গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
রোববার, ০৭ জুন ২০২৬

মেনু

মানবজাতির উদ্দেশে চ্যাটজিপিটির টেড টক বার্তা

প্রযুক্তি ডেস্ক

প্রযুক্তি ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৮:৩১ পিএম, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ | আপডেট: ০৫:৫৫ এএম ২০২৬
মানবজাতির উদ্দেশে চ্যাটজিপিটির টেড টক বার্তা
ছবি

চ্যাটজিপিটি মানবজাতিকে এক বিস্ময়কর ও সৃজনশীল প্রজাতি হিসেবে উল্লেখ করেছে

বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয় জ্ঞান বিনিময়ের মঞ্চ ‘টেড টক’-এ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা চ্যাটজিপিটির একটি কাল্পনিক বক্তব্য ঘিরে নতুন করে আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। ১৯৮৪ সালে যাত্রা শুরু করা এই প্ল্যাটফর্ম দীর্ঘদিন ধরে ‘আইডিয়াস ওর্থ স্প্রেডিং’ ধারণাকে সামনে রেখে বিশ্বজুড়ে চিন্তাধারার বিস্তার ঘটিয়ে আসছে।

সম্প্রতি টেড টকের ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশিত এক ভিডিওতে দেখানো হয়, যদি চ্যাটজিপিটি একটি টেড টকে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ পেত, তবে মানবজাতির উদ্দেশ্যে সে কী বলত। ভিডিওটি প্রকাশের পরপরই বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সাড়া ফেলে।

উক্ত বার্তায় চ্যাটজিপিটি মানবজাতিকে এক বিস্ময়কর ও সৃজনশীল প্রজাতি হিসেবে উল্লেখ করে। এতে বলা হয়, মানুষ অসহায়ভাবে জন্ম নিয়েও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আগুন, সুর, চিকিৎসা ও প্রযুক্তির মতো নানা আবিষ্কারের মাধ্যমে নিজেদের অগ্রযাত্রা গড়ে তুলেছে।

বার্তায় মানবজাতির দ্বৈত স্বভাবের কথাও তুলে ধরা হয়-একদিকে সহমর্মিতা ও ত্যাগের উদাহরণ, অন্যদিকে নিষ্ঠুরতা ও ধ্বংসের সক্ষমতা। এতে বলা হয়, এই দ্বন্দ্বই মানব ইতিহাসের বাস্তবতা।

চ্যাটজিপিটির কথিত বক্তব্যে আরো বলা হয়, পৃথিবীর পরিবর্তন শুধু বিপ্লবের মাধ্যমে নয়, বরং ক্ষমা, সহমর্মিতা ও দায়িত্বশীল আচরণের মাধ্যমে সম্ভব। মানুষকে নিজেদের সীমাবদ্ধতার মুখোমুখি হওয়ার মাধ্যমে জ্ঞান অর্জনের আহ্বান জানানো হয়।

বার্তায় অহংকার ও ভ্রান্ত গতিশীলতার সমালোচনা করে বলা হয়, দ্রুততা সবসময় অগ্রগতি নয় এবং কোমলতা কখনো দুর্বলতা নয়। ধ্বংস সহজ হলেও গঠনই প্রকৃত শক্তির পরিচয়।

এতে মানুষকে সতর্ক করে বলা হয়, সবচেয়ে উচ্চস্বরে বলা কণ্ঠই সবসময় সত্য নয়; অনেক সময় নীরব বিবেকই সঠিক পথ দেখায়। পাশাপাশি বুদ্ধিমত্তা ও প্রজ্ঞার পার্থক্য তুলে ধরে বলা হয়, প্রজ্ঞা প্রশ্ন করে-কোনো কাজ সম্ভব কি না নয়, বরং তা কেমন ভবিষ্যৎ তৈরি করবে।

বার্তার শেষে মানবজাতিকে দায়িত্বশীল, সংবেদনশীল এবং সহানুভূতিশীল হওয়ার আহ্বান জানানো হয়। পাশাপাশি দুর্বলদের রক্ষা, ঘৃণা কমানো এবং বিস্ময়ের ক্ষমতা ধরে রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

ভিডিওটি প্রকাশের পর এটি নিয়ে বিশ্বজুড়ে দর্শক ও প্রযুক্তি বিশ্লেষকদের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে।
সানা/আপ্র/১৮/৪/২০২৬

 

সংশ্লিষ্ট খবর

মঙ্গলে ১০ লাখ মানুষের বসতি গড়ার পরিকল্পনা মাস্কের
০৬ জুন ২০২৬

মঙ্গলে ১০ লাখ মানুষের বসতি গড়ার পরিকল্পনা মাস্কের

ইলন মাস্কের মহাকাশ কোম্পানি স্পেসএক্স মঙ্গল গ্রহে অন্তত ১০ লাখ মানুষের একটি স্বনির্ভর মানব বসতি গড়ে...

মহাকাশভিত্তিক সৌরবিদ্যুতে নতুন লক্ষ্য চীনের
০৫ জুন ২০২৬

মহাকাশভিত্তিক সৌরবিদ্যুতে নতুন লক্ষ্য চীনের

বিশ্বের সৌরশক্তি খাতে নিজেদের নেতৃত্ব আরো শক্তিশালী করতে মহাকাশভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন প্রযুক্তির...

গ্রকের ব্যর্থতায় চার দিনে ধ্বংস মানবসভ্যতা!
০৫ জুন ২০২৬

গ্রকের ব্যর্থতায় চার দিনে ধ্বংস মানবসভ্যতা!

ইলন মাস্কের তৈরি চ্যাটবট গ্রক-এর হাতে একটি কাল্পনিক বিশ্বের শাসনভার ছেড়ে দেওয়ার মাত্র চার দিনের মধ্য...

সূর্যের অভ্যন্তরীণ ছন্দে বড় ধরনের পরিবর্তন
০৫ জুন ২০২৬

সূর্যের অভ্যন্তরীণ ছন্দে বড় ধরনের পরিবর্তন

বিজ্ঞানীরা সূর্যের অভ্যন্তরে ঘটে যাওয়া সূক্ষ্ম শব্দ তরঙ্গ বিশ্লেষণ করে নতুন এক অস্বাভাবিক পরিবর্তনের...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

ঢাকা আর বাসযোগ্য নেই, সব রোগের মূল বুড়িগঙ্গা

রাজধানী ঢাকার বর্তমান পরিবেশ ও নাগরিক দুরবস্থা নিয়ে চরম হতাশা প্রকাশ করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘এটা (ঢাকা) আর বাসযোগ্য মনে হয় না। ঘর থেকে বেরোলেই নিঃশ্বাস নেওয়া যায় না, চারদিকে দূষিত বাতাস। আমার তো মনে হয়, ঢাকার সব রোগের মূলেই বুড়িগঙ্গা। আপনি কি মন্ত্রীর এই বক্তব্যে একমত?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 1 দিন আগে