গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

মেনু

জাতীয় নির্বাচনের চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রকাশিত: ২০:১৬ পিএম, ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | আপডেট: ২২:৩৫ এএম ২০২৬
জাতীয় নির্বাচনের চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা
ছবি

জাতীয় নির্বাচনের চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা

ড. জাহাঙ্গীর আলম সরকার

ভোটাধিকার শুধু একটি রাজনৈতিক অধিকার নয়; নাগরিক ও রাষ্ট্রের মধ্যে এক অদৃশ্য। কিন্তু অত্যন্ত শক্তিশালী সেতু। এই অধিকার সচেতনভাবে প্রয়োগ করা মানে শুধু ভোটকক্ষে অংশগ্রহণ নয়, বরং দেশের গণতন্ত্রের ভিত্তিকে দৃঢ় করা। বাংলাদেশে গণতন্ত্রের ধারাবাহিকতা রক্ষা করতে শান্তিপূর্ণ ভোট প্রক্রিয়া অপরিহার্য। ভোটের দিনগুলো আমাদের জন্য শুধু নির্বাচন নয়, বরং সামাজিক ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার পরীক্ষা। তবে বাস্তবতা প্রায়শই আইন ও কাঠামোর উর্ধ্বে গিয়ে ভোটকেন্দ্রকে নাটকীয়তার এক মঞ্চে পরিণত করে। ভোটকেন্দ্রে দেখা যায় উত্তেজনা, কখনো বিতর্ক, কখনো হালকা হিংসার ছাপ এবং মাঝে মধ্যে এমন পরিস্থিতি দেখা দেয়; যা ভাবায়- ভোট শুধু সংবিধান বা নির্বাচনি আইন অনুযায়ী নিয়ন্ত্রিত কোনো প্রক্রিয়া, নাকি দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক বাস্তবতারই প্রতিফলন।

সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৫৬, ৬৫ ও ৭২ স্পষ্টভাবে প্রার্থীদের ন্যায্যতা, ভোটারদের মৌলিক অধিকার এবং নির্বাচন কমিশনের স্বায়ত্তশাসন নিশ্চিত করার কথা বলেছে। এই ধারাগুলো শুধু আইনগত রূপরেখা নয়; এগুলো দেশের গণতন্ত্রকে মজবুত করার মূল ভিত্তি। সংবিধানটি নাগরিক এবং রাষ্ট্রের মধ্যে এক সুনির্দিষ্ট চুক্তি হিসেবে কাজ করে; যা নিশ্চিত করে- কোনো প্রার্থী অযৌক্তিকভাবে নির্বাচনী প্রতিযোগিতা থেকে বঞ্চিত হবে না, ভোটারদের মৌলিক অধিকার—ভোট প্রদানের স্বাধীনতা, নিরাপত্তা এবং পরিচয় যাচাই—সুরক্ষিত থাকবে এবং নির্বাচন কমিশন তার দায়িত্ব যথাযথভাবে সম্পাদন করতে পারবে। কিন্তু বাস্তবতা দেখায়, শুধু আইন থাকা যথেষ্ট নয়। আইন থাকা মানেই ভোটের দিনগুলো স্বাভাবিকভাবে চলবে এমন কোনো নিশ্চয়তা নেই। ভোটকেন্দ্রগুলো প্রায়শই শুধু কাগজে লেখা বিধানের মঞ্চ নয়; একটি সামাজিক ও রাজনৈতিক পরীক্ষার স্থান। এখানে ভোটার, প্রার্থী, প্রশাসন, নিরাপত্তা বাহিনী এবং রাজনৈতিক দলগুলোর কর্মকাণ্ড একত্রিত হয়ে একটি জটিল পরিস্থিতি তৈরি করে। আইন প্রয়োগে দক্ষতা না থাকলে, নাগরিকরা যদি তাদের দায়িত্ব সচেতনভাবে পালন না করে এবং রাজনৈতিক দলগুলো তাদের নৈতিক দায়বদ্ধতা যথাযথভাবে মানতে ব্যর্থ হয়; তাহলে শান্তিপূর্ণ ভোটের ধারণা শুধু তাত্ত্বিকই থেকে যায়।

