চট্টগ্রামে দুর্বৃত্তদের গোলাগুলির ঘটনায় চোখে গুলিবিদ্ধ ১১ বছর বয়সী রেশমি আক্তার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্তায় মারা গেছে।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সকালে চমেক হাসপাতালের আইসিইউতে তার মৃত্যু হয়।
নিহত রেশমি স্থানীয় একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী ছিল। তার বাবা রিয়াজ আহমেদ পেশায় একজন সবজি বিক্রেতা। পাঁচ ভাই-বোনের মধ্যে রেশমি ছিল সবার ছোট।
স্থানীয় বাসিন্দা ও পরিবার গণমাধ্যমকে জানায়, ঘটনার দিন রৌফাবাদ এলাকায় বোনের বাসায় বেড়াতে আসা হাসান রাজু (২৪) নামে এক যুবককে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে ৫-৬ জন মুখোশধারী দুর্বৃত্ত। এতে ঘটনাস্থলেই রাজু নিহত হন। ওই সময় মায়ের কথায় দোকান থেকে পান আনতে গিয়ে গুলিবর্ষণের মাঝখানে পড়ে যায় শিশু রেশমি। একটি গুলি তার চোখে বিদ্ধ হয়। পরে আহত অবস্থায় রেশমিকে চমেক হাসপাতালে নেওয়া হলে প্রথমে নিউরোসার্জারি ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। সেখানে আইসিইউ শয্যা খালি না থাকায় পরিবার তাকে দ্রুত একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে চমেক হাসপাতালে আইসিইউ খালি হলে তাকে পুনরায় সেখানে স্থানান্তর করা হয়। পরে বৃহস্পতিবার সকালে চমেক হাসপাতালের আইসিইউতে তার মৃত্যু হয়।
এসি/আপ্র/১৪/০৫/২০২৬