোনও করদাতা অযথা জরিমানার মুখে না পড়েন, সে জন্য সময় বৃদ্ধি করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, এ সিদ্ধান্ত শুধু জানুয়ারি-২০২৬ কর মেয়াদের জন্য প্রযোজ্য হবে। ২২ ফেব্রুয়ারির মধ্যে অনলাইনে রিটার্ন দাখিল করলে তা সময়মতো দাখিল হিসেবে গণ্য হবে এবং কোনও বিলম্বজনিত জরিমানা প্রযোজ্য হবে না।

রাজস্ব প্রশাসনের সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, সাম্প্রতিক সময়ে কর ব্যবস্থাপনা ডিজিটাল হওয়ায় সিস্টেমের সক্ষমতা ও সার্ভার স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা জরুরি। বিশেষ করে কর মেয়াদের শেষ সপ্তাহে যাতে প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে করদাতারা সমস্যায় না পড়েন, সে বিষয়ে এনবিআরকে আরও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।

কর বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সময়সীমা বাড়ানো সাময়িক স্বস্তি দিলেও দীর্ঘমেয়াদে ই-ভ্যাট প্ল্যাটফর্মের সক্ষমতা বৃদ্ধি, সার্ভার আপগ্রেড এবং বিকল্প ব্যাকআপ ব্যবস্থা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। তাতে করদাতাদের আস্থা বাড়বে এবং রাজস্ব আদায় প্রক্রিয়াও আরও মসৃণ হবে।

এসি/১৬/০২/২০২৬

 

 

 

 

 

 

 

 

 

সংশ্লিষ্ট খবর

দেশের বাজারে কমেছে সোনার দাম
১৪ জুলাই ২০২৬

দেশের বাজারে কমেছে সোনার দাম

দেশের বাজারে আবারো কমেছে সোনার দাম। স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার (পিওর গোল্ড) দাম কমায় নতুন করে সব ধর...

জুলাইয়ের ১১ দিনেই দেশে এলো ১১৫ কোটি ডলার রেমিট্যান্স
১৩ জুলাই ২০২৬

জুলাইয়ের ১১ দিনেই দেশে এলো ১১৫ কোটি ডলার রেমিট্যান্স

চলতি জুলাই মাসের প্রথম ১১ দিনে দেশে ১১৫ কোটি ৪০ লাখ মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে। এ সময়ে প্রতিদি...

রাষ্ট্রায়ত্ত নয় ব্যাংকের খেলাপি ঋণ প্রায় দুই লাখ কোটি টাকা
১২ জুলাই ২০২৬

রাষ্ট্রায়ত্ত নয় ব্যাংকের খেলাপি ঋণ প্রায় দুই লাখ কোটি টাকা

দেশের নয়টি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের খেলাপি ঋণের পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় দুই লাখ কোটি টাকায়। বাংলাদে...

বাণিজ্য সহজীকরণে বাংলাদেশ-পাকিস্তানের নতুন সমঝোতা শিগগিরই
১২ জুলাই ২০২৬

বাণিজ্য সহজীকরণে বাংলাদেশ-পাকিস্তানের নতুন সমঝোতা শিগগিরই

বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য আরো সহজ ও সম্প্রসারণের লক্ষ্যে নতুন একটি সমঝোতা স্মা...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

ফ্যাসিস্টের অপরিকল্পিত উন্নয়নেই বন্যা পরিস্থিতির অবনতি: রিজভী

বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের অপরিকল্পিত উন্নয়ন ও প্রকৃতিবিরোধী অবকাঠামো নির্মাণের কারণেই দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির ভয়াবহ অবনতি এবং এত মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। প্রিয় পাঠক আপনি কি মনে করেন উপদেষ্টা রিজভী সঠিক বলেছেন?

মোট ভোট: ০ | শেষ আপডেট: 16 ঘন্টা আগে