নন্দিতা রায় ও শিবপ্রসাদ মুখার্জির আলোচিত চলচ্চিত্র ‘বহুরূপী’র প্রায় দুই বছর পর আবারও জনপ্রিয় ‘ঝিমলি’ চরিত্রে দর্শকের সামনে হাজির হচ্ছেন টালিউড অভিনেত্রী কৌশানী মুখার্জি। এবার তাকে দেখা যাবে ‘বহুরূপী দ্য গোল্ডেন ডাকু’ সিনেমায়। আগামী ১৫ অক্টোবর প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেতে যাচ্ছে সিনেমাটি।
তবে মুক্তির আগেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিনব প্রচার ঘিরে নেটদুনিয়ায় শুরু হয়েছে কৌতূহল ও আলোচনা। প্রচারে কৌশানীকে দেখা গেছে একেবারে মেছুনির বেশে।
প্রকাশিত ওই ভিডিওর ক্যাপশনে লেখা ছিল, ‘ছ্যাঁচড়াপুর ১ নম্বর প্ল্যাটফর্মের ঝিমলি যখন মাছওয়ালি।’ ভিডিওতে মাথার চুল শক্ত করে খোঁপায় বাঁধা, গায়ে সাধারণ শাড়ি, মুখে শ্যামলা সাজ এবং পুরোপুরি আকর্ষণহীন সাজে হাজির হয়েছেন কৌশানী। ফলে তাকে চেনাই কঠিন। হাতে একের পর এক বড় মাছ তুলে ধরে মাছবাজারের মেছুনির মতো সুর মিলিয়ে ক্রেতাদের ডাকতেও দেখা যায় তাকে।
তবে রুপালি পর্দার জন্য মাছ কাটার অভিজ্ঞতা খুব একটা স্বস্তিদায়ক ছিল না কৌশানীর জন্য। বটির কাছে বড় মাছ নিয়ে ঘষতে ঘষতে রীতিমতো হিমশিম খেতে দেখা যায় অভিনেত্রীকে। একপর্যায়ে নাজেহাল হয়ে মজার ছলে তাকে বলতে শোনা যায়, ‘ম্যায় লুট গয়ি, ম্যায় বরবাদ হো গয়ি! দুটো টাকার জন্য কত কী করতে হয়! জীবনে ভাবিনি মাছওয়ালি হতে হবে।’
ভিডিওতে শুধু মাছ কাটতেই দেখা যায়নি তাকে। ‘অ্যাকশন’ শব্দটি কানে আসার সঙ্গে সঙ্গেই বাজারের হকারদের মতো গলা ফাটিয়ে চিৎকার শুরু করেন কৌশানী। হাতে বড় মাছ উঁচিয়ে তার হাঁক ছিল, ‘দুশো দুশো, সিলভার দুশো! বড় মাছ, টাটকা মাছ! বাড়িতে সবাই খুশি হবে, নিয়ে যান, নিয়ে যান।’
আবার কখনো শুটিং সময়মতো শেষ করার অনুরোধ জানিয়ে রসিকতার সুরে তাকে বলতে শোনা যায়, ‘এরকম করছি, এর মধ্যেই কিনে নিন, পায়ে পড়ছি।’
এসি/আপ্র/০৭/১০/২০২৬