গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬

মেনু

ভারতের নতুন সেনাপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব নিলেন ধীরাজ শেঠ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ২০:০৮ পিএম, ০১ জুলাই ২০২৬ | আপডেট: ২১:৫৮ এএম ২০২৬
ভারতের নতুন সেনাপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব নিলেন ধীরাজ শেঠ
ছবি

জেনারেল ধীরাজ শেঠ

ভারতের নতুন সেনাপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন জেনারেল ধীরাজ শেঠ। মঙ্গলবার (৩০ জুন) তিনি দেশটির ৩১তম সেনাপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব নেন। এ পদে তিনি জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদীর স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন।

মহারাষ্ট্রের খড়কওয়াসলার ন্যাশনাল ডিফেন্স অ্যাকাডেমির সাবেক শিক্ষার্থী ধীরাজ শেঠ ১৯৮৬ সালে ভারতীয় সেনাবাহিনীতে যোগ দেন। প্রায় চার দশকের সামরিক জীবনে তিনি অপারেশনাল, কৌশলগত, সক্ষমতা উন্নয়ন এবং প্রাতিষ্ঠানিক বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। ভারতীয় সেনাবাহিনীর যুদ্ধ প্রস্তুতি বৃদ্ধি ও দীর্ঘমেয়াদি আধুনিকায়নেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।

বৈচিত্র্যময় সামরিক পরিবেশে নেতৃত্ব দেওয়ার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে জেনারেল শেঠের। কর্মজীবনে তিনি উত্তর ভারতের মরু অঞ্চলে একটি সাঁজোয়া রেজিমেন্ট, পশ্চিমাঞ্চলীয় কমান্ডের অধীন একটি সাঁজোয়া ব্রিগেড এবং জম্মু-কাশ্মিরে সন্ত্রাসবিরোধী বাহিনীর শীর্ষ কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। স্পষ্টভাষী ও দৃঢ় নেতৃত্বের জন্য সামরিক বাহিনীতে তিনি ‘স্পষ্টভাষী ট্যাংকম্যান’ নামে পরিচিত।

সদ্য বিদায়ী সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদীর সময়ে উপ-সেনাপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি সেনাবাহিনীর প্রধান স্ট্রাইক কমান্ড ‘সুদর্শন চক্র কোর’-এর নেতৃত্ব দেন।

ভারতীয় সেনাবাহিনীর প্রায় ১৩ লাখ সদস্যের নেতৃত্ব এমন এক সময়ে তার হাতে এলো, যখন বৈশ্বিক ভূ-কৌশলগত পরিবেশ দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে এবং প্রযুক্তির অগ্রগতির কারণে যুদ্ধের ধরন ও নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জে নতুন মাত্রা যুক্ত হয়েছে।

একই সঙ্গে বুধবার থেকে ভারতীয় বিমানবাহিনী ও সেনাবাহিনীর শীর্ষ পর্যায়েও একাধিক পরিবর্তন কার্যকর হয়েছে। নতুন সহ-বিমানবাহিনী প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন এয়ার মার্শাল আশুতোষ দীক্ষিত। তিনি এয়ার মার্শাল নাগেশ কাপুরের স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন।

অন্যদিকে, নতুন সহ-সেনাপ্রধান হয়েছেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল সন্দীপ জৈন। তিনি সেনাবাহিনীর বিভিন্ন সামরিক অভিযান, পরিকল্পনা ও সক্ষমতা বৃদ্ধিসহ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর তদারকি করবেন।

সেনাবাহিনীর কমান্ড পর্যায়েও রদবদল আনা হয়েছে। দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় কমান্ডের কমান্ড-ইন-চিফ হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল মোহিত মালহোত্রা। দক্ষিণ কমান্ডের দায়িত্ব পেয়েছেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল রাজেশ পুষ্কর। এছাড়া লেহভিত্তিক ‘ফায়ার অ্যান্ড ফিউরি কোর’-এর কমান্ডিং কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল মদনরাজ পান্ডে। এ পদে তিনি লেফটেন্যান্ট জেনারেল হিতেশ ভাল্লার স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন। সূত্র: দ্য হিন্দু 
সানা/ডিসি/আপ্র/১/৭/২০২৬
 

সংশ্লিষ্ট খবর

প্রেসিডেন্ট হয়ে প্রথম আসিয়ান সফরে লাওস যাচ্ছেন হ্লাইং
০১ জুলাই ২০২৬

প্রেসিডেন্ট হয়ে প্রথম আসিয়ান সফরে লাওস যাচ্ছেন হ্লাইং

মিয়ানমারের জান্তাপ্রধান থেকে নির্বাচনের মাধ্যমে প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নেওয়া মিন অং হ্লাইং আগামী কয়েক...

জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বহাল, ট্রাম্পের পরিকল্পনায় বড় ধাক্কা
০১ জুলাই ২০২৬

জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বহাল, ট্রাম্পের পরিকল্পনায় বড় ধাক্কা

যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট জন্মসূত্রে নাগরিকত্বের সাংবিধানিক অধিকার বহাল রেখে রায় দিয়েছেন, ফলে দেশ...

চাঁদে স্থায়ী ঘাঁটি গড়তে নতুন কর্মসূচি শুরু নাসার
০১ জুলাই ২০২৬

চাঁদে স্থায়ী ঘাঁটি গড়তে নতুন কর্মসূচি শুরু নাসার

চাঁদে স্থায়ী মানবঘাঁটি প্রতিষ্ঠার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়নে নতুন ধাপে প্রবেশ করেছে যুক্তরাষ্ট...

মানুষ ও বড় বানরজাতীয় প্রাণীর হাসির ছন্দে মিল
০১ জুলাই ২০২৬

মানুষ ও বড় বানরজাতীয় প্রাণীর হাসির ছন্দে মিল

হাসিকে কেবল মানুষের নিজস্ব বৈশিষ্ট্য মনে হলেও বাস্তবে তা নয়। নতুন এক গবেষণায় দেখা গেছে, মানুষের সঙ্গ...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

ধর্ষণ মামলার সংখ্যা বৃদ্ধির কারণ জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, দেশে ধর্ষণের মামলা কিছুটা বেড়েছে বলে যে পরিসংখ্যান দেখা যাচ্ছে, তার অন্যতম কারণ হলো এখন ভুক্তভোগীরা সহজেই মামলা করতে পারছেন। আগে সামাজিক ও রাজনৈতিক বিভিন্ন হস্তক্ষেপের কারণে অনেক ভুক্তভোগী থানায় গিয়ে মামলা করতে পারতেন না বা করতে চাইতেন না। আপনি কি মনে করেন মন্ত্রীর এই বক্তব্য সঠিক?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 11 ঘন্টা আগে