পাকিস্তান, সৌদি আরব ও তুরস্কের মধ্যে স্বাক্ষরিত মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি অনুমোদন করেছে তুরস্কের পার্লামেন্ট। এর ফলে সৌদি আরবের নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়লে দেশটির পাশে সামরিক সমর্থন নিয়ে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে আঙ্কারার পথ আরো প্রশস্ত হলো।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত আগস্টে তিন আঞ্চলিক শক্তির মধ্যে এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, সদস্য দেশগুলোর যেকোনো একটির ওপর সশস্ত্র হামলাকে সবার ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করার কথা রয়েছে।
তুরস্ক সরকার গত মাসে চুক্তিটি অনুমোদনের জন্য পার্লামেন্টে পাঠায়। ক্ষমতাসীন দলের এক আইনপ্রণেতা গত মাসে রয়টার্সকে জানিয়েছিলেন, চুক্তির আওতায় সৌদি আরবে তুরস্কের সামরিক সদস্য মোতায়েনের অনুমতি চেয়ে পার্লামেন্টে একটি প্রস্তাবও উত্থাপন করবে আঙ্কারা।
এদিকে গত কয়েক মাস ধরে ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীরা সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদসহ গুরুত্বপূর্ণ বিমানবন্দর ও তেল অবকাঠামো লক্ষ্য করে ধারাবাহিক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাচ্ছে। এসব হামলায় বেশ কয়েকজন নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন বহু মানুষ।
এর মধ্যেই শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন জোট বাহিনী জানিয়েছে, তারা মক্কা অঞ্চলে একটি ড্রোন প্রতিহত করে ধ্বংস করেছে। জোট বাহিনীর মুখপাত্র তুর্কি আল-মালকি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় বলেন, ‘মক্কা অঞ্চলে একটি ড্রোন প্রতিহত ও ধ্বংস করা হয়েছে।’ তবে ড্রোনটি কোথা থেকে ছোড়া হয়েছিল কিংবা কারা এর পেছনে ছিল, সে বিষয়ে তিনি কিছু জানাননি।
সূত্র: রয়টার্স
সানা/আপ্র/৬/১১/২০২৬