গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬

মেনু

তেলের দাম বৃদ্ধির কারণ জানালেন পরিবহনমন্ত্রী

নিজেস্ব প্রতিবেদক

নিজেস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১২:১১ পিএম, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ | আপডেট: ১২:৪৭ এএম ২০২৬
তেলের দাম বৃদ্ধির কারণ জানালেন পরিবহনমন্ত্রী
ছবি

ছবি সংগৃহীত

সড়ক পরিবহন, রেল ও নৌমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেছেন, তেলের দাম বাড়াতে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) চাপ নেই। সরকার যথাসাধ্য চেষ্টা করে উপায় না পেয়েই তেলের দাম সমন্বয় করেছে।

শনিবার (২৫ এপ্রিল) সকালে রাজধানীর মোহাম্মদপুরে বাংলাদেশ অভ্যত্মরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা-২০২৬ এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

তেলের দাম বাড়ানোর জন্য আইএমএফের চাপ আছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, আইএমএফের চাপ আছে বলে করি না। আমরা প্রতিনিয়ত ভর্তুকি দিচ্ছিলাম, এখন উপায় না পেয়েই তেলের দাম সমন্বয় করা হয়েছে। আমার ধারণা জনগণ সেটা ইতিবাচকভাবে নিয়েছে। মনে রাখা দরকার আমরা জনগণের প্রতিনিধিত্ব করি, জনগণের স্বার্থ রক্ষা করি।
 
এছাড়া পাচার ও ভর্তুকি এড়াতেও সরকার তেলের দাম সমন্বয় করেছে বলেও জানান মন্ত্রী। তেলের দামের সঙ্গে বাস ভাড়া সমন্বয় করা হয়েছে। যদি তেলের দাম আবার কমে যায় কোনো আলোচনা ছাড়াই ভাড়াও কমে যাবে। সেক্ষেত্রে বিআরটিএ থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করলেই হবে। আর কোনো কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বসার প্রয়োজন হবে না।
 
তবে শুধু ডিজেলচালিত বাসেই ভাড়া বাড়ানো হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, গ্যাসের ভাড়া যেহেতু বাড়েনি, অতএব গ্যাসচালিত যানবাহনের ভাড়া বাড়বে না। যদি বিচ্যুতি ঘটে আমাকে জানান, আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব। গ্যাসচালিত বাসের ভাড়া বাড়ালে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রাজধানীর সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণ করা হবে উল্লেখ করে পরিবহনমন্ত্রী বলেন, অটোরিকশার দৌরাত্ম্য সব জায়গায় আছে, যা জনজীবন বিপর্যস্ত করছে। ঢাকা শহরের যান চলাচল, যানবাহনের শৃঙ্খলা ব্যাহত হচ্ছে। ফলে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি প্রধান প্রধান সড়ক, প্রধান প্রধান এলাকা পর্যায়ক্রমে অটোরিকশা প্রবেশ নিষেধ করা হবে। তবে এই প্রক্রিয়াটা অনুসরণের জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করা হচ্ছে এবং সব পক্ষের মধ্যে আলোচনা চলছে। আমরা মনে করছি, ঢাকা বাঁচলে দেশ বাঁচবে। ঢাকাকে রক্ষা করা আমাদের দায়িত্ব।
 
ইরান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে অস্থির হয়ে ওঠা বৈশ্বিক তেলের বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখতে গত ১৮ এপ্রিল রাতে দেশের বাজারে ভোক্তা পর্যায়ে সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম লিটারে ১৫ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার।
 
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের নির্ধারিত নতুন দর অনুযায়ী, গত ১৯ এপ্রিল থেকে পাম্পগুলোতে প্রতি লিটার ডিজেল ১০০ টাকা থেকে ১৫ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ১১৫ টাকায়।

এছাড়া প্রতি লিটার অকটেন ১২০ টাকা থেকে ২০ টাকা বেড়ে ১৪০ টাকা, পেট্রোল ১১৬ টাকা থেকে ১৯ টাকা বেড়ে ১৩৫ টাকা এবং কেরোসিনের দাম ১১২ টাকা থেকে ১৮ টাকা বেড়ে ১৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর পর বেড়ে যায় পরিবহন ভাড়াও। সরকারি সিদ্ধান্তে গত বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) থেকে কার্যকর হয় বাস ও মিনিবাসের নতুন ভাড়া। ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগরীসহ আন্তঃজেলা রুটেও প্রতি কিলোমিটারে ভাড়া ১১ পয়সা বাড়ানো হয়।

এসি/আপ্র/২৫/০৪/২০২৬
 

সংশ্লিষ্ট খবর

এক কার্গো এলএনজি কিনবে সরকার
১৯ আগস্ট ২০২৬

এক কার্গো এলএনজি কিনবে সরকার

দেশের জ্বালানি চাহিদা মেটাতে এক কার্গো তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস বা এলএনজি কিনবে সরকার। আন্তর্জাতিক কো...

বিএসইসির ১৭ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর, পাঁচজনের বেতন অবনমন
১৯ আগস্ট ২০২৬

বিএসইসির ১৭ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর, পাঁচজনের বেতন অবনমন

চাকরি বিধি লঙ্ঘনের দায়ে শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (ব...

ঋণনির্ভরতা কমিয়ে নিজস্ব অর্থায়নে এগোবে বাংলাদেশ
১৮ আগস্ট ২০২৬

ঋণনির্ভরতা কমিয়ে নিজস্ব অর্থায়নে এগোবে বাংলাদেশ

রাজস্ব খাতে সংস্কারের মাধ্যমে বাংলাদেশ ঋণনির্ভরতা কমিয়ে নিজস্ব অর্থায়নে উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাচ্ছে বল...

৬০ হাজার কোটি টাকা কৃষিঋণ বিতরণের লক্ষ্য, মিলবে উট পালনেও
১৮ আগস্ট ২০২৬

৬০ হাজার কোটি টাকা কৃষিঋণ বিতরণের লক্ষ্য, মিলবে উট পালনেও

চলতি অর্থবছরে কৃষি ও পল্লি খাতে ৬০ হাজার কোটি টাকা ঋণ বিতরণের লক্ষ্য ঠিক করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক, যা গ...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

প্রধানমন্ত্রীর কাজে সন্তুষ্ট ৬৬ শতাংশ, সরকারের প্রতি ৫৪ শতাংশ

সরকারের ছয় মাস পূর্তি উপলক্ষে পরিচালিত এক জনমত জরিপে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দায়িত্ব পালনে ৬৬ দশমিক ৩০ শতাংশ উত্তরদাতা সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন। তাঁদের মতে, প্রধানমন্ত্রী ভালোভাবে দায়িত্ব পালন করছেন। অন্যদিকে সরকারের সামগ্রিক কর্মকাণ্ডে সন্তুষ্টির কথা জানিয়েছেন ৫৪ দশমিক ৫০ শতাংশ মানুষ। সরকারের কর্মকাণ্ডকে খারাপ বলেছেন ৩২ দশমিক ৯০ শতাংশ। ডপলার অপিনিয়ন রিসার্চের ‘অ্যাপ্রুভাল রেটিং সার্ভে ২০২৬’-এ এসব তথ্য উঠে এসেছে। প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন এই জরিপে সরকারের সঠিক মূল্যায়ন হয়েছে?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 4 ঘন্টা আগে