গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬

মেনু

চার খুনে শার্টের রহস্য, পুলিশের বয়ান ঘিরে প্রশ্ন

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রকাশিত: ২১:৩৯ পিএম, ২৫ আগস্ট ২০২৬ | আপডেট: ২২:১০ এএম ২০২৬
চার খুনে শার্টের রহস্য, পুলিশের বয়ান ঘিরে প্রশ্ন
ছবি

সিদ্ধার্থ দাসের পরনের শার্ট নিয়ে তৈরি হওয়া বিতর্কের মধ্যে গভীর সন্দেহ ও বিস্ময় প্রকাশ করেছেন তাঁর বাবা বিনয় দাস -ছবি সংগৃহীত

রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়ায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী ও তাঁর পরিবারের চার সদস্য হত্যাকাণ্ডে গ্রেফতার সিদ্ধার্থ দাসের পরনের শার্ট নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। আটকের সময় ছেলের গায়ে শুধু গেঞ্জি ছিল বলে দাবি করেছেন সিদ্ধার্থের বাবা বিনয় দাস। পরে পুলিশ সাংবাদিকদের সামনে সিদ্ধার্থকে হাজির করার সময় তাঁর গায়ে ওই শার্ট দেখা যায় বলে জানিয়েছেন তিনি। এদিকে সিদ্ধার্থের পরনের শার্টের সঙ্গে রংপুর মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান সনাতন চক্রবর্তীর পরনের শার্টের রং ও নকশার মিল নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা চলছে। পুলিশ কর্মকর্তা অবশ্য এটিকে নিছক শার্টের মিল এবং তদন্তকে বিভ্রান্ত করার অপচেষ্টা বলে দাবি করেছেন।

এদিকে হত্যাকাণ্ডের কারণ ও পুলিশের প্রাথমিক বয়ান নিয়ে নানা প্রশ্ন, বিক্ষোভ ও অধিকতর তদন্তের দাবির মধ্যে মামলাটির তদন্তভার কোতোয়ালি থানা থেকে মহানগর গোয়েন্দা বিভাগে দেওয়া হয়েছে। পুলিশ বলছে, অধিকতর স্বচ্ছ ও পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত এবং দ্রুত অভিযোগপত্র দেওয়ার লক্ষ্যেই তদন্ত সংস্থা পরিবর্তন করা হয়েছে।

আটকের সময় গায়ে ছিল গেঞ্জি: বাবা: সোমবার বিকেলে স্থানীয় এক সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধির প্রশ্নের জবাবে সিদ্ধার্থের বাবা বিনয় দাস ও বড় ভাই পার্থ দাস জানান, রোববার ভোরে পুলিশ সিদ্ধার্থকে আটক করার সময় তাঁর গায়ে ছিল ঘিয়া রঙের একটি গেঞ্জি। ওই নকশার কোনো শার্ট সিদ্ধার্থের কখনো ছিল না বলেও দাবি করেন তাঁরা।

পার্থ দাস বলেন, পুলিশ তাঁর ভাইকে আটক করার সময় গেঞ্জি পরা অবস্থায় পেয়েছিল। পরে কীভাবে তাঁর গায়ে ওই শার্ট এল, তা তাঁরা জানেন না। বিষয়টি পুলিশই ভালো বলতে পারবে।

বিনয় দাসের ভাষ্য, শনিবার রাতে গণপতি চক্রবর্তীর বাড়িতে পুলিশসহ অনেক লোক জড়ো হওয়ার পর রোববার ভোররাতে পুলিশ তাঁদের বাড়িতে সিদ্ধার্থের খোঁজে আসে। তখন তিনি চাচার বাড়ি থেকে ঘুম থেকে ডেকে সিদ্ধার্থকে পুলিশের হাতে তুলে দেন। সে সময় ছেলের গায়ে শুধু গেঞ্জি ছিল। পরে সাংবাদিকদের সামনে সিদ্ধার্থকে নিয়ে আসার সময় তাঁর গায়ে শার্ট দেখতে পান।

