গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬

মেনু

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ধর্মীয় উগ্রবাদ ঠেকাতে মডেল মসজিদকে কাজে লাগানোর উদ্যোগ

নিজেস্ব প্রতিবেদক

নিজেস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০১:০৯ পিএম, ১৪ জুলাই ২০২৬ | আপডেট: ০৪:১২ এএম ২০২৬
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ধর্মীয় উগ্রবাদ ঠেকাতে মডেল মসজিদকে কাজে লাগানোর উদ্যোগ
ছবি

ছবি সংগৃহীত

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল-আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের আংশিক এলাকায় ধর্মীয় উগ্রবাদ, অপপ্রচার ও সামাজিক বিভাজন ঠেকাতে তরুণ সমাজকে সচেতন করতে মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রগুলোকে ব্যবহার করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ।

সোমবার (১৩ জুলাই) জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার লিখিত প্রশ্নের জবাবে ধর্মমন্ত্রী এ তথ্য জানান।

ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অধিবেশনে রুমিন ফারহানা জানতে চান, তাঁর নির্বাচনী এলাকার সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের কিছু অংশে ধর্মীয় উগ্রবাদ ও সামাজিক বিভাজন প্রতিরোধে তরুণদের জন্য সচেতনতামূলক ধর্মীয় শিক্ষা ও সম্প্রীতি কার্যক্রমে সরকার কী পদক্ষেপ নিয়েছে।

জবাবে ধর্মমন্ত্রী বলেন, ওই এলাকার সামাজিক শান্তি, সম্প্রীতি ও অসাম্প্রদায়িক চেতনা অক্ষুণ্ণ রাখতে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে। এ লক্ষ্যে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে বিভিন্ন সচেতনতামূলক কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, “তরুণ সমাজকে ধর্মীয় উগ্রবাদ, অপপ্রচার ও সামাজিক বিভাজন থেকে দূরে রেখে ইসলামের প্রকৃত শান্তির বাণী ও নৈতিক শিক্ষায় উদ্বুদ্ধ করতে স্থানীয় মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রগুলোকে মূল ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে।”

ধর্মমন্ত্রী জানান, যুবসমাজের মনস্তাত্ত্বিক উন্নয়ন এবং উগ্রবাদ প্রতিরোধে স্থানীয় আলেম, ওলামা, ইমাম ও খতিবদের মাধ্যমে জুমার খুতবা, নিয়মিত ধর্মীয় সেমিনার এবং সম্প্রীতি সভার আয়োজন করা হচ্ছে। এসব কার্যক্রমে উগ্রবাদ, গুজব ও বিভাজনমূলক কর্মকাণ্ডের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে তরুণদের সচেতন করা হচ্ছে।

তিনি আরো জানান, বিভিন্ন ধর্মের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা ও সম্প্রীতি বাড়াতে আন্তধর্মীয় সংলাপ ও সম্প্রীতি সমাবেশ আয়োজন করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে সংসদ সদস্যদের পরামর্শ ও সহযোগিতায় যুবসমাজের জন্য নৈতিক শিক্ষা ও সামাজিক সম্প্রীতিমূলক কার্যক্রম আরো বিস্তৃত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

ধর্মমন্ত্রী বলেন, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের মাধ্যমেও ধর্মীয় সচেতনতা কার্যক্রমে পুরোহিত ও সেবায়েতদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। পাশাপাশি খ্রিষ্টান ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট ছাত্র ও যুবকদের জন্য নীতি-নৈতিকতা বিষয়ক কর্মশালার আয়োজন করে থাকে।

তিনি জানান, ধর্মীয় সম্প্রীতি ও সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আওতায় ‘ধর্মীয় সম্প্রীতি ও সচেতনতা বৃদ্ধিকরণ’ শীর্ষক প্রকল্প গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সানা/আপ্র/১৪/৭/২০২৬

 

সংশ্লিষ্ট খবর

গণপরিবহনে বাজুক নজরুলের গান, প্রস্তাব শিল্পী-গবেষকদের
১৪ জুলাই ২০২৬

গণপরিবহনে বাজুক নজরুলের গান, প্রস্তাব শিল্পী-গবেষকদের

নজরুলের দর্শন ছড়িয়ে দিতে আন্তর্জাতিক উদ্যোগ ও ডিজিটাল প্রচারের আহ্বান

বরিশালে সেনা মহড়া পরিদর্শনে অ্যান্টি-ড্রোন সক্ষমতা পর্যবেক্ষণ করলেন প্রধানমন্ত্রী
১৩ জুলাই ২০২৬

বরিশালে সেনা মহড়া পরিদর্শনে অ্যান্টি-ড্রোন সক্ষমতা পর্যবেক্ষণ করলেন প্রধানমন্ত্র...

একদিনের সফরে বরিশাল গিয়ে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন প্রশিক্ষণ মহড়া পরিদর্শন, বৃক্ষরোপণ কর্মসূ...

অর্থপাচার মামলায় গ্রেফতার পলাশবাড়ীর আলোচিত হরিদাস, চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর
১৩ জুলাই ২০২৬

অর্থপাচার মামলায় গ্রেফতার পলাশবাড়ীর আলোচিত হরিদাস, চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর

গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে আলোচিত রাম বিগ্রহ নির্মাণ উদ্যোগের উদ্যোক্তা হরিদাস চন্দ্র তরণী দাসকে অর্থপাচা...

মডেল মসজিদের ব্যয় ১৩ থেকে ২১ কোটিতে বৃদ্ধি কেন, তদন্ত হবে
১৩ জুলাই ২০২৬

মডেল মসজিদের ব্যয় ১৩ থেকে ২১ কোটিতে বৃদ্ধি কেন, তদন্ত হবে

মডেল মসজিদ নির্মাণ প্রকল্পের ব্যয় ১৩ কোটি টাকা থেকে বেড়ে ২১ কোটিতে কীভাবে পৌঁছেছে, তা খতিয়ে দেখতে ত...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

ফ্যাসিস্টের অপরিকল্পিত উন্নয়নেই বন্যা পরিস্থিতির অবনতি: রিজভী

বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের অপরিকল্পিত উন্নয়ন ও প্রকৃতিবিরোধী অবকাঠামো নির্মাণের কারণেই দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির ভয়াবহ অবনতি এবং এত মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। প্রিয় পাঠক আপনি কি মনে করেন উপদেষ্টা রিজভী সঠিক বলেছেন?

মোট ভোট: ০ | শেষ আপডেট: 3 ঘন্টা আগে