গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
রোববার, ২৩ আগস্ট ২০২৬

মেনু

ঢাকার জন্য ৩৭০ মিলিয়ন ডলার দেবে বিশ্বব্যাংক

নিজেস্ব প্রতিবেদক

নিজেস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৫:৫৭ পিএম, ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | আপডেট: ০১:৪৩ এএম ২০২৬
ঢাকার জন্য ৩৭০ মিলিয়ন ডলার দেবে বিশ্বব্যাংক
ছবি

ছবি সংগৃহীত

ঢাকা ও আশপাশের এলাকার পানি দূষণ রোধ এবং স্যানিটেশন ব্যবস্থার উন্নয়নে ৩৭০ মিলিয়ন বা ৩৭ কোটি ডলার ঋণ দেবে বিশ্বব্যাংক।

বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) বিশ্বব্যাংকের ঢাকা অফিস এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে বিশ্বব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে নির্বাহী পরিচালকদের সভায় এই অর্থায়ন অনুমোদন করা হয়েছে। ‘মেট্রো ঢাকা ওয়াটার সিকিউরিটি অ্যান্ড রেজিলিয়েন্স’ শীর্ষক এই কর্মসূচির আওতায় ঢাকার বিভিন্ন সিটি করপোরেশন ও ঢাকা ওয়াসার সক্ষমতা বাড়ানো হবে। প্রকল্পটির মূল লক্ষ্য হলো নদী ও খালের পানি দূষণ কমিয়ে সেগুলোর নাব্যতা ও স্বাভাবিক প্রবাহ ফিরিয়ে আনা।

এই প্রকল্পের মাধ্যমে প্রায় ৫ লাখ ৫০ হাজার মানুষ উন্নত স্যানিটেশন সুবিধা এবং ৫ লাখ মানুষ উন্নত বর্জ্য ব্যবস্থাপনার আওতায় আসবে। বিশেষ করে দূষণ ও সেবাবঞ্চিত এলাকায় অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

বাংলাদেশ ও ভুটানে নিযুক্ত বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর জঁ পেসমে বলেন, ঢাকার জলাশয়গুলো কোটি মানুষের জীবনরেখা। দ্রুত ও অপরিকল্পিত নগরায়ণের কারণে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ভেঙে পড়েছে, যা জনস্বাস্থ্য ও অর্থনীতিতে বিরূপ প্রভাব ফেলছে। এই প্রকল্প ঢাকার নদী ও খালের স্বাস্থ্য পুনরুদ্ধারে প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি তৈরি করবে।

বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঢাকার মাত্র ২০ শতাংশ বাসিন্দা পাইপযুক্ত স্যুয়ারেজ সিস্টেমের আওতায় আছেন। অন্যদিকে, ৮০ শতাংশের বেশি অপরিশোধিত পয়ঃবর্জ্য সরাসরি শহরের জলাশয় ও নদীতে যাচ্ছে। এছাড়া ঢাকার অর্ধেকের বেশি খাল বর্তমানে বিলীন বা বর্জ্যে ভরাট হয়ে গেছে।

প্রতিবেদনে আরো উল্লেখ করা হয়েছে, দেশের মোট রফতানিমুখী পোশাক কারখানার ৮০ শতাংশই ঢাকা ও আশপাশে অবস্থিত। প্রায় ৭ হাজার কারখানা প্রতিদিন ২ হাজার ৪০০ মিলিয়ন লিটার অপরিশোধিত বর্জ্য নদীতে ফেলে, যার ফলে চর্মরোগ, ডায়রিয়া ও অন্যান্য স্নায়বিক সমস্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রকল্পে বেসরকারি খাতকে সম্পৃক্ত করে শিল্পবর্জ্য শোধনাগার (ইটিপি) ও পানির পুনঃব্যবহার বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে।

বিশ্বব্যাংকের সিনিয়র ওয়াটার স্পেশালিস্ট ও টাস্ক টিম লিডার হর্ষ গোয়েল জানান, তাদের এই কর্মসূচি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ। প্রথম ধাপে ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জের নির্দিষ্ট এলাকায় কাজ শুরু হবে। নদীগুলোর পানি পরীক্ষা, ‘ডিজিটাল রিয়েল-টাইম মনিটরিং’ ও সমন্বিত নদী পুনরুদ্ধার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে। পাশাপাশি প্রাথমিক বর্জ্য সংগ্রহ ব্যবস্থার উন্নয়ন, রিসাইক্লিং আধুনিকায়ন ও জনসচেতনতা বাড়ানোর মাধ্যমে সরাসরি নদী বা ড্রেনে বর্জ্য ফেলার ঘটনা কমানো হবে।

এসি/আপ্র/১১/০২/২০২৬

সংশ্লিষ্ট খবর

সোনার দাম এক ধাক্কায় ভরিতে বাড়লো ৫৪৮২ টাকা
২২ আগস্ট ২০২৬

সোনার দাম এক ধাক্কায় ভরিতে বাড়লো ৫৪৮২ টাকা

দেশের বাজারে সোনার দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভ্যাটসহ স্বর্ণ...

যে সাত ধরনের আয় থাকলে রিটার্নে দেখাতে হবে
২০ আগস্ট ২০২৬

যে সাত ধরনের আয় থাকলে রিটার্নে দেখাতে হবে

আয়কর রিটার্নে করদাতার আয়, ব্যয়, সম্পদ ও দায়ের তথ্য উল্লেখ করতে হয়। একজন করদাতার বিভিন্ন উৎসের আয় নির...

অক্টোবরে নতুন পে-স্কেলে বেতন পাওয়ার সম্ভাবনা
২০ আগস্ট ২০২৬

অক্টোবরে নতুন পে-স্কেলে বেতন পাওয়ার সম্ভাবনা

সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য প্রস্তাবিত নবম জাতীয় পে-স্কেল বাস্তবায়নে প্রস্তুতি এগিয়ে চলছে। সরকারের বর্ত...

এক কার্গো এলএনজি কিনবে সরকার
১৯ আগস্ট ২০২৬

এক কার্গো এলএনজি কিনবে সরকার

দেশের জ্বালানি চাহিদা মেটাতে এক কার্গো তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস বা এলএনজি কিনবে সরকার। আন্তর্জাতিক কো...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

কোনো সক্রিয় জরিপ নেই