মো. মাইনুল হক, নীলফামারী থেকে: নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার ঝুনাগাছ চাপানি ইউনিয়নের কাঁকড়ার বাজার এলাকার একটি মসজিদ থেকে এক মোয়াজ্জিনের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। একই ঘটনায় ওই মরদেহ দেখে বাড়ি ফেরার পর অসুস্থ হয়ে স্থানীয় আরও এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছেন এলাকাবাসী। তবে দ্বিতীয় ব্যক্তির মৃত্যুর কারণ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করতে পারেনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
নিহত আব্দুল মালেক (২১) কাঁকড়ার বাজার এলাকার নুরুল হকের ছেলে। তিনি স্থানীয় একটি মসজিদে মোয়াজ্জিন হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন। প্রয়োজন হলে ইমামতির দায়িত্বও পালন করতেন।
স্থানীয় সূত্র জানায়, বুধবার (১৫ জুলাই) এশার নামাজ শেষে মুসল্লিরা একে একে মসজিদ ত্যাগ করেন। ধারণা করা হচ্ছে, সবার শেষে আব্দুল মালেক মসজিদে অবস্থান করছিলেন। পরে রাত প্রায় ১টার দিকে এক ব্যক্তি মসজিদে গিয়ে তাকে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় ঝুলতে দেখেন। খবর পেয়ে স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে ছুটে যান এবং পুলিশকে বিষয়টি জানান।
প্রতিনিধির পাঠানো ছবি
ডিমলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শওকত আলী সরকার বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ নীলফামারী আধুনিক সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। ময়নাতদন্ত শেষে আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে।
এদিকে, আব্দুল মালেকের মরদেহ দেখে বাড়ি ফেরার পর স্থানীয় এক ব্যক্তি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তার মৃত্যু হয়। স্থানীয়দের দাবি, তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন। তবে তাৎক্ষণিকভাবে তার পরিচয় জানা যায়নি এবং মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণও এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়নি।
ঝুনাগাছ চাপানি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আমিনুর রহমান জানান, রাত প্রায় ২টার দিকে তিনি ঘটনাটি জানতে পারেন। সকালে তিনি জানতে পারেন, মরদেহ দেখে বাড়ি ফেরার পর স্থানীয় এক ব্যক্তি অসুস্থ হয়ে মারা গেছেন।
সানা/আপ্র/১৬/৭/২০২৬