প্রতিটি ভোটকেন্দ্রই একটি ছোট শহর বা সমাজের প্রতিফলন। এখানে রাজনৈতিক উত্তেজনা, সামাজিক মনোভাব, স্থানীয় স্বার্থ এবং ব্যক্তিগত বিশ্বাস সবকিছু একসাথে উঠে আসে। ভোটাররা যে কোনো ভুল তথ্য বা মিথ্যা প্রচারণার দ্বারা বিভ্রান্ত হতে পারে; প্রার্থীরা তাদের ক্ষমতার হাতিয়ার হিসেবে রাজনৈতিক চাপ প্রয়োগ করতে পারে; এতে যদি নিরাপত্তা বাহিনী ও প্রশাসন নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে পরিস্থিতি দ্রুত অস্থিতিশীল হয়ে ওঠে। এই মঞ্চে আইন শুধু নির্দেশ দেয়, কিন্তু বাস্তবায়ন ও ফলপ্রসূতা নির্ভর করে মানুষের সচেতনতা, রাজনৈতিক নৈতিকতা এবং প্রশাসনের সক্ষমতার ওপর। এ ছাড়া শান্তিপূর্ণ ভোটের জন্য সামাজিক দায়বদ্ধতা অপরিহার্য। ভোটের দিন শুধু আইন পালন করলেই যথেষ্ট নয়; নাগরিকদের উচিত তাদের দায়িত্ব বুঝে ভোট কেন্দ্রে উপস্থিত থাকা, নিরপেক্ষ মনোভাব বজায় রাখা এবং সামাজিক উত্তেজনা বা বিদ্বেষ থেকে দূরে থাকা। রাজনৈতিক দলগুলোও যদি প্রতিযোগিতার নৈতিক মান বজায় না রাখে, জনগণ বিভ্রান্ত হয় এবং ভোটের পরিবেশ উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে ওঠে। তাই প্রতিটি ভোটকেন্দ্রকে শুধু প্রশাসনিক প্রক্রিয়া হিসেবে নয়, বরং সামাজিক ও রাজনৈতিক দায়িত্বের সমন্বয়যুক্ত একটি মঞ্চ হিসেবে দেখা উচিত।

সংক্ষিপ্তভাবে বলতে গেলে, সংবিধান ভোট প্রক্রিয়ার কাঠামো প্রদান করে। কিন্তু তার কার্যকারিতা নির্ভর করে নাগরিক সচেতনতা, রাজনৈতিক দলের নৈতিক দায়বদ্ধতা এবং প্রশাসনের স্বচ্ছতা ও দক্ষতার ওপর। যদি এই তিনটি উপাদান সঠিকভাবে সমন্বিত হয়, তাহলে দেশের গণতন্ত্রের ভিত্তি দৃঢ় হবে এবং ভোট প্রক্রিয়া সত্যিকারের শান্তিপূর্ণ ও বিশ্বাসযোগ্য হবে। ভোটকে শান্তিপূর্ণভাবে আয়োজন করা মানে শুধু প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করা নয়; একটি জটিল প্রক্রিয়া- যা আইন, শৃঙ্খলা ও সামাজিক চেতনার সমন্বয়ে সম্ভব। নির্বাচনের সময় প্রায়ই দেখা যায় সহিংসতা, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, ভাঙচুর ও ভোটারদের মানসিক চাপ। এই পরিস্থিতি প্রমাণ করে যে, শুধু বিধান থাকা যথেষ্ট নয়; তা বাস্তবে প্রয়োগ করতে হবে। একটি স্বচ্ছ ও সক্ষম নির্বাচন কমিশন, সঠিকভাবে প্রস্তুতকৃত ভোটার তালিকা, পরিচয় যাচাই ব্যবস্থা এবং ভোটকেন্দ্রে নিরাপত্তা বাহিনীর নিরপেক্ষ উপস্থিতি ছাড়া ভোটের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। আইনজীবীর দৃষ্টিকোণ থেকে, সংবিধান এবং নির্বাচন আইন যদি যথাযথভাবে প্রয়োগ করা হয়, তাহলে রাজনৈতিক অস্থিরতা অনেকাংশে হ্রাস পেতে পারে। ভোটের আগে এবং পরে যে কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ বা সহিংসতা রোধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ অপরিহার্য। তবে আইন শুধু শাস্তি দিয়ে সীমাবদ্ধ থাকলে কার্যকারিতা সীমিত থাকে। এ জন্য সামাজিক চেতনা ও নাগরিক দায়িত্ববোধও সমানভাবে গড়ে তুলতে হবে।

