সদ্য বিগত মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তবর্তীকালীন সরকারের ১৭ মাসের শাসনামলের শ্বেতপত্র প্রকাশের দাবি জানিয়েছে বাম ও প্রগতিশীল রাজনৈতিক দলগুলোর জোট গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট।
শুক্রবার (৬ মার্চ) বিকালে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে ফ্রন্টের পক্ষ থেকে বলা হয়, অন্তর্বর্তী সরকারের বিভিন্ন উপদেষ্টাদের সম্পর্কে দুর্নীতির অভিযোগ গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।
‘গণতান্ত্রিক উত্তোরণের জন্য বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের শাসনামলের শ্বেতপত্র প্রকাশ করা ও উপদেষ্টাদের দুর্নীতির অভিযোগ যথাযথ তদন্তের মাধ্যমে স্পষ্ট করার’ আহ্বান জানিয়েছেন ফ্রন্টের নেতারা।
কেউ ‘দোষী‘ তাকে হলে বিচারের আওতায় আনারও দাবি জানানো হয়েছে বিবৃতিতে।
বাসদের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ সাধারণ সম্পাদক রাজেকুজ্জামান রতন স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে বলা হয়, “শেখ হাসিনার বিচারের ১টির মামলার রায় ছাড়া অভ্যুত্থানে হত্যাকাণ্ডের বিচারের তেমন উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি দৃশ্যমান হয়নি। তাছাড়া ব্যাপক মামলা বাণিজ্যের কারণে অনেক নিরীহ মানুষও হয়রানীর শিকার হয়েছে।
‘সব দলের সম্মতিতে ঐকমত্যের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত গ্রহণ না করে নিজেদের মত জোর করে চাপিয়ে দিতে চাওয়ায় যে সকল প্রয়োজনীয় সংস্কার হতে পারতো তাও ভেস্তে যেতে বসেছে।’
বিবৃতিতে বাসদের সাধারণ সম্পাদক বজলুর রশীদ ফিরোজ, সিপিবির সভাপতি কাজী সাজ্জাদ জহির চন্দন, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ ক্কাফী রতন, বাংলাদেশ জাসদ-এর সভাপতি শরীফ নুরুল আম্বিয়া, সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হক প্রধান, বিপ্লবী কমিউনিস্ট লীগের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল কবির জাহিদ, গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টির সাধারণ সম্পদাক মোশরেফা মিশু, বাসদ (মার্কসবাদী) সমন্বয়ক মাসুদ রানা, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক পার্টির নির্বাহী সভাপতি আব্দুল আলী, জাতীয় গণ ফ্রন্টের ভারপ্রাপ্ত সমন্বয়ক রজত হুদা, সোনার বাংলা পার্টির সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ হারুন অর রশীদের নাম রয়েছে।
সানা/আপ্র/৬/৩/২০২৬