চোট পাওয়া দুই ওপেনারের কাভার হিসেবে সকালে সিলেটে আসেন জাকির হাসান। সন্ধ্যায় বদলি হিসেবে পাকিস্তানের বাংলাদেশের টেস্ট স্কোয়াডে ঢুকে গেলেন বাঁহাতি এই ওপেনার। সাদমান ইসলাম চোটে ছিটকে পড়ায় ফেরার দুয়ার খুলে গেল তার জন্য।
মিরপুর টেস্টে ফিল্ডিংয়ের সময় বুকে চোট পাওয়ায় সিলেট টেস্ট থেকে ছিটকে গেলেন সাদমান।
সিলেটে বৃহস্পতিবার দলের অনুশীলনে এলেও ব্যাট করতে দেখা যায়নি তাকে। পরে বিসিবির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জাতীয় দলের ফিজিও বায়জেদিুল ইসলাম খান জানান, “মিরপুরে প্রথম টেস্টে ক্যাচ নেওয়া সময় সাদমানের বুকে আঘাত লাগে।
তার বুকের আঘাত বেশ গুরুতর এবং তিনি ব্যথায় ভুগছেন। দুর্ভাগ্যবশত, তিনি দ্বিতীয় টেস্টে খেলতে পারবেন না।”
সাদমানের পাশাপাশি চোট সমস্যা আছে আরেক ওপেনার মাহমুদুল হাসান জয়েও। মিরপুর টেস্টে ফিল্ডিংয়ের সময়ই আঙুলের হাড় নড়ে যায় তার। তবে সিলেটে বৃহস্পতিবার নেটে ব্যাটিং করেন এই ওপেনার। টেস্ট ম্যাচে খেলতেও তিনি আত্মবিশ্বাসী বলে জানা গেলে দল সূত্রে।
জয়-সাদমানের চোট নিয়ে অনিশ্চয়তার কারণেই সকালে জাকিরকে সিলেটে পাঠানো হয়। আগের দিনও ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে খেলেছেন তিনি। লিগের চার ম্যাচের মধ্যে একটিতে ১৩৭ ও আরেকটিতে ৭৪ রানের ইনিংস খেলেছেন ২৮ বছর বয়সী ব্যাটসম্যান।
জাকির বাংলাদেশের হয়ে খেলেছেন ১৩ টেস্ট। ২০২২ সালে অভিষেক টেস্টে ভারতের বিপক্ষে সেঞ্চুরি ও পরের দুই টেস্টে ফিফটি করলেও ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে না পারায় জায়গা হারান দলে।
সবশেষ তাকে দেখা গেছে ২০২৪ সালের ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে।
স্কোয়াডে ফিরলেও অবশ্য সাদমানের বদলে একাদশে তার ঢোকার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে।
আগে থেকেই স্কোয়াডে থাকা তানজিদ হাসানের অভিষেক হচ্ছে নিশ্চিতভাবেই। তবে জয় শেষ পর্যন্ত খেলতে না পারলে সুযোগ মিলতে পারে জাকিরের।
ডিসি/আপ্র/১৪/০৫/২০২৬