তিনি বলেন, ওই শার্ট কার এবং কখন সিদ্ধার্থ সেটি পরেছেন, তা তিনি জানেন না। ছেলেকে তিনি কখনো ওই ধরনের শার্ট পরতে দেখেননি।

তবে ছেলেকে নির্দোষ দাবি করেননি বিনয় দাস। তিনি বলেন, তদন্তে ছেলে দোষী প্রমাণিত হলে তাঁর শাস্তিও তিনি মেনে নেবেন। কিন্তু ঘটনার প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটনে নিরপেক্ষ ও আরো তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।

শার্টের মিলকে কাকতালীয় বলছে পুলিশ: সিদ্ধার্থের শার্টের বিষয়ে জানতে চাইলে রংপুর মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের উপকমিশনার ও প্রধান সনাতন চক্রবর্তী বলেন, আসামির পরনের শার্টটির রং তাঁর শার্টের মতো হলেও দুটির মধ্যে কোনো সম্পর্ক নেই। তাঁর নিজের শার্টটি এখনো তাঁর কাছেই রয়েছে এবং আসামির শার্টও আসামির কাছেই রয়েছে।

তিনি জানান, তাঁর শার্টটি আড়ং থেকে কেনা। একই রং ও নকশার শার্ট বাজারে অনেকের কাছেই থাকতে পারে। তাই শুধু রং বা নকশার মিলকে কেন্দ্র করে সন্দেহের কোনো কারণ নেই।

সনাতন চক্রবর্তী আরো বলেন, ঘটনাস্থলে থাকার সময় তিনি যে শার্ট পরেছিলেন, এখনো সেটিই তাঁর কাছে রয়েছে। মাঠে থাকার সময় তোলা তাঁর ছবিও সাংবাদিকদের দেখানো হয়েছে। তাঁর দাবি, আসামির শার্ট একই ধরনের রঙের হলেও সেটি আলাদা শার্ট।

তাঁর অভিযোগ, একটি মহল তদন্তকে বিভ্রান্ত ও ভিন্ন খাতে নেওয়ার উদ্দেশ্যে শার্টের বিষয়টি সামনে আনছে। এর সঙ্গে চার হত্যাকাণ্ড, তদন্ত কিংবা আটক ব্যক্তিদের আদালতে দেওয়া জবানবন্দির কোনো সম্পর্ক নেই।

পুলিশের বয়ান নিয়ে যত প্রশ্ন: গত রোববার দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে রংপুর মহানগর পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ দাবি করেন, ইয়াবা সেবনে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে গণপতি চক্রবর্তী, তাঁর স্ত্রী ও দুই সন্তানকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। পরে হত্যাকাণ্ডকে ভিন্ন খাতে নিতে ঘরের জিনিসপত্র ছড়িয়ে রেখে ডাকাতির নাটক সাজানোর চেষ্টা করা হয় বলেও জানায় পুলিশ।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, গ্রেফতার সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাস ইয়াবা সেবনের উদ্দেশ্যে গণপতি চক্রবর্তীর বাড়ির ছাদে উঠেছিলেন। শব্দ পেয়ে গণপতি চক্রবর্তী সেখানে গেলে তাঁকে হত্যা করা হয়। পরে পরিবারের অন্য তিন সদস্যকেও হত্যা করা হয়।

কিন্তু পুলিশের এই বয়ানের পর হত্যাকাণ্ডের কারণ, ঘটনার ধারাবাহিকতা এবং দুই যুবকের পক্ষে একই পরিবারের চার সদস্যকে হত্যা করা সম্ভব কি না-এসব প্রশ্ন তুলেছেন নিহত পরিবারের স্বজন, স্থানীয় বাসিন্দা, শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও সচেতন নাগরিকেরা। বিক্ষোভ ও মানববন্ধন থেকেও ঘটনার গভীরে গিয়ে তদন্তের দাবি উঠেছে।

