গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬

মেনু

আপনার ভোট দেওয়া হয়ে গেলে কী করবেন

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রকাশিত: ০১:১৫ পিএম, ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | আপডেট: ২৩:০৬ এএম ২০২৬
আপনার ভোট দেওয়া হয়ে গেলে কী করবেন
ছবি

ছবি সংগৃহীত

নির্বাচন কেন্দ্রে গিয়ে হঠাৎ শুনলেন - আপনার ভোটটি আগেই কেউ দিয়ে ফেলেছে! মুহূর্তেই মাথায় ঘুরপাক খেতে পারে হতাশা, রাগ আর অসহায়ত্ব। তবে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। আইন অনুযায়ী, আপনি আপনার ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত নন।
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২-এর ধারা ৩১ অনুসারে প্রকৃত ভোটার তার ভোট দেওয়ার সুযোগ পাবেন, এমনকি কেউ ছদ্মবেশে আগেই ভোট দিয়ে থাকলেও। তাই চলুন জেনে নেওয়া যাক, এমন পরিস্থিতিতে কী করবেন।
 

১. প্রিসাইডিং অফিসারকে অবহিত করুন: ভোটকেন্দ্রে গিয়ে যদি দেখেন আপনার নামের পাশে স্বাক্ষর বা টিপসই দেওয়া আছে, সঙ্গে সঙ্গে দায়িত্বরত পোলিং অফিসার বা প্রিসাইডিং অফিসারকে বিষয়টি জানান। আপনার জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) দেখিয়ে পরিচয় নিশ্চিত করুন। শান্ত থাকুন এবং নিয়ম অনুযায়ী দাবি জানান।
 

২. ‘টেন্ডারড ভোট’ বা প্রদত্ত ভোটের আবেদন করুন: আইন অনুযায়ী, আপনি যদি প্রমাণ করতে পারেন যে আপনি প্রকৃত ভোটার এবং আপনার ভোট অন্য কেউ ছদ্মবেশে দিয়েছে, তবে প্রিসাইডিং অফিসার আপনাকে ‘টেন্ডারড ব্যালট পেপার’ দিতে বাধ্য। একে বাংলায় ‘প্রদত্ত ভোট’ বলা হয়। এটি আপনার সাংবিধানিক অধিকার রক্ষার একটি আইনি ব্যবস্থা।
 

কীভাবে টেন্ডারড ভোট দেবেন? প্রিসাইডিং অফিসার আপনাকে একটি আলাদা ব্যালট পেপার দেবেন, যার পেছনে ‘টেন্ডারড ব্যালট পেপার’ বা ‘প্রদত্ত ব্যালট পেপার’ লেখা থাকবে। আপনি পছন্দের প্রার্থীর প্রতীকে সিল দেবেন এবং ব্যালটটি নিয়ম অনুযায়ী ভাঁজ করবেন। মনে রাখবেন, এই ব্যালট সাধারণ ব্যালট বাক্সে ফেলা হয় না। এটি প্রিসাইডিং অফিসারের কাছে জমা দিতে হয়। পরে এটি বিশেষ খামে সংরক্ষণ করা হয়।
ভোট গণনায় এর গুরুত্ব কতটা? প্রাথমিক গণনায় সাধারণত টেন্ডারড ভোট গণনা করা হয় না। তবে কোনো আসনে জয়ের ব্যবধান খুব কম হলে বা ফলাফল আদালতে চ্যালেঞ্জ করা হলে আদালতের নির্দেশে এসব ভোট গণনা হতে পারে। ফলে আপনার একটি ভোটও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।
ছদ্মবেশে ভোট দেওয়া দণ্ডনীয় অপরাধ: অন্যের পরিচয়ে ভোট দেওয়া আইনত অপরাধ। প্রিসাইডিং অফিসার সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে শনাক্ত করতে পারলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে সোপর্দ করতে পারেন। নির্বাচন আইন ও দণ্ডবিধি অনুযায়ী এ অপরাধের শাস্তির বিধান রয়েছে। ভোটকেন্দ্রে কোনো বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না করে শান্তভাবে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলুন। নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত বিধি অনুযায়ী আপনার অধিকার প্রয়োগ করুন। সচেতন থাকুন, আইন জানুন এবং নিজের ভোটাধিকার নিশ্চিত করুন।
সূত্র: গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ (ধারা ৩১ ও সংশ্লিষ্ট বিধান); বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের ভোটগ্রহণ নির্দেশিকা; দণ্ডবিধি, ১৮৬০ (প্রতারণা ও ছদ্মবেশ সংক্রান্ত ধারা)

