গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
রোববার, ১৬ আগস্ট ২০২৬

মেনু

১০৯ বছর পর ব্রিটিশের কাছে ঋণ ফেরত চায় পরিবার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৫:৫৪ পিএম, ১৬ আগস্ট ২০২৬ | আপডেট: ১৭:০৬ এএম ২০২৬
১০৯ বছর পর ব্রিটিশের কাছে ঋণ ফেরত চায় পরিবার
ছবি

ছবি সংগৃহীত

১৯১৭ সালে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় ব্রিটিশ সরকারকে দেওয়া ৩৫ হাজার রুপির ঋণ ১০৯ বছর পর ফেরত চায় ভারতের একটি পরিবার। ঐতিহাসিক নথিপত্রের ভিত্তিতে মূল অর্থের সঙ্গে সুদসহ বর্তমান মূল্য হিসাব করে ব্রিটিশ সরকারের কাছে অর্থ ফেরতের দাবি জানাতে যাচ্ছে পরিবারটি।

পরিবারের দাবি, তাদের পূর্বপুরুষ জুম্মালাল রুথিয়া সে সময় একজন প্রভাবশালী ব্যবসায়ী ছিলেন। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় ব্রিটিশদের হয়ে যুদ্ধে অংশ নেওয়া ভারতীয় সেনাদের ব্যয় মেটাতে সহায়তার উদ্দেশ্যে তিনি ব্রিটিশ সরকারকে ওই অর্থ ঋণ হিসেবে দিয়েছিলেন।

তবে এটি প্রচলিত ব্যাংকঋণের মতো ছিল না। ফলে ঋণের অর্থ কখন ফেরত দিতে হবে, সে বিষয়ে মূল নথিতে কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমার উল্লেখ ছিল না। পরিবারের দাবি, ১৯১৭ সালের ৪ জুন ভোপাল এজেন্সির সঙ্গে কাজ করা এক কর্মকর্তার মাধ্যমে ব্রিটিশ সরকারকে ওই অর্থ দেওয়া হয়েছিল।

পরিবারটির কাছে থাকা ঐতিহাসিক নথিপত্রের ভিত্তিতে ব্রিটিশ সরকারের কাছে অর্থ ফেরতের দাবি জানানো হয়েছে। তবে এখনো ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে সেই দাবি গ্রহণ করেনি।

সম্প্রতি ব্রিটিশ সরকারের ঋণ ব্যবস্থাপনা দপ্তর থেকে পরিবারটির কাছে একটি ই-মেইল পাঠানো হয়। সেখানে আ কিছু নথি চাওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বিষয়টি যাচাই করে দেখার জন্য তদন্ত করা হবে বলেও জানানো হয়েছে।

জুম্মালাল রুথিয়ার প্রপৌত্র গৌতম রুথিয়া জানিয়েছেন, ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষের চাওয়া অতিরিক্ত নথি প্রস্তুত করা হচ্ছে। এসব নথির মধ্যে রয়েছে পারিবারিক বংশপরিচয়ের তথ্য, পুরোনো সনদ এবং ১৯১৭ সালে দেওয়া ঋণের বিস্তারিত বিবরণ।

অতিরিক্ত নথি চাওয়ার বিষয়টি মূলত দাবিটির সত্যতা যাচাইয়ের অংশ। বিশেষ করে বর্তমানে যারা অর্থ ফেরতের দাবি করছেন, তারা ১৯১৭ সালে অর্থ দেওয়া পরিবারেরই উত্তরসূরি কি না, সেটিও যাচাই করা হবে।

এদিকে, ১০৯ বছর আগে দেওয়া ৩৫ হাজার রুপির বর্তমান মূল্য কত হতে পারে, তা হিসাব করছে রুথিয়া পরিবার। মূল অর্থের সঙ্গে সাধারণ সুদ, চক্রবৃদ্ধি সুদ এবং অন্যান্য খরচ যোগ করে বর্তমান মূল্য নির্ধারণ করতে চায় তারা।

গৌতম রুথিয়া জানিয়েছেন, হিসাব শেষ হলে বর্তমান মূল্যের পুরো অর্থই ব্রিটিশ সরকারের কাছে দাবি করা হবে।

জুম্মালাল রুথিয়া ১৯৩৭ সালে মারা যান। অর্থাৎ কথিত ঋণ দেওয়ার প্রায় ২০ বছর পর তার মৃত্যু হয়। এর এক দশক পর, ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশরা ভারত ছেড়ে চলে যায়।

রুথিয়া পরিবারের দাবি, ব্রিটিশরা ভারত ছেড়ে যাওয়ার পরও ওই অর্থ কখনো ফেরত দেওয়া হয়নি। দীর্ঘ ১০৯ বছর পর ঐতিহাসিক নথির ভিত্তিতে সেই অর্থ ফেরত পাওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে পরিবারটি।

সূত্র: বিবিসি বাংলা

এসি/আপ্র/১৬/০৮/২০২৬
 

সংশ্লিষ্ট খবর

ভারতের স্বাধীনতা দিবসে বিজিবিকে মিষ্টি দিলো বিএসএফ
১৬ আগস্ট ২০২৬

ভারতের স্বাধীনতা দিবসে বিজিবিকে মিষ্টি দিলো বিএসএফ

ভারতের ৮০তম স্বাধীনতা দিবসে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে সৌহার্দ্যের চিত্র দেখা গেছে। পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২...

জ্যোতিষীদের আপত্তিতেই মাঝরাতে স্বাধীন হয়েছিল ভারত
১৬ আগস্ট ২০২৬

জ্যোতিষীদের আপত্তিতেই মাঝরাতে স্বাধীন হয়েছিল ভারত

১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট ভারত স্বাধীন হয়েছিল মধ্যরাতের ঘণ্টাধ্বনির সঙ্গে। ইতিহাসের পাতায় সেই মুহূর্ত অমর...

আচরণে অসন্তুষ্ট সুলতান, পুত্রবধূর রাজকীয় উপাধি বাতিল
১৫ আগস্ট ২০২৬

আচরণে অসন্তুষ্ট সুলতান, পুত্রবধূর রাজকীয় উপাধি বাতিল

ব্রুনেইয়ের সুলতান হাসানাল বলকিয়াহ তাঁর পুত্রবধূ পেঙ্গিরান রাবিয়াতুল আদাউইয়াহর সব রাজকীয় উপাধি প্রত্য...

১০০ মাইল দৌড়ে বিশ্বরেকর্ড গড়লেন ৪৪ বছরের নারী
১৫ আগস্ট ২০২৬

১০০ মাইল দৌড়ে বিশ্বরেকর্ড গড়লেন ৪৪ বছরের নারী

যুক্তরাষ্ট্রের ৪৪ বছর বয়সী আলট্রাম্যারাথন দৌড়বিদ অ্যাশলি পলসন ট্রেডমিলে ১০০ মাইল দৌড়ে নারীদের মধ্যে...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

লোডশেডিং নিয়ে বিএনপি সরকারের কড়া সমালোচনা নাহিদ ইসলামের

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট নিয়ে বিএনপি সরকারের কড়া সমালোচনা করেছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। শুক্রবার (১৪ আগস্ট) এক সমাবেশে তিনি বলেছেন, বর্তমান পরিস্থিতি ২০০১-২০০৬ সময়কার লোডশেডিং সংকটের কথা মনে করিয়ে দিচ্ছে। প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন নাহিদ ইসলাম সঠিক বলেছেন?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 1 দিন আগে