২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের জন্য ইতিহাসের সর্বোচ্চ ৮৭১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (প্রায় ১০ হাজার ৬২৬ কোটি টাকা) পুরস্কার তহবিল ঘোষণা করেছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা। পারফরম্যান্সভিত্তিক পুরস্কারের পাশাপাশি অংশগ্রহণকারী প্রতিটি দলের জন্যও আলাদা আর্থিক সহায়তা রাখা হয়েছে।
ফিফার সর্বশেষ ঘোষণা অনুযায়ী, বিশ্বকাপজয়ী দল পাবে ৫১ মিলিয়ন ডলার (প্রায় ৬২২ কোটি টাকা)। রানার্সআপ দলের জন্য বরাদ্দ ৩৪ মিলিয়ন ডলার (প্রায় ৪১৫ কোটি টাকা)। তৃতীয় ও চতুর্থ স্থান অধিকারী দল যথাক্রমে ৩০ মিলিয়ন (প্রায় ৩৬৬ কোটি টাকা) এবং ২৮ মিলিয়ন ডলার (প্রায় ৩৪২ কোটি টাকা) পাবে।
এ ছাড়া কোয়ার্টার ফাইনালে বিদায় নেওয়া দলগুলো (৫ম–৮ম) পাবে ২০ মিলিয়ন ডলার (প্রায় ২৪৪ কোটি টাকা), শেষ ষোলোতে বিদায় নেওয়া দলগুলো (৯ম–১৬তম) ১৬ মিলিয়ন ডলার (প্রায় ১৯৫ কোটি টাকা), ১৭তম থেকে ৩২তম স্থানে থাকা দলগুলো ১২ মিলিয়ন ডলার (প্রায় ১৪৬ কোটি টাকা) এবং ৩৩তম থেকে ৪৮তম স্থানে থাকা দলগুলো পাবে ১০ মিলিয়ন ডলার (প্রায় ১২২ কোটি টাকা)।
পারফরম্যান্সভিত্তিক এই পুরস্কার বাবদ মোট ৭০৩ মিলিয়ন ডলার বিতরণ করবে ফিফা। বাকি ১৬৮ মিলিয়ন ডলার অংশগ্রহণকারী দলগুলোর মধ্যে পারফরম্যান্স নির্বিশেষে বণ্টন করা হবে।
এ ক্ষেত্রে প্রতিটি দল প্রস্তুতি ভাতা হিসেবে পাবে ২৫ লাখ ডলার (প্রায় ৩০ কোটি ৫০ লাখ টাকা)। পাশাপাশি অংশগ্রহণ ফি ও অন্যান্য অনুদান মিলিয়ে প্রতিটি দলের জন্য ন্যূনতম ১২ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলার (প্রায় ১৫৩ কোটি টাকা) নিশ্চিত করা হয়েছে।
ফিফা জানিয়েছে, প্রস্তুতি ভাতা প্রশিক্ষণ ক্যাম্প, ভ্রমণ ও অন্যান্য প্রস্তুতিমূলক ব্যয় নির্বাহে ব্যবহৃত হবে। অতিরিক্ত অনুদান ব্যয় করা যাবে প্রতিনিধিদলের ভ্রমণ, লজিস্টিকস, প্রশাসনিক খরচ এবং বরাদ্দকৃত টিকিট ব্যবস্থাপনায়। এর মাধ্যমে অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর মধ্যে আর্থিক বৈষম্য কমানোর লক্ষ্য নিয়েছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা।
এসি/আপ্র/১১/০৭/২০২৬