শান্তিপূর্ণ ভোট শুধু প্রশাসনের দায়িত্ব নয়; নাগরিক সমাজেরও দায়িত্ব। নাগরিকরা যদি তাদের ভোটাধিকার সচেতনভাবে প্রয়োগ করে, বিভ্রান্তিকর প্রচারণা, মিথ্যা তথ্য এবং রাজনৈতিক উগ্রতার প্রভাব থেকে দূরে থাকে, তাহলে ভোটের পরিবেশ অনেক বেশি স্থিতিশীল এবং বন্ধুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। সামাজিক দায়িত্বের ধারণা শুধু ভোটকেন্দ্রে সীমাবদ্ধ নয়; আমাদের দৈনন্দিন জীবনেও প্রয়োগ করতে হবে। শান্তিপূর্ণ মনোভাব, একে অন্যের প্রতি সহমর্মিতা এবং রাজনৈতিক দলগুলোর উগ্রতার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলা দেশের গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করে। বাংলাদেশে নাগরিক সমাজের মধ্যে এই দায়িত্ববোধ গড়ে তুলতে ইতোমধ্যেই বিভিন্ন উদ্যোগ শুরু হয়েছে। সুশাসন, নাগরিক শিক্ষা ও গণমাধ্যমের দায়িত্বশীল ভূমিকা শান্তিপূর্ণ ভোটের ক্ষেত্রে বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

বাংলাদেশে শান্তিপূর্ণ ভোটের পথে কিছু বড় চ্যালেঞ্জও বিদ্যমান। রাজনৈতিক উত্তেজনা এবং দলগুলোর মধ্যে বিরোধ প্রায়ই ভোট প্রক্রিয়াকে অস্থিতিশীল করে তোলে। নির্বাচনি প্রচারে অসত্য তথ্য, কুপ্রচার ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভ্রান্ত তথ্য সামাজিক উত্তেজনা বাড়াতে পারে। প্রশাসনিক পর্যায়ে পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণ, নিরাপত্তা ও নিরপেক্ষ মনোভাবের অভাবও পরিস্থিতিকে জটিল করে তোলে। এ ছাড়া ধর্ম, ভাষা, শ্রেণি বা আঞ্চলিক ভেদাভেদও রাজনৈতিক উত্তেজনার উত্থান ঘটাতে পারে। এই চ্যালেঞ্জগুলো শুধু আইন দিয়ে সমাধান সম্ভব নয়; প্রয়োজন শিক্ষা, সামাজিক সচেতনতা ও রাজনৈতিক সংস্কারের সমন্বয়। তবুও সম্ভাবনা রয়েছে।

বাংলাদেশ ইতোমধ্যেই প্রমাণ করেছে- সংবিধান, আইন ও প্রযুক্তির সমন্বয় করে ভোট প্রক্রিয়া উন্নত করা সম্ভব। ডিজিটাল ভোটার তালিকা, ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন বা অনলাইন যাচাই ব্যবস্থা, এবং নজরদারি ক্যামেরার মতো প্রযুক্তি ব্যবস্থার মাধ্যমে ভোট প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা বৃদ্ধি করা যায়। স্কুল, কলেজ, গণমাধ্যম ও সামাজিক প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে নাগরিকদের ভোটের গুরুত্ব এবং সামাজিক দায়বদ্ধতার প্রতি সচেতনতা বৃদ্ধি করা সম্ভব। স্বচ্ছ প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনের স্বাধীনতা রক্ষা করলে শান্তিপূর্ণ ভোটের পরিবেশ নিশ্চিত হয়। রাজনৈতিক দলগুলোকে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ করতে হবে যে, ভোটের আগে ও পরে তারা শান্তিপূর্ণ আচরণ বজায় রাখবেন।

