সেরা সময় অতীত হয়ে গেছে অনেক আগেই। পারফরম্যান্সে ভাটার টানও চলছিল। ক্লাব ক্যারিয়ারের ভবিষ্যৎ ছিল অনিশ্চিত। সব মিলিয়ে শেষের ডাক শুনতে পাচ্ছিলেন চিরো ইম্মোবিলে।
সেই ডাকে সাড়া দিয়েই ফেললেন ইতালির ইউরোজয়ী ফরোয়ার্ড। ক্যারিয়ারের ইতি টানলেন ৩৬ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড। গত ফেব্রুয়ারিতে ফরাসি লিগের দল প্যারিস এফসিতে যোগ দিয়েছিলেন ইম্মোবিলে।
চুক্তির মেয়াদ ছিল মৌসুমের বাকি সময়টুকু, সঙ্গে বাড়ানোর সুযোগ ছিল আরও এক মৌসুম। তবে ক্লাবটি শুক্রবার বিবৃতিতে জানায়, মেয়াদ আর বাড়ছে না। “চিরো ইম্মোবিলে একজন কিংবদন্তী।
৬৫০টি ম্যাচ, ৩২০টিরও বেশি গোল এবং অসংখ্য ট্রফি জয়ের পর বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারের ইতি টানছেন ইম্মোবিলে। একজন অসাধারণ ফুটবলার যিনি বেশ কয়েকটি প্রজন্মের উপর ছাপ রেখে গেছেন।
পেশাদার হিসেবে ১৭ বছর কাটানোর পর এখন তিনি প্রিয়জনদের বেশিরভাগ সময় দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। সবকিছুর জন্য ধন্যবাদ, চিরো। প্যারিসে তুমি সবসময় সাদরে স্বাগত।”
২০০৯ সালে ইউভেন্তুসের হয়ে শীর্ষ ফুটবলে পথচলা শুরু ইম্মোবিলের। এরপর জেনোয়া, তুরিনো, বরুশিয়া ডর্টমুন্ড ও সেভিয়ায় খেলেছেন, মাঝে ধারে খেলেছেন বেশ কয়েকটি ক্লাবে।
তার ক্যারিয়ার থিতু হয় লাৎসিওতে গিয়ে। ক্যারিয়ারের সেরা সময় কাটিয়েছেন সেখানেই। ৩৪০ ম্যাচে ২০৭ গোল করে লাৎসিওর ইতিহাসের রেকর্ড গোলস্কোরার তিনি।
রোমের ক্লাবটির হয়ে জিতেছেন কোপা ইতালিয়া ও দুটি ইতালিয়ান সুপার কাপ। সেরি আ-তে সর্বোচ্চ গোলস্কোরার হয়েছেন তিনি চারবার। ২০২০ সালে জিতেছেন ইউরোপিয়ান গোল্ডেন শু। আট বছর লাৎসিওতে খেলে বেসিকতাস ও বোলোনিয়া হয়ে পা রাখেন প্যারিসে। সেখানেই শেষ হলো তার ক্যারিয়ার।
ইতালির হয়ে প্রথমবার মাঠে নামেন তিনি ২০১৪ সালে। ওই বছরই বিশ্বকাপে তিনি ছিলেন স্কোয়াডে, খেলেছেন ২০১৬ ইউরোতে। ২০২০ ইউরোতে শিরোপাজয়ী ইতালি দলের গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিলেন এই ফরোয়ার্ড।
দেশের জার্সিতে শেষবার দেখা গেছে তাকে ২০২৩ সালে। ইতালির হয়ে ৫৭ ম্যাচ খেলে গোল করেছেন ১৭টি।
ডিসি/আপ্র/১৫/০৮/২০২৬