গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
রোববার, ১৬ আগস্ট ২০২৬

মেনু

ইইউর পোশাক বাজারে ধস

বাংলাদেশের রফতানিতে বড় পতন

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রকাশিত: ২১:৪৫ পিএম, ১৬ আগস্ট ২০২৬ | আপডেট: ২২:৪৪ এএম ২০২৬
বাংলাদেশের রফতানিতে বড় পতন
ছবি

ছবি সংগৃহীত

ইউরোপীয় ইউনিয়নের পোশাকের বাজারে বড় ধরনের সংকোচন দেখা দিয়েছে। চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে ইউরোপীয় ইউনিয়ন যে পরিমাণ পোশাক আমদানি করেছে, তার মূল্য কমেছে প্রায় ১০ শতাংশ। একই সময়ে আমদানির পরিমাণ ও পোশাকের গড় দাম-দুটিই কমেছে। সংকুচিত এই বাজারে বাংলাদেশের পোশাক রফতানিতে পতন হয়েছে আরো বেশি। জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নে বাংলাদেশের পোশাক রফতানি কমেছে ১৬ দশমিক ৪৩ শতাংশ।

ইউরোস্ট্যাটের তথ্য বাংলাদেশ অ্যাপারেল ভয়েসের সংকলনে দেখা যায়, ২০২৬ সালের প্রথম ছয় মাসে ইউরোপীয় ইউনিয়ন বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে ৪১ দশমিক ১০ বিলিয়ন ইউরোর পোশাক আমদানি করেছে। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এই আমদানি কমেছে ৯ দশমিক ৭০ শতাংশ। অর্থাৎ ইউরোপের বাজারে পোশাকের চাহিদা ও কেনাকাটার প্রবণতা-দুই ক্ষেত্রেই চাপ তৈরি হয়েছে।

একই সময়ে বাংলাদেশ থেকে ইউরোপীয় ইউনিয়নে পোশাক রফতানি নেমে এসেছে ৮ দশমিক ৬৪ বিলিয়ন ইউরোতে। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় কমেছে ১৬ দশমিক ৪৩ শতাংশ। অর্থাৎ ইউরোপীয় ইউনিয়নের সামগ্রিক পোশাক আমদানি যতটা কমেছে, বাংলাদেশের রফতানি কমেছে তার প্রায় দ্বিগুণ হারে।

এই ব্যবধানই বাংলাদেশের পোশাক খাতের জন্য সবচেয়ে বড় উদ্বেগের বিষয় হয়ে উঠেছে।

শুধু বাজার সংকোচন নয়, বাংলাদেশের আলাদা চাপ: ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাজারে সামগ্রিকভাবে পোশাক আমদানি কমেছে-এটি শুধু বাংলাদেশের সমস্যা নয়। চীন, তুরস্ক, ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা ও কম্বোডিয়ার মতো প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী দেশগুলোর পোশাক রফতানিও কমেছে।

তবে বাংলাদেশের ক্ষেত্রে উদ্বেগের বিষয় হলো, বাজার সংকুচিত হওয়ার পাশাপাশি রফতানির পরিমাণ ও পোশাকের দাম-দুটিই উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে।

জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত বাংলাদেশ থেকে ইউরোপীয় ইউনিয়নে পোশাক রফতানির পরিমাণ কমেছে ৮ দশমিক ২২ শতাংশ। একই সময়ে পোশাকের গড় দাম কমেছে ৮ দশমিক ৯৪ শতাংশ। অর্থাৎ বাংলাদেশি উদ্যোক্তারা একদিকে কম পরিমাণ পোশাক রফতানি করেছেন, অন্যদিকে সেই পোশাক বিক্রি করতে হয়েছে আগের তুলনায় কম দামে।

এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে রফতানি আয়ে। শুধু ইউরোপের ভোক্তা চাহিদা কমেছে বলেই বাংলাদেশের রফতানি কমছে-এমন ব্যাখ্যায় পুরো চিত্র পাওয়া যাচ্ছে না। একই বাজারে প্রতিদ্বন্দ্বী দেশগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের প্রতিযোগিতা কতটা কঠিন হয়ে উঠেছে, এই পরিসংখ্যানও তার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