আন্দোলনকারীদের প্রশ্ন, আশপাশে অন্য ভবনের ছাদ থাকা সত্ত্বেও অভিযুক্তরা কেন ঝুঁকি নিয়ে গণপতি চক্রবর্তীর বাড়ির ছাদে ইয়াবা সেবন করতে গেলেন। ঘটনার সময় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার বিষয়টিও প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। ঘুমন্ত ১২ বছর বয়সী আয়ুষ চক্রবর্তী প্রিয়মকে কেন হত্যা করা হলো, হত্যার পর অভিযুক্তরা কেন দীর্ঘ সময় ঘটনাস্থলে অবস্থান করলেন এবং হত্যাকাণ্ডের পেছনে অন্য কারও সম্পৃক্ততা আছে কি না-এসব বিষয়ও খতিয়ে দেখার দাবি জানানো হয়েছে।

গ্রেফতার দুই তরুণের পরিবারও বলেছে, ঘটনার পেছনে অন্য কেউ জড়িত কি না, তা তদন্ত করে দেখা প্রয়োজন।

তদন্তভার ডিবিতে: পুলিশের প্রাথমিক বয়ান নিয়ে প্রশ্ন ওঠার মধ্যে সোমবার মামলাটির তদন্তভার কোতোয়ালি থানা থেকে মহানগর গোয়েন্দা বিভাগে দেওয়া হয়। নতুন তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে ডিবির পরিদর্শক জিন্নাত আলীকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

সোমবার বিকেলে আগের তদন্ত কর্মকর্তা কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মিলন চ্যাটার্জি ডিবি কার্যালয়ে গিয়ে মামলার নথিপত্র ও প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত নতুন তদন্ত কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তর করেন। পরে পুরোনো ও নতুন দুই তদন্ত কর্মকর্তা ঘটনাস্থল মাছুয়াপাড়ায় গণপতি চক্রবর্তীর বাড়িতে গিয়ে বিভিন্ন বিষয় পর্যালোচনা করেন।

ডিবির উপকমিশনার সনাতন চক্রবর্তী বলেন, মামলাটির প্রতিটি দিক পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে খতিয়ে দেখা হবে। প্রয়োজনীয় তথ্য-প্রমাণ যাচাই শেষে তদন্তের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

তিনি জানান, রোববার গভীর রাত পর্যন্ত গ্রেফতার দুই আসামি আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। আদালত থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, তাঁদের বক্তব্য পুলিশের সংবাদ সম্মেলনে তুলে ধরা ঘটনার সঙ্গে অনেকটাই সামঞ্জস্যপূর্ণ। তবে জবানবন্দিতে কিছু অতিরিক্ত তথ্যও তাঁরা দিয়েছেন, যা আগে পুলিশকে জানাননি।

চারজনের মরদেহ উদ্ধার, দুই যুবক গ্রেফতার: শনিবার রাতে রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়ায় নিজ বাড়ির দ্বিতীয় তলা থেকে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তাঁর স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী, মেয়ে আগামী চক্রবর্তী পার্থী ও ছেলে আয়ুষ চক্রবর্তী প্রিয়মের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। গণপতি চক্রবর্তী রংপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে অবসরে যাওয়ার পর তিনি হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক হিসেবেও রোগী দেখতেন। প্রায় দুই থেকে তিন বছর ধরে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ওই বাড়িতে বসবাস করছিলেন তিনি।

পুলিশ জানিয়েছে, চারজনকেই শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় একই এলাকার মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থ দাসকে গ্রেফতার করা হয়। তাঁরা সম্পর্কে মামাতো-ফুফাতো ভাই। রোববার ভোরে নগরের দখীগঞ্জ শ্মশান এলাকা থেকে তাঁদের আটক করা হয়। তাঁদের বাড়ি নিহত পরিবারের বাড়ির আশপাশে।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, মুগ্ধ দাস নগরের সিটি বাজারে মাছের দোকানে কাজ করেন। সিদ্ধার্থ দাস একটি জুয়েলারি দোকানে প্রায় আট বছর ধরে কারিগর হিসেবে কাজ করছেন। ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার আলামত ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তাঁদের শনাক্ত করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।