ভোটাধিকার প্রয়োগ ও সামাজিক দায়বদ্ধতার মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বিদ্যমান। শান্তিপূর্ণ ভোট শুধু নির্বাচনী ফলাফল নির্ধারণের মাধ্যম নয়; এটি সমাজের নৈতিক এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার প্রতিফলন। নাগরিকরা যদি আইন এবং সামাজিক দায়িত্বের ভারসাম্য বজায় রাখে, তাহলে দেশের গণতন্ত্র শক্তিশালী হয় এবং রাষ্ট্রের প্রতি মানুষের আস্থা বৃদ্ধি পায়। ভোটের প্রতিটি দিন শুধু নির্বাচন নয়, বরং সমাজ ও রাষ্ট্র ব্যবস্থার প্রতি নাগরিকের দায়বদ্ধতার এক পরীক্ষা। শান্তিপূর্ণ ভোট এবং সামাজিক দায়বদ্ধতা বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ভবিষ্যতের জন্য অপরিহার্য। সংবিধান ও আইন কাঠামো এটি প্রদান করে। তবে নাগরিক সচেতনতা, রাজনৈতিক দলগুলোর নৈতিক দায়বদ্ধতা ও প্রশাসনের স্বচ্ছতা ছাড়া তা কার্যকর হয় না। ভোট প্রক্রিয়া তখন শুধু আইনগত কাঠামোর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। এটি নাগরিকের আস্থা, সামাজিক নৈতিকতা ও রাজনৈতিক দায়িত্ববোধের মধ্য দিয়ে সমৃদ্ধ হয়।

শান্তিপূর্ণ ভোট কোনো যন্ত্র নয়; আমাদের নৈতিক ও সামাজিক দায়বদ্ধতার পরীক্ষা। বাংলাদেশ যদি এই পরীক্ষায় সফল হয়, তবে এটি শুধু নির্বাচনের ক্ষেত্রেই নয়, সামগ্রিকভাবে সমাজ ও রাষ্ট্র ব্যবস্থায় স্থায়ী শান্তি, ন্যায়বিচার এবং গণতান্ত্রিক গৌরব প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হবে। নাগরিকরা তাদের ভোটাধিকার সচেতন ও ন্যায্যভাবে প্রয়োগ করলে, রাজনৈতিক দলগুলো সুষ্ঠু প্রতিযোগিতার মান বজায় রাখলে এবং প্রশাসন দায়িত্ব নিপুণ ও নিরপেক্ষভাবে পালন করলে দেশের গণতন্ত্র সত্যিকার অর্থে শক্তিশালী হবে।

লেখক: আইনজীবী ও গবেষক 
sarkerjahangiralam78@gmail.com
(মতামত লেখকের সম্পূর্ণ নিজস্ব)

কেএমএএ/আপ্র

সংশ্লিষ্ট খবর

স্বাধীন সুর বনাম শুদ্ধ স্বরলিপি- নজরুল সঙ্গীতের আত্মা কী বাঁধনে হারাবে?
০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

স্বাধীন সুর বনাম শুদ্ধ স্বরলিপি- নজরুল সঙ্গীতের আত্মা কী বাঁধনে হারাবে?

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের গান কেবল কিছু সুরবদ্ধ সংগীত নয়। এ এক জীবন্ত সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকার। বিদ...

শ্রম অভিবাসন সম্প্রসারণ সম্ভব নাকি জটিল
০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

শ্রম অভিবাসন সম্প্রসারণ সম্ভব নাকি জটিল

আসিফ মুনীরপ্রবাদ আছে, মানুষ অভ্যাসের দাস। জীবনে কোনো কিছুতে অভ্যস্ত হয়ে গেলে স্বস্তি আর আত্মবিশ্বাস...

নির্বাচনি প্রচারণায় সহিংসতা বন্ধ করতেই হবে
০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

নির্বাচনি প্রচারণায় সহিংসতা বন্ধ করতেই হবে

আহসান হাবিব বরুনগণতান্ত্রিক উত্তরণের পথে বাকি আর মাত্র দুই সপ্তাহ। এরপরই ফয়সালা হয়ে যাবে কার হাতে উঠ...

AI যুগে বাংলাদেশ: প্রস্তুত তো?
২৮ ডিসেম্বর ২০২৫

AI যুগে বাংলাদেশ: প্রস্তুত তো?

বিশ্ব যখন দ্রুত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দিকে এগোচ্ছে, তখন প্রশ্ন উঠছে—বাংলাদেশ কি এই AI বিপ্লবের জন্য প...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

বাজারে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী গ্যাস সংকটের সুযোগে অতিরিক্ত দাম নিচ্ছে, এর মধ্যেই সরকার গ্যাস সিলিন্ডারের দাম বাড়িয়েছে। এটা কতটা যুক্তিসঙ্গত মনে করেন?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 1 দিন আগে