এর আগে জানুয়ারি থেকে মে পর্যন্ত পাঁচ মাসে ইউরোপীয় ইউনিয়নে বাংলাদেশের পোশাক রফতানি কমেছিল ১৮ দশমিক ৮৯ শতাংশ। ওই সময়ে রফতানির পরিমাণ কমেছিল ১০ দশমিক ৪৬ শতাংশ এবং গড় দাম কমেছিল ৯ দশমিক ৪১ শতাংশ।

জুনে সামান্য স্বস্তি, কাটেনি শঙ্কা: ছয় মাসের সামগ্রিক চিত্র হতাশাজনক হলেও জুনে বাংলাদেশের পোশাক রফতানিতে কিছুটা ঘুরে দাঁড়ানোর লক্ষণ দেখা গেছে।

জুনে ইউরোপীয় ইউনিয়নে বাংলাদেশের পোশাক রফতানি গত বছরের একই মাসের তুলনায় শূন্য দশমিক ৮৭ শতাংশ বেড়ে ১ দশমিক ৩৭ বিলিয়ন ইউরো হয়েছে। এ সময়ে রফতানির পরিমাণ বেড়েছে ৬ দশমিক ৫৩ শতাংশ। তবে পোশাকের গড় দাম কমেছে ৫ দশমিক ৩১ শতাংশ।

অর্থাৎ জুনে বাংলাদেশ বেশি পোশাক পাঠাতে পেরেছে, কিন্তু আগের তুলনায় কম দামে। ফলে পরিমাণের দিক থেকে ইতিবাচক পরিবর্তন এলেও রফতানি আয়ে বড় ধরনের উল্লম্ফন ঘটেনি।

এটি কিছুটা আশার খবর হলেও এখনই ঘুরে দাঁড়ানোর নিশ্চিত লক্ষণ হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। কারণ ছয় মাসের বড় ঘাটতি পূরণ করতে হলে পরবর্তী মাসগুলোতে রফতানি আদেশ, পণ্যের পরিমাণ এবং দাম-তিন ক্ষেত্রেই উন্নতি প্রয়োজন।

ইউরোপের বাজারেই কেন বড় ধাক্কা: বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের সবচেয়ে বড় বাজার ইউরোপীয় ইউনিয়ন। ফলে ইউরোপের ভোক্তা চাহিদা কমলে তার সরাসরি প্রভাব পড়ে বাংলাদেশের পোশাক কারখানাগুলোতে।

চলতি বছরের শুরু থেকেই ইউরোপের বাজারে পোশাকের চাহিদা দুর্বল হওয়ার চিত্র পাওয়া যাচ্ছিল। জানুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের সামগ্রিক পোশাক আমদানি কমেছিল ১০ দশমিক ৪২ শতাংশ। একই সময়ে বাংলাদেশ থেকে আমদানি কমেছিল ১৯ দশমিক ৩৩ শতাংশ।

ইউরোপের দুর্বল চাহিদার পাশাপাশি বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, মূল্যস্ফীতি, উচ্চ সুদহার, ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা এবং ভোক্তাদের ব্যয় কমানোর প্রবণতা পোশাকের অর্ডারে প্রভাব ফেলছে। একই সঙ্গে বৈশ্বিক ব্র্যান্ডগুলোও পোশাকের দাম কমানোর জন্য সরবরাহকারীদের ওপর চাপ দিচ্ছে।

ফলে বাংলাদেশের পোশাক প্রস্তুতকারকদের একসঙ্গে দুটি চাপ মোকাবিলা করতে হচ্ছে-অর্ডার কমে যাওয়া এবং কম দামে পণ্য সরবরাহের চাপ।

