গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মেনু

বাজেট বিতর্কে সংসদে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়

নিজেস্ব প্রতিবেদক

নিজেস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২১:৩৩ পিএম, ২১ জুন ২০২৬ | আপডেট: ১৬:১৯ এএম ২০২৬
বাজেট বিতর্কে সংসদে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়
ছবি

ছবি সংগৃহীত

জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে বিরোধী ও সরকারি দলের সদস্যদের মধ্যে তীব্র বাক্যবিনিময় ও হট্টগোলের ঘটনা ঘটেছে। বাজেট, সীমান্ত হত্যা, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং প্রধানমন্ত্রীকে ঘিরে করা মন্তব্যকে কেন্দ্র করে এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

রোববার (২১ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনের ১১তম কার্যদিবসে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অধিবেশনে নোয়াখালী-৬ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল হান্নান মাসউদ বাজেটের সমালোচনা করে বলেন, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট সরকারের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন হলেও দেশের বাস্তব অর্থনৈতিক পরিস্থিতির সঙ্গে এর সামঞ্জস্য নেই। তিনি রাজস্ব আদায়, রপ্তানি প্রবৃদ্ধি, বাজেট ঘাটতি, ব্যাংক খাতের সংকট এবং করমুক্ত আয়সীমা বৃদ্ধির বিষয় নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।

খাদ্য নিরাপত্তা খাতে বরাদ্দ কমানোর সমালোচনা করে তিনি বলেন, মধ্যস্বত্বভোগীদের কারণে পণ্যের দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাচ্ছে, কিন্তু তা নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না।

বক্তব্যের একপর্যায়ে তিনি বিগত ও বর্তমান সময়ে ব্যক্তি ও পরিবারের নামে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নামকরণের প্রবণতার সমালোচনা করেন। একই সঙ্গে সীমান্ত হত্যা, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি, মব কালচার, ধর্ষণ, শিশু হত্যা ও ডাকাতির ঘটনা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতার বক্তব্যের সমালোচনা করে তিনি অভিযোগ করেন, বিভিন্ন রাজনৈতিক বক্তব্যে অসত্য তথ্য উপস্থাপন করা হচ্ছে, যা হতাশাজনক।

তার বক্তব্যের পর সরকারদলীয় সংসদ সদস্য জয়নাল আবেদিন ফারুক পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে বলেন, সংসদ নেতাকে নিয়ে করা মন্তব্য অসত্য ও আপত্তিকর। তিনি ওই বক্তব্য সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ দেওয়ার দাবি জানান।

এর জবাবে বিরোধী দলের চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেন, কোনো বক্তব্যকে অসত্য দাবি করতে হলে সুনির্দিষ্টভাবে তা চিহ্নিত করতে হবে। তিনি বলেন, সংসদ নেতার সমালোচনা করার অধিকার বিরোধী দলের রয়েছে এবং গণতান্ত্রিক চর্চায় মতভিন্নতা স্বাভাবিক।

পরে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরও জয়নাল আবেদিন ফারুকের বক্তব্যের প্রতি সমর্থন জানিয়ে বিতর্কিত অংশ কার্যবিবরণী থেকে বাদ দেওয়ার আহ্বান জানান।

এ সময় অধিবেশন কক্ষে হট্টগোল শুরু হলে স্পিকার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে সদস্যদের সংসদীয় শৃঙ্খলা মেনে চলার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, জাতীয় সংসদে নিয়ম ও রীতিনীতি অনুসরণ করেই আলোচনা পরিচালনা করতে হবে।

পরে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, সংসদের ভেতরের বিতর্ক সংসদীয় পরিসরের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকা উচিত। কোনটি সত্য আর কোনটি অসত্য—এ ধরনের বিতর্কে জড়িয়ে পড়া সংসদের মর্যাদার জন্য বিব্রতকর হতে পারে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

সব পক্ষের বক্তব্য শোনার পর স্পিকার জানান, সংসদীয় রীতিনীতি অনুযায়ী বিষয়টি পর্যালোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
সানা/আপ্র/২১/৬/২০২৬
 

সংশ্লিষ্ট খবর

আবাসস্থল পরিবর্তনে আবারও ভোটার স্থানান্তর কার্যক্রম শুরু
২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আবাসস্থল পরিবর্তনে আবারও ভোটার স্থানান্তর কার্যক্রম শুরু

আবাসস্থল পরিবর্তনের কারণে ভোটার স্থানান্তরের কার্যক্রম আবারও চালু করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ বিষয়...

শেষ সময়ে ফ্যামিলি কার্ড পাবেন মন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রী: সমবায় প্রতিমন্ত্রী
২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

শেষ সময়ে ফ্যামিলি কার্ড পাবেন মন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রী: সমবায় প্রতিমন্ত্রী

দেশের চার কোটি পরিবারকে পর্যায়ক্রমে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন স্থানীয় সরক...

৫১তম বিশেষ বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ, নিয়োগ পাবেন ৫ হাজার চিকিৎসক
২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

৫১তম বিশেষ বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ, নিয়োগ পাবেন ৫ হাজার চিকিৎসক

সরকারি কর্মকমিশন (পিএসসি) ৫১তম বিশেষ বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। এতে স্বাস্থ্য ক্যাডারভুক্ত ৫ হ...

রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে পাঁচ দফা প্রস্তাবকে স্বাগত জানিয়ে মানববন্ধন
২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে পাঁচ দফা প্রস্তাবকে স্বাগত জানিয়ে মানববন্ধন

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে রোহিঙ্গা সংকট ও প্রত্যাবাসন ইস্যু গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরার দাব...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

বাস ভাড়া বাড়লো কিলোমিটারে ১৭ পয়সা, প্রজ্ঞাপনের আগেই বাড়তি আদায়

জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর পর সরকারি প্রজ্ঞাপন জারির আগেই রাজধানীসহ বিভিন্ন রুটে বাসভাড়া বাড়িয়ে দিয়েছেন পরিবহনকর্মীদের কেউ কেউ। কোথাও ১০ টাকার ভাড়া নেওয়া হচ্ছে ১৫ টাকা, কোথাও প্রতি স্টপেজে পাঁচ টাকা করে বেশি নেওয়া হচ্ছে। দূরপাল্লার বাসেও গন্তব্যভেদে ৫০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত বাড়তি ভাড়া নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অথচ সরকার ও সড়ক পরিবহন মালিকপক্ষ প্রতি কিলোমিটারে ১৭ পয়সা ভাড়া বাড়ানোর বিষয়ে একমত হয়েছে। প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন বাস ভাড়ার এই নৈরাজ্য সরকার নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে?

মোট ভোট: ০ | শেষ আপডেট: 2 দিন আগে