বিশ্ববাজারে তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ১১০ ডলারের ওপরে উঠে গেছে, ফলে শেয়ার বাজারেও বড় ধরনের পতন দেখা দিয়েছে। ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সংঘর্ষ এবং হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচলে দীর্ঘস্থায়ী ব্যাঘাতের আশঙ্কা এই পরিস্থিতির মূল কারণ। খবর বিবিসি।
ইরানের বিভিন্ন স্থানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল নতুন করে বিমান হামলা চালিয়েছে। তেল ডিপোসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানা হয়েছে।
এই অঞ্চলের জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের ব্যাঘাতের কারণে তেলের দাম ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। সোমবার সকালে এশিয়ায় ব্রেন্ট অপরিশোধিত তেলের দাম প্রায় ২৪ শতাংশ বেড়ে ১১৪.৭৪ ডলারে পৌঁছেছে। একই সঙ্গে নাইমেক্স লাইট সুইট তেলের দাম ২৬ শতাংশের বেশি বৃদ্ধি পেয়ে ১১৪.৭৮ ডলারে দাঁড়িয়েছে।
শেয়ার বাজারেও পরিস্থিতি অস্থিতিশীল। জাপানের নিক্কেই ২২৫ সূচক ৭ শতাংশের বেশি কমেছে। হংকংয়ের হ্যাংসেং সূচক ৩ শতাংশের বেশি নেমেছে। অস্ট্রেলিয়ার এএসএক্স ২০০ সূচকও ৪ শতাংশের বেশি পতিত হয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়ার কোসপি সূচকের পতন আরও তীব্র ৮ শতাংশের বেশি, ফলে ২০ মিনিটের জন্য লেনদেন বন্ধ রাখা হয়েছে। আতঙ্কিত বিনিয়োগকারীরা শেয়ার বিক্রি শুরু করলে বাজারে অতিরিক্ত বিক্রি ঠেকাতে ‘সার্কিট ব্রেকার’ ব্যবহৃত হয়েছে।
বিশ্বের তেল সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ সাধারণত হরমুজ প্রণালী দিয়ে যায়। কিন্তু যুদ্ধ শুরু হওয়ার এক সপ্তাহের মধ্যে এই সংকীর্ণ পথ দিয়ে যানবাহন চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে, যা তেলের দাম বাড়াতে প্রধান ভূমিকা রেখেছে।
এসি/আপ্র/০৯/০৩/২০২৬