প্রতিদ্বন্দ্বীদের অবস্থাও খারাপ, ব্যবধানও আছে: ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাজারে বাংলাদেশের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী দেশগুলোর রফতানিও কমেছে। প্রথম ছয় মাসে চীনের পোশাক রফতানি কমেছে ৮ দশমিক ৮৮ শতাংশ, তুরস্কের ১৪ দশমিক ৬০ শতাংশ, ভারতের ১২ দশমিক ৪৯ শতাংশ, পাকিস্তানের ১২ দশমিক ৫৩ শতাংশ, শ্রীলঙ্কার ১১ দশমিক ২১ শতাংশ এবং কম্বোডিয়ার ৮ দশমিক ৮৪ শতাংশ।

অর্থাৎ বাজার সংকোচনের ধাক্কা সবাইকেই সামলাতে হচ্ছে। তবে বাংলাদেশের পতন বেশির ভাগ বড় প্রতিদ্বন্দ্বী দেশের তুলনায় বেশি।

এখানে বিশেষভাবে নজরে আসে ভিয়েতনামের অবস্থান। প্রথম ছয় মাসে দেশটির পোশাক রফতানি বেড়েছে শূন্য দশমিক ৩৬ শতাংশ। অথচ একই সময়ে ভিয়েতনাম রফতানির পরিমাণ ১১ দশমিক ৫২ শতাংশ কমিয়েছে। পার্থক্য তৈরি হয়েছে দামে। দেশটির পোশাকের গড় দাম বেড়েছে ১৩ দশমিক ৪৩ শতাংশ।

অর্থাৎ কম পরিমাণ পোশাক রফতানি করেও বেশি দামে বিক্রি করে ভিয়েতনাম মোট রফতানি আয় সামান্য বাড়াতে পেরেছে। এই জায়গাটিই বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা হতে পারে।

কম দামে বেশি রফতানি কতটা টেকসই: বাংলাদেশের পোশাক খাত দীর্ঘদিন ধরে তুলনামূলক কম দামে বিপুল পরিমাণ পণ্য সরবরাহের ওপর শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করেছে। এই কৌশলই বাংলাদেশকে বিশ্বের অন্যতম প্রধান পোশাক সরবরাহকারী দেশে পরিণত করেছে।

কিন্তু বাজার যখন সংকুচিত হয়, তখন শুধু কম দামে বেশি পণ্য বিক্রির কৌশল সব সময় কার্যকর থাকে না।

জানুয়ারি থেকে এপ্রিলের তথ্যেও দেখা গেছে, ওই সময়ে বাংলাদেশের পোশাকের গড় একক মূল্য ১০ দশমিক ৪৫ শতাংশ কমেছিল এবং রফতানির পরিমাণও প্রায় ১০ শতাংশ কমেছিল। অর্থাৎ কম দাম দিয়েও অর্ডার ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়েছিল।

অপরদিকে, ভিয়েতনামের মতো কিছু দেশ তুলনামূলক বেশি মূল্য সংযোজনের পোশাক, উন্নত পণ্য এবং ব্র্যান্ডের চাহিদা অনুযায়ী পণ্য সরবরাহ করে বেশি দামের বাজার ধরে রাখছে।

ফলে বাংলাদেশের সামনে এখন শুধু আরো বেশি পোশাক উৎপাদনের চ্যালেঞ্জ নয়, বরং আরো বেশি মূল্য সংযোজন করে পোশাক রফতানির চ্যালেঞ্জও তৈরি হয়েছে।

বাংলাদেশের বাজার হারানোর ঝুঁকি: ইউরোপের বাজারে বাংলাদেশের রফতানি কমার বিষয়টি শুধু তাৎক্ষণিক রফতানি আয়ের হিসাবের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। এর সঙ্গে ভবিষ্যতে বাজার ধরে রাখার বিষয়টিও জড়িত।

কোনো ব্র্যান্ড বা ক্রেতা অর্ডারের পরিমাণ কমিয়ে দিলে সেই অর্ডার অন্য সরবরাহকারী দেশে চলে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। পরবর্তী সময়ে বাজার পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেও সেই অর্ডার ফিরিয়ে আনা সহজ হয় না।

