গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
রোববার, ১৭ মে ২০২৬

মেনু

আপনার ভোট দেওয়া হয়ে গেলে কী করবেন

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রকাশিত: ০১:১৫ পিএম, ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | আপডেট: ২২:০৪ এএম ২০২৬
আপনার ভোট দেওয়া হয়ে গেলে কী করবেন
ছবি

ছবি সংগৃহীত

নির্বাচন কেন্দ্রে গিয়ে হঠাৎ শুনলেন - আপনার ভোটটি আগেই কেউ দিয়ে ফেলেছে! মুহূর্তেই মাথায় ঘুরপাক খেতে পারে হতাশা, রাগ আর অসহায়ত্ব। তবে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। আইন অনুযায়ী, আপনি আপনার ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত নন।
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২-এর ধারা ৩১ অনুসারে প্রকৃত ভোটার তার ভোট দেওয়ার সুযোগ পাবেন, এমনকি কেউ ছদ্মবেশে আগেই ভোট দিয়ে থাকলেও। তাই চলুন জেনে নেওয়া যাক, এমন পরিস্থিতিতে কী করবেন।
 

১. প্রিসাইডিং অফিসারকে অবহিত করুন: ভোটকেন্দ্রে গিয়ে যদি দেখেন আপনার নামের পাশে স্বাক্ষর বা টিপসই দেওয়া আছে, সঙ্গে সঙ্গে দায়িত্বরত পোলিং অফিসার বা প্রিসাইডিং অফিসারকে বিষয়টি জানান। আপনার জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) দেখিয়ে পরিচয় নিশ্চিত করুন। শান্ত থাকুন এবং নিয়ম অনুযায়ী দাবি জানান।
 

২. ‘টেন্ডারড ভোট’ বা প্রদত্ত ভোটের আবেদন করুন: আইন অনুযায়ী, আপনি যদি প্রমাণ করতে পারেন যে আপনি প্রকৃত ভোটার এবং আপনার ভোট অন্য কেউ ছদ্মবেশে দিয়েছে, তবে প্রিসাইডিং অফিসার আপনাকে ‘টেন্ডারড ব্যালট পেপার’ দিতে বাধ্য। একে বাংলায় ‘প্রদত্ত ভোট’ বলা হয়। এটি আপনার সাংবিধানিক অধিকার রক্ষার একটি আইনি ব্যবস্থা।
 

কীভাবে টেন্ডারড ভোট দেবেন? প্রিসাইডিং অফিসার আপনাকে একটি আলাদা ব্যালট পেপার দেবেন, যার পেছনে ‘টেন্ডারড ব্যালট পেপার’ বা ‘প্রদত্ত ব্যালট পেপার’ লেখা থাকবে। আপনি পছন্দের প্রার্থীর প্রতীকে সিল দেবেন এবং ব্যালটটি নিয়ম অনুযায়ী ভাঁজ করবেন। মনে রাখবেন, এই ব্যালট সাধারণ ব্যালট বাক্সে ফেলা হয় না। এটি প্রিসাইডিং অফিসারের কাছে জমা দিতে হয়। পরে এটি বিশেষ খামে সংরক্ষণ করা হয়।
ভোট গণনায় এর গুরুত্ব কতটা? প্রাথমিক গণনায় সাধারণত টেন্ডারড ভোট গণনা করা হয় না। তবে কোনো আসনে জয়ের ব্যবধান খুব কম হলে বা ফলাফল আদালতে চ্যালেঞ্জ করা হলে আদালতের নির্দেশে এসব ভোট গণনা হতে পারে। ফলে আপনার একটি ভোটও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।
ছদ্মবেশে ভোট দেওয়া দণ্ডনীয় অপরাধ: অন্যের পরিচয়ে ভোট দেওয়া আইনত অপরাধ। প্রিসাইডিং অফিসার সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে শনাক্ত করতে পারলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে সোপর্দ করতে পারেন। নির্বাচন আইন ও দণ্ডবিধি অনুযায়ী এ অপরাধের শাস্তির বিধান রয়েছে। ভোটকেন্দ্রে কোনো বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না করে শান্তভাবে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলুন। নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত বিধি অনুযায়ী আপনার অধিকার প্রয়োগ করুন। সচেতন থাকুন, আইন জানুন এবং নিজের ভোটাধিকার নিশ্চিত করুন।
সূত্র: গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ (ধারা ৩১ ও সংশ্লিষ্ট বিধান); বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের ভোটগ্রহণ নির্দেশিকা; দণ্ডবিধি, ১৮৬০ (প্রতারণা ও ছদ্মবেশ সংক্রান্ত ধারা)

সানা/আপ্র/১২/২/২০২৬

 

 

সংশ্লিষ্ট খবর

নির্বাচনি অঙ্গীকার বাস্তবায়নে বাধা দিলে জনগণই রুখে দেবে
১৬ মে ২০২৬

নির্বাচনি অঙ্গীকার বাস্তবায়নে বাধা দিলে জনগণই রুখে দেবে

চাঁদপুরের সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী

পদ্মায় মিলল কাপাসিয়ায় পাঁচ খুনের অভিযুক্তের লাশ
১৬ মে ২০২৬

পদ্মায় মিলল কাপাসিয়ায় পাঁচ খুনের অভিযুক্তের লাশ

গাজীপুরের কাপাসিয়ায় স্ত্রী, তিন সন্তান ও শ্যালককে হত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত ফোরকান মোল্লার মরদেহ মুন্সীগ...

জাহাঙ্গীরনগরে ধর্ষণচেষ্টা সন্দেহভাজনের খোঁজে পুরস্কার ঘোষণা
১৬ মে ২০২৬

জাহাঙ্গীরনগরে ধর্ষণচেষ্টা সন্দেহভাজনের খোঁজে পুরস্কার ঘোষণা

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে এক ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার ঘটনায় সিসিটিভি ফুটেজে দেখা সন্দেহভাজন ব্যক্তির...

জানাজায় রাজনীতি নয়, সহমর্মিতাই মুখ্য: মেয়র শাহাদাত
১৬ মে ২০২৬

জানাজায় রাজনীতি নয়, সহমর্মিতাই মুখ্য: মেয়র শাহাদাত

একজন মানুষের মৃত্যুর পর তাঁর কোনো রাজনৈতিক পরিচয় থাকে না বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনে...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

কোনো সক্রিয় জরিপ নেই