রোববার রাতে রংপুর মহানগর হাকিম রফিকুল ইসলামের আদালতে সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধ ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন বলে পুলিশ জানিয়েছে। জবানবন্দি গ্রহণ শেষে তাঁদের কারাগারে পাঠানো হয়।

হত্যাকাণ্ডের বিচার ও সুষ্ঠু তদন্তের দাবিতে রংপুর জিলা স্কুলের বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থী, মহানগর নাগরিক কমিটিসহ বিভিন্ন পক্ষ মানববন্ধন, বিক্ষোভ ও শোক মিছিল করেছে। আন্দোলনকারীরা পুলিশের প্রাথমিক বয়ানের বাইরে হত্যাকাণ্ডের সব সম্ভাব্য কারণ, জড়িত ব্যক্তিদের ভূমিকা এবং ঘটনাস্থলের সব আলামত নিরপেক্ষভাবে যাচাই করে প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটনের দাবি জানিয়েছেন।

রংপুরে চার হত্যাকাণ্ডের তদন্ত এখন ডিবির হাতে। শার্টের বিতর্ক, পুলিশের প্রাথমিক বয়ান নিয়ে প্রশ্ন এবং নানা পক্ষের অধিকতর তদন্তের দাবির মধ্যে নতুন তদন্ত কর্মকর্তার সামনে এখন মূল চ্যালেঞ্জ-আদালতে দেওয়া জবানবন্দি, ঘটনাস্থলের আলামত ও অন্যান্য তথ্য-প্রমাণ মিলিয়ে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ ও জড়িতদের ভূমিকা নির্ভুলভাবে উদ্ঘাটন করা।
সানা/ডিসি/আপ্র/২৫/৮/২০২৬
 

সংশ্লিষ্ট খবর

অনুমতি ছাড়াই ৩২৭ টন সরকারি সার বিক্রি, স্টোরকিপার আটক
২৫ আগস্ট ২০২৬

অনুমতি ছাড়াই ৩২৭ টন সরকারি সার বিক্রি, স্টোরকিপার আটক

দিনাজপুরে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএডিসি) সরকারি গুদাম থেকে কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়াই ৩২৭ ট...

মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি বাতিলের দাবিতে গোবিন্দগঞ্জে পথসভা
২৫ আগস্ট ২০২৬

মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি বাতিলের দাবিতে গোবিন্দগঞ্জে পথসভা

গোবিন্দগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি: গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি বাতিল, ঐতিহাসিক ফু...

জমির বিরোধে স্কুল মাঠে কাঁটাতার, বিপাকে শিক্ষার্থীরা
২৫ আগস্ট ২০২৬

জমির বিরোধে স্কুল মাঠে কাঁটাতার, বিপাকে শিক্ষার্থীরা

তারেক মাহমুদ: লক্ষ্মীপুরে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে ধর্মপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের খেলার মাঠের একাংশ কাঁটাতারের...

মেহেরপুরে গাঁজা সেবন, দুই যুবকের কারাদণ্ড
২৫ আগস্ট ২০২৬

মেহেরপুরে গাঁজা সেবন, দুই যুবকের কারাদণ্ড

মেহেরপুরে মাদকবিরোধী ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে গাঁজা সেবন ও সংরক্ষণের দায়ে দুই যুবককে দুই মাস করে ব...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

চাঁদাবাজদের সঙ্গে পুলিশ জড়িত থাকলেও তালিকা হবে

সারাদেশে চাঁদাবাজদের তালিকা তৈরির পাশাপাশি এ ধরনের অপকর্মের সঙ্গে জড়িত পুলিশ সদস্যদেরও তালিকা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। একই সঙ্গে ঢাকা মহানগরসহ দেশের সব মহানগর এলাকায় চিহ্নিত চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী ও মাদক কারবারিদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। তাঁদের ধরতে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মন্ত্রী। প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন মন্ত্রীর এই বক্তব্যে চাঁদাবাজিসহ অপরাধ কমবে?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 2 দিন আগে