গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬

মেনু

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ধর্মীয় উগ্রবাদ ঠেকাতে মডেল মসজিদকে কাজে লাগানোর উদ্যোগ

নিজেস্ব প্রতিবেদক

নিজেস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০১:০৯ পিএম, ১৪ জুলাই ২০২৬ | আপডেট: ২২:০৭ এএম ২০২৬
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ধর্মীয় উগ্রবাদ ঠেকাতে মডেল মসজিদকে কাজে লাগানোর উদ্যোগ
ছবি

ছবি সংগৃহীত

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল-আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের আংশিক এলাকায় ধর্মীয় উগ্রবাদ, অপপ্রচার ও সামাজিক বিভাজন ঠেকাতে তরুণ সমাজকে সচেতন করতে মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রগুলোকে ব্যবহার করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ।

সোমবার (১৩ জুলাই) জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার লিখিত প্রশ্নের জবাবে ধর্মমন্ত্রী এ তথ্য জানান।

ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অধিবেশনে রুমিন ফারহানা জানতে চান, তাঁর নির্বাচনী এলাকার সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের কিছু অংশে ধর্মীয় উগ্রবাদ ও সামাজিক বিভাজন প্রতিরোধে তরুণদের জন্য সচেতনতামূলক ধর্মীয় শিক্ষা ও সম্প্রীতি কার্যক্রমে সরকার কী পদক্ষেপ নিয়েছে।

জবাবে ধর্মমন্ত্রী বলেন, ওই এলাকার সামাজিক শান্তি, সম্প্রীতি ও অসাম্প্রদায়িক চেতনা অক্ষুণ্ণ রাখতে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে। এ লক্ষ্যে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে বিভিন্ন সচেতনতামূলক কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, “তরুণ সমাজকে ধর্মীয় উগ্রবাদ, অপপ্রচার ও সামাজিক বিভাজন থেকে দূরে রেখে ইসলামের প্রকৃত শান্তির বাণী ও নৈতিক শিক্ষায় উদ্বুদ্ধ করতে স্থানীয় মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রগুলোকে মূল ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে।”

ধর্মমন্ত্রী জানান, যুবসমাজের মনস্তাত্ত্বিক উন্নয়ন এবং উগ্রবাদ প্রতিরোধে স্থানীয় আলেম, ওলামা, ইমাম ও খতিবদের মাধ্যমে জুমার খুতবা, নিয়মিত ধর্মীয় সেমিনার এবং সম্প্রীতি সভার আয়োজন করা হচ্ছে। এসব কার্যক্রমে উগ্রবাদ, গুজব ও বিভাজনমূলক কর্মকাণ্ডের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে তরুণদের সচেতন করা হচ্ছে।

তিনি আরো জানান, বিভিন্ন ধর্মের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা ও সম্প্রীতি বাড়াতে আন্তধর্মীয় সংলাপ ও সম্প্রীতি সমাবেশ আয়োজন করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে সংসদ সদস্যদের পরামর্শ ও সহযোগিতায় যুবসমাজের জন্য নৈতিক শিক্ষা ও সামাজিক সম্প্রীতিমূলক কার্যক্রম আরো বিস্তৃত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

ধর্মমন্ত্রী বলেন, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের মাধ্যমেও ধর্মীয় সচেতনতা কার্যক্রমে পুরোহিত ও সেবায়েতদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। পাশাপাশি খ্রিষ্টান ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট ছাত্র ও যুবকদের জন্য নীতি-নৈতিকতা বিষয়ক কর্মশালার আয়োজন করে থাকে।

তিনি জানান, ধর্মীয় সম্প্রীতি ও সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আওতায় ‘ধর্মীয় সম্প্রীতি ও সচেতনতা বৃদ্ধিকরণ’ শীর্ষক প্রকল্প গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সানা/আপ্র/১৪/৭/২০২৬

 

সংশ্লিষ্ট খবর

ডেঙ্গু প্রতিরোধে সপ্তাহে দুই দিন পরিচ্ছন্নতার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
১৫ অক্টোবর ২০২৬

ডেঙ্গু প্রতিরোধে সপ্তাহে দুই দিন পরিচ্ছন্নতার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

ডেঙ্গু প্রতিরোধে সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে বহু পরিবারকে স্বজন হারানোর বেদনা থেকে রক্ষা করা সম্ভব ব...

ফুটপাতে মারধরের ঘটনায় দুজনই কারাগারে, পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার
১৫ অক্টোবর ২০২৬

ফুটপাতে মারধরের ঘটনায় দুজনই কারাগারে, পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার

ঢাকার ধানমন্ডিতে ফুটপাতে এক ব্যক্তিকে চড়-থাপ্পড় মারা ও কান ধরে ওঠবস করানোর ঘটনায় মারধরকারী খালিদ হাস...

সৌদি আরবে ১০০ ফ্লাইট বাতিল, ভোগান্তিতে ১৫ হাজার যাত্রী
১৫ অক্টোবর ২০২৬

সৌদি আরবে ১০০ ফ্লাইট বাতিল, ভোগান্তিতে ১৫ হাজার যাত্রী

হুতি বিদ্রোহীদের ধারাবাহিক হামলার প্রভাবে সৌদি আরবে ফ্লাইট চলাচল বিঘ্নিত হচ্ছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর)...

কক্সবাজার রুটে মহানগর এক্সপ্রেস, যাত্রা শুরু ২৬ অক্টোবর
১৫ অক্টোবর ২০২৬

কক্সবাজার রুটে মহানগর এক্সপ্রেস, যাত্রা শুরু ২৬ অক্টোবর

ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে চলাচলকারী মহানগর এক্সপ্রেস ট্রেন এবার কক্সবাজার পর্যন্ত যাবে। আগামী ২৬ অক্টোবর থ...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

পরিচয় যা-ই হোক, চাঁদাবাজ-দখলদারদের ছাড় নয়: ডিএমপি কমিশনার

চাঁদাবাজ, ভূমি দখলবাজ ও মাদক কারবারে জড়িত ব্যক্তিদের পরিচয় বা অবস্থান বিবেচনা না করে তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দীন আহমদ। এসব অপরাধে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণে কোনো ধরনের শিথিলতা দেখানো যাবে না বলেও নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকালে ডিএমপি সদর দপ্তরের সম্মেলনকক্ষে সেপ্টেম্বর মাসের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় উপস্থিত ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের উদ্দেশে এসব নির্দেশনা দেন কমিশনার। প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন- কমিশনার যে নির্দেশনা দিয়েছেন, পুলিশ সদস্যরা তা বাস্তবে তা করতে পারবেন?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 1 দিন আগে