গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মেনু

ফল খেয়ে ১৪ শিশু অসুস্থ, হাসপাতালে ভর্তি ৯

জেলা প্রতিনিধি, মেহেরপুর

জেলা প্রতিনিধি, মেহেরপুর

প্রকাশিত: ১১:৪৭ পিএম, ০৬ জুলাই ২০২৬ | আপডেট: ১৭:৫৪ এএম ২০২৬
ফল খেয়ে ১৪ শিশু অসুস্থ, হাসপাতালে ভর্তি ৯
ছবি

ছবি সংগৃহীত

খেলার সময় কাঠবাদাম ভেবে অজানা গাছের ফল খেয়ে বিভিন্ন বয়সী অন্তত ১৪ শিশু অসুস্থ হয়ে পড়েছে। অতিরিক্ত পেটে ব্যাথা ও বমি হওয়ায় ৯ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তবে তারা সুস্থ্য হয়ে উঠছেন বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক।

অসুস্থ শিশুদের মধ্যে মোস্তাকিন (১২), কাফি (১২), আমেনা খাতুন (৩), হালিমা (৯), রক্তিমা (১১), রিয়াদ (১১), ফেরদৌস (১০) ফুয়াদ (১২) এবং মোস্তাকিম (৯) কে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়। এদের সকলের বাড়ি মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার সহড়াবাড়ীয়া গ্রামে।

জানা গেছে, প্রতিদিনের ন্যায় রোববার (০৫ জুলাই) বিকেলে গ্রামের শিশুরা খেলতে যায়। এক পর্যায়ে সড়কের পাশে থাকা একটি গাছের ফল খেতে থাকে শিুশুরা। জিয়ালা গাছের ফল কাঠ বাদাম মনে করে বেশ কয়েকটি করে খায় তারা। মিষ্টি জাতীয় এই ফল বেশ তৃপ্তি করে গ্রহণ করে অবুঝ শিশুরা। তাৎক্ষনিকভাবে ফলের কোন প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়নি। খেলা শেষে সন্ধ্যায় বাড়ি ফিরে শুরু হয় পেটে ব্যাথা। একইসাথে বমি করতে থাকে কয়েকজন। এতে অন্তত ১৪ শিশু অসুস্থ হয়ে পড়ে। 

এদের মধ্যে ৩ থেকে ১২ বছর বয়সী বেশ কয়েকজনের শিশুর অসুস্থতা বেশি দেখা দেয়। এক পর্যায়ে তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান অভিভাবকরা। ঘটনাটি মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার সহড়াবাড়ীয়া গ্রামে।

অসুস্থ শিশু মোস্তাকিনের মা শাহনাজ পারভীন জানান, ছেলেটি বাড়ি ফেরার পর বমি করতে শুরু করে। পেটে প্রচণ্ড ব্যাথা। গ্রাম্য চিকিৎসকের কাছ থেকে ওষুধ আনা হয়। কিন্তু বমি আরো বাড়ছিল। পরে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়।

হাসপাতালে ভর্তি ফুয়াদ জানায়, খেলা শেষে বাড়ি ফেরার সময় বন্ধু তানহা বলে যে এই ফল খেতে খুব ভালো। আমরা গাছ থেকে পেড়ে ফল খেতে শুরু করি। আমাদের দেখাদেখি সব শিশুরা এসে ফল খেতে শুরু করে। খেতে বেশ মিষ্টি। যখন খেয়েছি তখন কিছু মনে হয়নি। বাড়ি ফেরার পর বমি ও পেটে ব্যাথা শুরু হয়।  

অভিভাবকরা জানান, জিয়ালা গাছের ফল কেউ কখনো খায় না। এই ফল খেলে মানুষের ক্ষতি হয় এমনটি জানা ছিল না অসুস্থ শিশুদের। তবে বড়রা জানতেন যে এই ফল খাওয়া যায় না। এর আগে কেউ কখ এই ফল খায়নি।

বিদেশি গাছ বার্বাডোজ নাট স্থানীয়ভাবে জিয়ালা কচা নামে পরিচিত। এর ফল ও পাতা খেলে পেটে ব্যাথা, বমি এবং মারাত্মক ডায়রিয়া হতে পারে। শিশুদেরকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তারা আশংকা মুক্ত রয়েছে বলে জানালেন এই চিকিৎসক।

জিয়ালা বা জিয়ালা কচা বসতবাড়ি এবং ক্ষেতের বেড়া তৈরির জন্য ব্যবহার হয়। এই গাছের ফল ও পাতা গরু ছাগলে খায় না তাই বেড়া হিসেবে বেশ কার্যকরী।

এসি/আপ্র/০৬/০৭/২০২৬

 

সংশ্লিষ্ট খবর

বাগেরহাটে কৃষি ব্যাংকের শাখা ব্যবস্থাপকদের সম্মেলন
১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বাগেরহাটে কৃষি ব্যাংকের শাখা ব্যবস্থাপকদের সম্মেলন

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের ২০২৬-২৭ অর্থবছরের ব্যবসায়িক লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের লক্ষ্যে বাগেরহাট অঞ্চলের সব...

নিষিদ্ধ আ.লীগের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ নেই
১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নিষিদ্ধ আ.লীগের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ নেই

কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন হিসেবে আওয়ামী লীগের নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ নেই বলে মন্তব্য করেছেন স্থানী...

পাবনায় মাঠের পানিতে ডুবে প্রাণ গেল তিন শিশুর
১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পাবনায় মাঠের পানিতে ডুবে প্রাণ গেল তিন শিশুর

পাবনা সদর উপজেলার চরতারাপুর ইউনিয়নের নবীন বাজার এলাকার দাশপাড়া গ্রামে মাঠে জমে থাকা বর্ষার পানিতে ডু...

সাংবাদিকদের অধিকার সুরক্ষায় খুলনায় মতবিনিময় সভা
১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সাংবাদিকদের অধিকার সুরক্ষায় খুলনায় মতবিনিময় সভা

পারস্পরিক সৌহার্দ্য বৃদ্ধি ও সাংবাদিকদের অধিকার সুরক্ষায় খুলনা প্রেসক্লাব ও খুলনা সাংবাদিক ইউনিয়ন-কে...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে ড. ইউনূসকে

বিগত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মালিকানাধীন গ্রামীণ কল্যাণের কাছ থেকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) দাবি করা ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে বলে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়ার নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন। এই কর পরিশোধের জন্য ড. মুহাম্মদ ইউনূসের গ্রামীণ কল্যাণকে ৩ অর্থবছর সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে। প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন এই রায় সঠিক?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 23 ঘন্টা আগে