এ কারণেই বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হলো-ইউরোপীয় ইউনিয়নের সামগ্রিক বাজার কতটা কমেছে, তার পাশাপাশি প্রতিদ্বন্দ্বী দেশগুলোর তুলনায় বাংলাদেশ কতটা বাজার হারাচ্ছে।

চলতি বছরের প্রথম পাঁচ মাসের তথ্যেও এ বিষয়ে উদ্বেগের চিত্র দেখা গেছে। তখন ইউরোপীয় ইউনিয়নের সামগ্রিক পোশাক আমদানি কমেছিল ৯ দশমিক ৯৬ শতাংশ, যেখানে বাংলাদেশ থেকে আমদানি কমেছিল ১৮ দশমিক ৮৯ শতাংশ।

অর্থাৎ ইউরোপের বাজার সংকুচিত হওয়ার প্রভাব বাংলাদেশের ওপর তুলনামূলক বেশি পড়ছে।

শুধু অর্ডার নয়, দামও বড় সমস্যা: বাংলাদেশের পোশাক খাতের জন্য আরেকটি বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে প্রতি একক পোশাকের দাম।

বিশ্ববাজারে ক্রেতারা এখন কম দামে পণ্য কিনতে চাইছেন। একই সঙ্গে তুলনামূলক বেশি মূল্য সংযোজনের পণ্য থেকে বেশি আয় করার সুযোগও তৈরি হচ্ছে। বাংলাদেশের রফতানিতে পরিমাণ বাড়লেও দাম কমতে থাকলে কারখানার উৎপাদন ব্যয়, শ্রমিকের মজুরি, জ্বালানি, পরিবহন ও অন্যান্য ব্যয় সামলে মুনাফা করা কঠিন হয়ে পড়বে।

এ কারণে শুধু রফতানি আয় নয়, প্রতি একক পোশাকের দামও এখন বাংলাদেশের পোশাক খাতের সক্ষমতার গুরুত্বপূর্ণ সূচক হয়ে উঠেছে।

শিল্পের জন্য বড় সতর্কবার্তা: বাংলাদেশের পোশাক খাত দেশের বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের অন্যতম প্রধান উৎস। ফলে ইউরোপের মতো বৃহৎ বাজারে টানা রফতানি পতন হলে তার প্রভাব শুধু পোশাক কারখানায় সীমাবদ্ধ থাকে না। এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকে কর্মসংস্থান, বৈদেশিক মুদ্রা আয়, বিনিয়োগ এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড।

এখন পর্যন্ত পাওয়া তথ্য বলছে, ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাজারে সামগ্রিক দুর্বলতার পাশাপাশি বাংলাদেশের প্রতিযোগিতা সক্ষমতার বিষয়টিও সামনে এসেছে। বৈশ্বিক বাজার সংকুচিত হওয়ায় প্রতিযোগিতা আরো তীব্র হয়েছে। এই প্রতিযোগিতায় শুধু কম দাম দিয়ে টিকে থাকা ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠছে।

বাংলাদেশের পোশাক উদ্যোক্তাদের তাই নতুন বাজার খোঁজার পাশাপাশি উচ্চমূল্যের পোশাক, নকশাভিত্তিক পণ্য, কৃত্রিম তন্তু ও প্রযুক্তিনির্ভর পোশাকসহ বেশি মূল্য সংযোজনের পণ্যে যেতে হবে। একই সঙ্গে উৎপাদন দক্ষতা বাড়ানো, সময়মতো পণ্য সরবরাহ এবং ক্রেতার চাহিদা অনুযায়ী দ্রুত পণ্য তৈরির সক্ষমতাও বাড়াতে হবে।

এ পরিস্থিতিতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাজারে বাংলাদেশের অবস্থান ধরে রাখতে শুধু উৎপাদনের পরিমাণ বাড়ানো যথেষ্ট হবে না। পণ্যের মান, বৈচিত্র্য, মূল্য সংযোজন ও প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা-সব ক্ষেত্রেই উন্নতি প্রয়োজন।

