গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬

মেনু

তেঁতুলিয়ায় তাপমাত্রা বাড়লেও রয়েছে শীতের দাপট

জেলা প্রতিনিধি, পঞ্চগড়

জেলা প্রতিনিধি, পঞ্চগড়

প্রকাশিত: ১২:২২ পিএম, ২০ ডিসেম্বর ২০২৫ | আপডেট: ১৬:৫৬ এএম ২০২৬
তেঁতুলিয়ায় তাপমাত্রা বাড়লেও রয়েছে শীতের দাপট
ছবি

ছবি সংগৃহীত

পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় টানা এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে মৃদু শৈত্যপ্রবাহের পর তাপমাত্রা কিছুটা বেড়েছে। তবে কমেনি শীতের দাপট। সকালে কনকনে শীত অনুভূত হচ্ছে।


শনিবার (২০ ডিসেম্বর) সকাল ৯টায় তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৪ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯১ শতাংশ। এদিন কুয়াশা না থাকলেও সকাল ৯টা পর্যন্ত সূর্যের দেখা মেলেনি। আর্দ্রতা বেশি থাকায় ঠান্ডার অনুভূতি ছিল তীব্র।


এর আগের দিন শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) সকাল ৯টায় তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৯ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৭৩ শতাংশ। দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে তেঁতুলিয়াতেই রেকর্ড হচ্ছিল। শুক্রবার দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা উঠেছিল ২৫ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে।


এ ছাড়া, বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৯ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সেদিন বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৭২ শতাংশ এবং বাতাসের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ৮ থেকে ১০ কিলোমিটার। দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা উঠেছিল ২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে।


গত কয়েক দিন ধরে তেঁতুলিয়ায় তাপমাত্রা ৯ ডিগ্রির ঘরেই ঘোরাফেরা করেছে। বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৯ দশমিক ৭ ডিগ্রি, মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) ৯ দশমিক ৫ ডিগ্রি এবং সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) ও রোববার (১৪ ডিসেম্বর) নেমে আসে ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। এর আগে শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) ও শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) সকালেও তাপমাত্রা ছিল ৯ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস।


চলতি শীত মৌসুমে তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় গত ১১ ডিসেম্বর। সেদিন পারদ নেমে আসে ৮ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসে, যা এ মৌসুমে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।


তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্রনাথ রায় বলেন, গত ১১ ডিসেম্বর থেকে ১৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত এই উপজেলায় মৃদু শৈত্যপ্রবাহ ছিল। শনিবার তাপমাত্রা কিছুটা বেড়েছে, তবে আর্দ্রতা বেশি থাকায় শীতের অনুভূতি রয়ে গেছে। ডিসেম্বরের শেষের দিকে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহের সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানান তিনি।


এসি/আপ্র/২০/১২/২০২৫

সংশ্লিষ্ট খবর

কুড়িগ্রামে সড়ক মেরামতের পাশাপাশি নারীর কর্মসংস্থানে এলজিডি
২৯ জুলাই ২০২৬

কুড়িগ্রামে সড়ক মেরামতের পাশাপাশি নারীর কর্মসংস্থানে এলজিডি

আশির্বাদ রহমান: দীর্ঘদিনের ভাঙাচোরা সড়ক, দুর্বল যোগাযোগব্যবস্থা এবং সীমিত কর্মসংস্থানের কারণে কুড়িগ্...

কর্ণফুলী টানেলে চার রাত এক টিউবে চলবে যানবাহন
২৯ জুলাই ২০২৬

কর্ণফুলী টানেলে চার রাত এক টিউবে চলবে যানবাহন

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি: কর্ণফুলী টানেলে রুটিন রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য আগামী চার রাত নিয়ন্ত্রিতভাবে যান...

প্রশাসনের আশ্বাসে বাগেরহাটে খাল দখলমুক্ত আন্দোলন সাময়িক স্থগিত
২৯ জুলাই ২০২৬

প্রশাসনের আশ্বাসে বাগেরহাটে খাল দখলমুক্ত আন্দোলন সাময়িক স্থগিত

বাগেরহাট জেলার সরকারি খাল অবৈধ দখলমুক্ত করে জনগণের জন্য উন্মুক্ত করার দাবিতে চলা তিন দিনব্যাপী অবস্থ...

চট্টগ্রামে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার ঘোষণা
২৯ জুলাই ২০২৬

চট্টগ্রামে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার ঘোষণা

একেএম ফজলুল হক: বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পুনর্বাসনে চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহয...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

শিল্পী বললেন ‘শ্রাবণের মেঘগুলো’ এখন প্রতিবাদের ভাষা

‘শ্রাবণের মেঘগুলো জড়ো হলো আকাশে গানটি সিলেটের এক শিক্ষিকাকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তৈরি হওয়া সমালোচনার বিরুদ্ধে দেশজুড়ে শিক্ষকদের সংহতির প্রতীক হয়ে উঠেছে। গানটির গায়ক মেজবাহ রহমান বলেন, “আমাদের এই গানটি যে অন্যায্য সমালোচনার বিরুদ্ধে একটি বড় সামাজিক আন্দোলনের ভাষা হয়ে উঠবে, তা কখনো ভাবিনি। গানটি মূলত প্রকৃতিকে ঘিরে তৈরি হয়েছিল। কিন্তু যেভাবে এটি ছড়িয়ে পড়েছে, তাতে এখন এটি অনেকের কাছে প্রতিবাদের ভাষা হয়ে দাঁড়িয়েছে।” প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন গানটি সত্যিই প্রতিবাদের চূড়ান্ত পর্যায়ে এসেছে?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 54 মিনিট আগে