গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

মেনু

রামিসা হত্যা

পুলিশ হেফাজতে থাকা আসামির কথা বলা ও প্রচার না করার নির্দেশ

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রকাশিত: ১২:৫৮ পিএম, ০২ জুন ২০২৬ | আপডেট: ১৬:২৫ এএম ২০২৬
পুলিশ হেফাজতে থাকা আসামির কথা বলা ও প্রচার না করার নির্দেশ
ছবি

ছবি সংগৃহীত

রাজধানীর পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় পুলিশ হেফাজতে থাকা আসামিদের বক্তব্য প্রচারের বিষয়ে সতর্কতামূলক নির্দেশনা দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার (২ জুন) ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালত রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের পর এ নির্দেশনা দেন।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট আজিজুর রহমান দুলু বলেন, আইন অনুযায়ী কোনো আসামি বিচারকের সামনে ছাড়া পুলিশ হেফাজতে থাকাকালে বক্তব্য দেওয়ার অধিকার রাখেন না। এ বিষয়ে উচ্চ আদালতের সুস্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে। তিনি আদালতের কাছে আবেদন করেন, বিচারপ্রক্রিয়া প্রভাবিত হতে পারে এমন কোনো পরিস্থিতি এড়াতে পুলিশ হেফাজতে থাকা আসামিদের বক্তব্য প্রদান ও তা গণমাধ্যমে প্রচার বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হোক।

আবেদন শুনে আদালত তা মঞ্জুর করেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেন।

এরপর সকাল ১০টা ৩৫ মিনিটে মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ কার্যক্রম শুরু হয়। প্রথমে জবানবন্দি দেন মামলার বাদী ও নিহত শিশুর বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা। পরে সাক্ষ্য দেন ভুক্তভোগীর মা পারভীন আক্তার। তাদের সাক্ষ্য শেষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আসামিপক্ষের আইনজীবী মূসা কলিমউল্লাহ জেরা করেন।

পরবর্তীতে শিশু সাক্ষী হওয়ায় রামিসার বড় বোন রাইসা আক্তারের সাক্ষ্য আদালত ক্যামেরা ট্রায়ালের মাধ্যমে গ্রহণ করে। বেলা সাড়ে ১২টা পর্যন্ত ১০ জন সাক্ষী দিয়েছেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, এ মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের মোট ১৭ জন সাক্ষী রয়েছেন। সাক্ষীদের মধ্যে রয়েছেন ভুক্তভোগীর পরিবারের সদস্য, স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী, আলামত জব্দকারী কর্মকর্তা, তদন্ত সংশ্লিষ্ট পুলিশ সদস্য, চিকিৎসক, ম্যাজিস্ট্রেট এবং ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরা। সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য অধিকাংশ সাক্ষী আদালতে উপস্থিত আছেন।

এর আগে সকালে প্রধান আসামি সোহেল রানাকে কেরানিগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে এবং অপর আসামি স্বপ্না আক্তারকে কাশিমপুর কারাগার থেকে আদালতে আনা হয়। শুনানি শুরুর আগে তাদের আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়। পরে সাক্ষ্যগ্রহণের সময় এজলাসে হাজির করা হয়।

সোমবার (১ জুন) একই আদালত দুই আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। একইসঙ্গে মামলার সাক্ষীদের আদালতে হাজির হওয়ার জন্য সমন জারি করা হয়।

মামলার নথি অনুযায়ী, গত ১৯ মে পল্লবীর মিরপুর-১১ এলাকায় রামিসা আক্তারের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় তার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করলে গত ২৪ মে তা আমলে নেওয়া হয়। পরে মামলাটি বিচারের জন্য ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়। বর্তমানে সাক্ষ্যগ্রহণ চলমান।

এসি/আপ্র/০২/০৬/২০২৬

 

 

সংশ্লিষ্ট খবর

টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক: তদন্ত কমিটি গঠনের নির্দেশ হাইকোর্টের, বাজার তদারকিতে নতুন চাপ
২৮ জুলাই ২০২৬

টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক: তদন্ত কমিটি গঠনের নির্দেশ হাইকোর্টের, বাজার তদারকিতে...

দেশের বাজারে বিক্রি হওয়া বিভিন্ন ব্র্যান্ডের টুথপেস্টে ক্ষতিকর মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি নিয়ে উদ্ব...

সম্পদের হিসাব গোপন: সাবেক ডেপুটি গভর্নর এস কে সুরের ৩ বছরের কারাদণ্ড
২৮ জুলাই ২০২৬

সম্পদের হিসাব গোপন: সাবেক ডেপুটি গভর্নর এস কে সুরের ৩ বছরের কারাদণ্ড

সম্পদের হিসাব বিবরণী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জমা না দেওয়ার দায়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর...

বিয়ের প্রলোভনে আটকে রেখে ধর্ষণ, তরুণী হত্যার অভিযোগে মামলা
২৮ জুলাই ২০২৬

বিয়ের প্রলোভনে আটকে রেখে ধর্ষণ, তরুণী হত্যার অভিযোগে মামলা

রাজধানীর আদাবরে এক তরুণীকে বিয়ের প্রলোভনে চার দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগে ফটোগ্রাফার নাম...

হাইকোর্টে একদিনে ৭ হাজার ৮৫৩ মামলা নিষ্পত্তির রেকর্ড
২৮ জুলাই ২০২৬

হাইকোর্টে একদিনে ৭ হাজার ৮৫৩ মামলা নিষ্পত্তির রেকর্ড

এক দিনেই ৭ হাজার ৮৫৩টি পুরোনো ‘ক্রিমিনাল মিস’ মামলা নিষ্পত্তি করে নতুন রেকর্ড গড়েছে হাইকোর্টের ১০টি...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

কোনো সক্রিয় জরিপ নেই