সামনে বড় চ্যালেঞ্জ: জুনে শূন্য দশমিক ৮৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি কিছুটা স্বস্তি দিলেও ছয় মাসে ১৬ দশমিক ৪৩ শতাংশ পতনকে ছোট করে দেখার সুযোগ নেই। কারণ এই পতনের পেছনে শুধু ইউরোপের বাজার সংকোচন নয়, বাংলাদেশের রফতানির পরিমাণ ও দাম-দুটিই কমে যাওয়ার বিষয় রয়েছে।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, বাংলাদেশের রফতানি কমেছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সামগ্রিক পোশাক আমদানি কমার চেয়ে অনেক বেশি হারে। অর্থাৎ ইউরোপের বাজারের সংকটের পাশাপাশি বাংলাদেশের নিজস্ব প্রতিযোগিতা সক্ষমতার প্রশ্নও সামনে এসেছে।

তাই আগামী মাসগুলোতে শুধু রফতানি আদেশ বাড়ানোর চেষ্টা যথেষ্ট হবে না। কম দামে বেশি পণ্য রফতানির পুরোনো মডেল থেকে বেরিয়ে এসে বেশি মূল্য সংযোজন, পণ্যের বৈচিত্র্য, প্রযুক্তির ব্যবহার এবং দক্ষতার ওপর জোর দিতে হবে। অন্যথায়, ইউরোপের পোশাক বাজারের বর্তমান সংকোচন বাংলাদেশের জন্য সাময়িক ধাক্কা না হয়ে দীর্ঘমেয়াদে বাজার হারানোর ঝুঁকিতে পরিণত হতে পারে।

সানা/কেএমএএ/আপ্র/১৬/৮/২০২৬

সংশ্লিষ্ট খবর

কমেছে মরিচের দাম, সবজি ৬০ থেকে ৮০ টাকায়
১৫ আগস্ট ২০২৬

কমেছে মরিচের দাম, সবজি ৬০ থেকে ৮০ টাকায়

রাজধানীর খুচরা বাজারে গত সপ্তাহের তুলনায় কাঁচা মরিচের দাম কিছুটা কমেছে। একই সঙ্গে সরবরাহ বাড়ায় বেশ ক...

দেশে–বিদেশে ক্রেডিট কার্ড ঋণে খরচ বাড়ছে
১৫ আগস্ট ২০২৬

দেশে–বিদেশে ক্রেডিট কার্ড ঋণে খরচ বাড়ছে

উচ্চ সুদের কারণে কার্ডনির্ভর ব্যয় নিয়ন্ত্রণহীন

চট্টগ্রামে ব্যাংকের ভল্ট থেকে ৪ কোটি টাকা উধাও
১৩ আগস্ট ২০২৬

চট্টগ্রামে ব্যাংকের ভল্ট থেকে ৪ কোটি টাকা উধাও

চট্টগ্রামের লালদীঘি জেলা পরিষদ ভবনে অবস্থিত অগ্রণী ব্যাংক পিএলসির লালদীঘি পূর্ব করপোরেট শাখার ক্যাশ...

সরকারি ক্রয়ে স্বচ্ছতা বাড়াতে বাংলাদেশের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের আহ্বান
১৩ আগস্ট ২০২৬

সরকারি ক্রয়ে স্বচ্ছতা বাড়াতে বাংলাদেশের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের আহ্বান

সরকারি অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি বাড়াতে বাংলাদেশকে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারের...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

লোডশেডিং নিয়ে বিএনপি সরকারের কড়া সমালোচনা নাহিদ ইসলামের

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট নিয়ে বিএনপি সরকারের কড়া সমালোচনা করেছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। শুক্রবার (১৪ আগস্ট) এক সমাবেশে তিনি বলেছেন, বর্তমান পরিস্থিতি ২০০১-২০০৬ সময়কার লোডশেডিং সংকটের কথা মনে করিয়ে দিচ্ছে। প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন নাহিদ ইসলাম সঠিক বলেছেন?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 1 দিন আগে