গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬

মেনু

ট্রেনের নিচে শিশুকে জড়িয়ে প্রাণরক্ষা বাবার

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রকাশিত: ০১:৪৬ পিএম, ২৯ এপ্রিল ২০২৬ | আপডেট: ২২:১৪ এএম ২০২৬
ট্রেনের নিচে শিশুকে জড়িয়ে প্রাণরক্ষা বাবার
ছবি

ছবি ভিডিও থেকে নেওয়া

কিশোরগঞ্জের ভৈরব রেলস্টেশনে চলন্ত ট্রেনের নিচে পড়ে যাওয়া দুই বছরের শিশুকে বুকের সঙ্গে জড়িয়ে ধরে শুয়ে থেকে প্রাণরক্ষা করেছেন তার বাবা। রুদ্ধশ্বাস এই ঘটনায় অক্ষত অবস্থায় ফিরে আসায় স্বস্তির নিশ্বাস ফেলেছেন উপস্থিত মানুষজন।

মঙ্গলবার ২৮ এপ্রিল) দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া থেকে ছেড়ে আসা তিতাস কমিউটার ট্রেনে ঢাকায় যাওয়ার উদ্দেশ্যে কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীর এক দম্পতি তাঁদের দুই বছরের সন্তানকে নিয়ে ভৈরব স্টেশনে আসেন। ট্রেনটি ১ নম্বর প্ল্যাটফর্মে অবস্থানকালে ওঠার চেষ্টা করেন তাঁরা।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, প্ল্যাটফর্ম উঁচু হওয়ায় ওঠার সময় ভারসাম্য হারিয়ে মা ও শিশু ট্রেনের নিচে পড়ে যান। পরে মা ওঠার চেষ্টা করলে আবারও হাত ফসকে ট্রেন ও প্ল্যাটফর্মের মাঝখানে পড়ে যায় শিশুটি। এ সময় ট্রেন ছাড়ার সংকেত দেওয়া হলে শিশুটির বাবা দ্রুত নিচে নেমে গিয়ে তাকে বুকের সঙ্গে জড়িয়ে ধরে শুয়ে পড়েন। কিছুক্ষণের মধ্যেই ট্রেন চলতে শুরু করে এবং পুরো ট্রেনটি তাঁদের ওপর দিয়ে অতিক্রম করে যায়।

ট্রেনটি ধীরে ধীরে চলে গেলে বাবা ও শিশু অক্ষত অবস্থায় উঠে আসেন। এ সময় চারপাশে উপস্থিত মানুষজন ‘আল্লাহ, আল্লাহ’ বলতে বলতে ঘটনাটি প্রত্যক্ষ করেন এবং পরে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেন। মা নেমে এসে সন্তানকে কোলে তুলে নেন।

ভৈরব রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার মো. ইউসুফ জানান, তিতাস কমিউটার ট্রেনটির নির্ধারিত ছাড়ার সময় ছিল দুপুর ১টা ৩৫ মিনিট, তবে সেদিন প্রায় এক ঘণ্টা বিলম্বে ট্রেনটি স্টেশনে পৌঁছায়।

প্রত্যক্ষদর্শী টিকিট বিক্রেতা ফালু মিয়া বলেন, শিশুটিকে তার বাবা কোলবালিশের মতো জড়িয়ে শুয়ে ছিলেন। সামান্য নড়াচড়া করলেই বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারত। ঘটনাটি দেখে তিনি বিস্মিত হয়েছেন।

দুর্ঘটনার পর দম্পতিকে ভৈরব রেলওয়ে থানা–পুলিশের হেফাজতে রাখা হয়। থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাঈদ আহমেদ জানান, বড় ধরনের বিপদ থেকে প্রাণে বেঁচে ফিরলেও তাঁদের শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। ফলে হাসপাতালে নেওয়ার প্রয়োজন হয়নি। পরে ঢাকায় না গিয়ে তাঁরা বাড়ি ফিরে যান।

পুলিশ জানায়, দম্পতি তাঁদের বাড়ি কটিয়াদীর লোহাজুড়ি ইউনিয়নের লোহাজুড়ি গ্রামে বলে উল্লেখ করলেও তাঁদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।
সানা/আপ্র/২৯/৪/২০২৬

 

সংশ্লিষ্ট খবর

মহিলা পরিষদের জরিপ, ছয় থেকে নয় বছরের শিশুরাই ধর্ষণের বেশি শিকার
২৭ জুলাই ২০২৬

মহিলা পরিষদের জরিপ, ছয় থেকে নয় বছরের শিশুরাই ধর্ষণের বেশি শিকার

দেশে কন্যাশিশুদের ওপর যৌন সহিংসতার ভয়াবহ চিত্র উঠে এসেছে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের এক জরিপে। সংগঠনটির ত...

শিক্ষা-জ্ঞান-বিজ্ঞান চর্চার পরও নারীরা অসহায়-নিপীড়িত-নির্যাতিত
২২ জুলাই ২০২৬

শিক্ষা-জ্ঞান-বিজ্ঞান চর্চার পরও নারীরা অসহায়-নিপীড়িত-নির্যাতিত

নারী আজও শিকল ছিঁড়ে বের হতে পারেননি। শিক্ষা-জ্ঞান-বিজ্ঞান চর্চার পরও নারীরা অসহায়-নিপীড়িত-নির্যাতিত।...

শিশুর সুরক্ষা ছড়িয়েছে গৃহ-সমাজ থেকে ইন্টারনেট পর্যন্ত
২২ জুলাই ২০২৬

শিশুর সুরক্ষা ছড়িয়েছে গৃহ-সমাজ থেকে ইন্টারনেট পর্যন্ত

শিশুরাই আমাদের ভবিষ্যৎ। কিন্তু তাদের এই ছোট ও সুন্দর জগৎটিকে নিরাপদ রাখা দিন দিন একটি বড় চ্যালেঞ্জ হ...

একদিনের ছুটিতে ঘোরার জন্য ঢাকার পাশেই আছে কিছু স্থান
২২ জুলাই ২০২৬

একদিনের ছুটিতে ঘোরার জন্য ঢাকার পাশেই আছে কিছু স্থান

ব্যস্ত নগরজীবনের ক্লান্তি মেটাতে সপ্তাহান্তে বা একদিনের ছুটিতে ঢাকার আশপাশ থেকেই ঘুরে আসা যায় চমৎকার...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

শিল্পী বললেন ‘শ্রাবণের মেঘগুলো’ এখন প্রতিবাদের ভাষা

‘শ্রাবণের মেঘগুলো জড়ো হলো আকাশে গানটি সিলেটের এক শিক্ষিকাকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তৈরি হওয়া সমালোচনার বিরুদ্ধে দেশজুড়ে শিক্ষকদের সংহতির প্রতীক হয়ে উঠেছে। গানটির গায়ক মেজবাহ রহমান বলেন, “আমাদের এই গানটি যে অন্যায্য সমালোচনার বিরুদ্ধে একটি বড় সামাজিক আন্দোলনের ভাষা হয়ে উঠবে, তা কখনো ভাবিনি। গানটি মূলত প্রকৃতিকে ঘিরে তৈরি হয়েছিল। কিন্তু যেভাবে এটি ছড়িয়ে পড়েছে, তাতে এখন এটি অনেকের কাছে প্রতিবাদের ভাষা হয়ে দাঁড়িয়েছে।” প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন গানটি সত্যিই প্রতিবাদের চূড়ান্ত পর্যায়ে এসেছে?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 1 ঘন্টা আগে