গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬

মেনু

প্রথম আলো ভবনে ব্যতিক্রমী শিল্পকর্ম প্রদর্শনী ‘আলো’

কোনো প্রতিষ্ঠানকে এভাবে গুঁড়িয়ে দেওয়াটা জবরদস্তি সংস্কৃতির অংশ

নিজেস্ব প্রতিবেদক

নিজেস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২১:০৪ পিএম, ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | আপডেট: ০০:৩৯ এএম ২০২৬
কোনো প্রতিষ্ঠানকে এভাবে গুঁড়িয়ে দেওয়াটা জবরদস্তি সংস্কৃতির অংশ
ছবি

মঙ্গলবার প্রথম আলো ভবনে আয়োজিত শিল্পকর্ম প্রদর্শনী ‘আলো’ দেখছিলেন দর্শনার্থীরা -ছবি সংগৃহীত

‘আমরা আসলেই মানুষ না, অমানুষ! এভাবে কেউ একটি ভবনকে ধ্বংস করে? আমার কিছু বলার নেই। ভাবতেও লজ্জা হচ্ছে যে, আমি মানুষ।’

রাজধানীর কারওয়ান বাজারে সংঘবদ্ধ উগ্রবাদীদের হামলা ও অগ্নিসংযোগের শিকার প্রথম আলো ভবনে মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে শিল্পকর্ম প্রদর্শনী ‘আলো’ দেখতে এসে এ কথা বলেন ক্যাননের পরিবেশক জেএএন অ্যাসোসিয়েটসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুল্লাহ এইচ কাফি। এদিন ছিল প্রদর্শনীর সপ্তম দিন।

দুপুরে প্রদর্শনী দেখতে আসেন শিল্পী ঢালী আল মামুন। তিনি শিল্পী মাহ্বুবুর রহমানের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, এই শিল্পকর্মে তথ্য, উপাত্ত, অর্থসহ অনেক কিছুর সংমিশ্রণ ঘটেছে। এসবের মাধ্যমে এ ঘটনা ইতিহাসের অংশ হয়েছে। তিনি মনে করেন, দর্শনার্থীরা যখন এই শিল্পকর্ম দেখছেন, তখন তাঁদের মধ্যেও একধরনের প্রতিক্রিয়া তৈরি হবে।

প্রথম আলোর অগ্নিদগ্ধ ভবন ঘুরে দেখে এই শিল্পী বলেন, ‘কোনো প্রতিষ্ঠানকে এভাবে আঘাত করা, গুঁড়িয়ে দেওয়াটা জবরদস্তি সংস্কৃতির অংশ। আর যেকোনো জবরদস্তিই সংকটজনক। যেটা আগেও হয়েছে, এখনো হচ্ছে।’ মঙ্গলবার প্রদর্শনী দেখতে আসেন আরেক চিত্রশিল্পী ওয়াকিলুর রহমান।

প্রথম আলো ভবনে চলছে ব্যতিক্রমী শিল্পকর্ম প্রদর্শনী ‘আলো’। এই শিল্প-আয়োজন দেখতে প্রতিদিন বিভিন্ন স্থান থেকে দর্শনার্থীরা আসছেন। পুড়ে যাওয়া কম্পিউটার, যন্ত্রাংশ, ভাঙা আসবাব ও বইপত্রের ধ্বংসাবশেষ দেখে অনেকেই আবেগতাড়িত হয়ে পড়ছেন।

গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে একদল উগ্রবাদী প্রথম আলো ভবনে হামলা করে ব্যাপক লুটপাট চালায়। এরপর ভবনে আগুন ধরিয়ে দেয়। অগ্নিদগ্ধ এই ভবনে ১৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হয়েছে বিশিষ্ট শিল্পী মাহ্বুবুর রহমানের শিল্প প্রদর্শনী ‘আলো’। অগ্নিদগ্ধ এই ভবনে আয়োজিত প্রদর্শনীটি চলবে ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। সবার জন্য খোলা থাকবে প্রতিদিন বেলা ১১টা থেকে ১টা এবং বেলা ৩টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত।
কারওয়ান বাজারে বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠানে কাজ করেন সগর মীর। তিনি জানান, প্রতিদিন অফিসে যাওয়ার পথে প্রথম আলোর অগ্নিদগ্ধ ভবনকে দেখে তিনি আবেগতাড়িত হন। তবে মঙ্গলবার ভেতরে প্রদর্শনী দেখতে এসে এই ধ্বংসস্তূপ তাঁকে স্তব্ধ করছে। তিনি দাবি জানান, যারা মব করে ভবন ধ্বংস করেছে, তাদের বিরুদ্ধে এখনই আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। কারণ, বিচার না হলে আজ প্রথম আলো, কাল অন্য কারো ওপরে আক্রমণ হবে।
সানা/আপ্র/২৪/২/২০২৬

 

 

সংশ্লিষ্ট খবর

ডিসি ৩১ জানুয়ারি আর ডিসেম্বরে প্রথম ইউএনও সম্মেলন
২০ অক্টোবর ২০২৬

ডিসি ৩১ জানুয়ারি আর ডিসেম্বরে প্রথম ইউএনও সম্মেলন

প্রথমবারের মতো উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের (ইউএনও) নিয়ে সম্মেলন আয়োজনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। আগামী...

মহানবমীর প্রার্থনায় শান্তি, সম্প্রীতি ও অশুভ শক্তির বিনাশ কামনা
২০ অক্টোবর ২০২৬

মহানবমীর প্রার্থনায় শান্তি, সম্প্রীতি ও অশুভ শক্তির বিনাশ কামনা

দেবী দুর্গার কাছে অশুভ শক্তির বিনাশ, দেশ ও জাতির শান্তি-সমৃদ্ধি এবং সব ধর্মের মানুষের মধ্যে সম্প্রীত...

ধর্মীয়সম্প্রীতি ও সমানাধিকারের বার্তা নিয়ে রংপুরে দুর্গাপূজা মণ্ডপ পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী
২০ অক্টোবর ২০২৬

ধর্মীয়সম্প্রীতি ও সমানাধিকারের বার্তা নিয়ে রংপুরে দুর্গাপূজা মণ্ডপ পরিদর্শনে প্র...

রংপুরের ঐতিহ্যবাহী রাধা গোবিন্দ ধর্মসভা মন্দিরের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শারদীয়...

প্রধানমন্ত্রীর উপহার পেয়ে উচ্ছ্বসিত শিক্ষার্থীরা
২০ অক্টোবর ২০২৬

প্রধানমন্ত্রীর উপহার পেয়ে উচ্ছ্বসিত শিক্ষার্থীরা

শারদীয় দুর্গোৎসবে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে রংপুর যাওয়ার পথে সৈয়দপুর সরকারি বিজ্ঞান কলেজের শিক্ষার্থীদের স...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

বাংলাদেশের মতো সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিশ্বের কোথাও নেই: রাষ্ট্রপতি

বাংলাদেশে বিদ্যমান সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দৃষ্টান্ত বিশ্বের অন্য কোথাও নেই বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, বিশ্বজুড়ে যখন হানাহানি ও হিংসার আগুন জ্বলছে, তখন বাংলাদেশে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ দুর্গাপূজা উদযাপন করতে পারছেন। রোববার (১৮ অক্টোবর) শারদীয় দুর্গোৎসব ও বিজয়া দশমী ২০২৬ উপলক্ষ্যে ঢাকার রমনা কালীমন্দির পরিদর্শনকালে রাষ্ট্রপতি এসব কথা বলেন। প্রিয় পাঠক, আপনি কি রাষ্ট্রপতির এই বক্তব্যের সঙ্গে একমত?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 1 দিন আগে