সানা/আপ্র/১২/২/২০২৬

 

 

সংশ্লিষ্ট খবর

প্রধানমন্ত্রীর কাজে সন্তুষ্ট ৬৬ শতাংশ, সরকারের প্রতি ৫৪ শতাংশ
২০ আগস্ট ২০২৬

প্রধানমন্ত্রীর কাজে সন্তুষ্ট ৬৬ শতাংশ, সরকারের প্রতি ৫৪ শতাংশ

সরকারের ছয় মাস পূর্তি উপলক্ষে পরিচালিত এক জনমত জরিপে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দায়িত্ব পালনে ৬৬ দশ...

স্বাস্থ্যকেন্দ্রে পানি-স্যানিটেশনে দক্ষিণ এশিয়ায় পিছিয়ে বাংলাদেশ
২০ আগস্ট ২০২৬

স্বাস্থ্যকেন্দ্রে পানি-স্যানিটেশনে দক্ষিণ এশিয়ায় পিছিয়ে বাংলাদেশ

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও জাতিসংঘ শিশু তহবিলের যৌথ মনিটরিং কর্মসূচির সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বাংলাদেশের...

৩৫ বছর পর রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আজ, সিইসির দাবি ঐতিহাসিক, বিশ্ব তাকিয়ে
২০ আগস্ট ২০২৬

৩৫ বছর পর রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আজ, সিইসির দাবি ঐতিহাসিক, বিশ্ব তাকিয়ে

আজ বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) দেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী রাজনৈতিক পর...

রাষ্ট্রপতি ভোটের আগে বিদায়ী বক্তব্য কাঁদলেন মির্জা ফখরুল
১৯ আগস্ট ২০২৬

রাষ্ট্রপতি ভোটের আগে বিদায়ী বক্তব্য কাঁদলেন মির্জা ফখরুল

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের এক দিন আগে বিএনপির সংসদীয় দলের সভায় আবেগঘন বিদায়ী বক্তব্য দিয়েছেন দলটির সদ্য স...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

প্রধানমন্ত্রীর কাজে সন্তুষ্ট ৬৬ শতাংশ, সরকারের প্রতি ৫৪ শতাংশ

সরকারের ছয় মাস পূর্তি উপলক্ষে পরিচালিত এক জনমত জরিপে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দায়িত্ব পালনে ৬৬ দশমিক ৩০ শতাংশ উত্তরদাতা সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন। তাঁদের মতে, প্রধানমন্ত্রী ভালোভাবে দায়িত্ব পালন করছেন। অন্যদিকে সরকারের সামগ্রিক কর্মকাণ্ডে সন্তুষ্টির কথা জানিয়েছেন ৫৪ দশমিক ৫০ শতাংশ মানুষ। সরকারের কর্মকাণ্ডকে খারাপ বলেছেন ৩২ দশমিক ৯০ শতাংশ। ডপলার অপিনিয়ন রিসার্চের ‘অ্যাপ্রুভাল রেটিং সার্ভে ২০২৬’-এ এসব তথ্য উঠে এসেছে। প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন এই জরিপে সরকারের সঠিক মূল্যায়ন হয়েছে?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 2 ঘন্টা আগে