গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মেনু

প্রথম আলো ভবনে ব্যতিক্রমী শিল্পকর্ম প্রদর্শনী ‘আলো’

কোনো প্রতিষ্ঠানকে এভাবে গুঁড়িয়ে দেওয়াটা জবরদস্তি সংস্কৃতির অংশ

নিজেস্ব প্রতিবেদক

নিজেস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২১:০৪ পিএম, ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | আপডেট: ০২:১৪ এএম ২০২৬
কোনো প্রতিষ্ঠানকে এভাবে গুঁড়িয়ে দেওয়াটা জবরদস্তি সংস্কৃতির অংশ
ছবি

মঙ্গলবার প্রথম আলো ভবনে আয়োজিত শিল্পকর্ম প্রদর্শনী ‘আলো’ দেখছিলেন দর্শনার্থীরা -ছবি সংগৃহীত

‘আমরা আসলেই মানুষ না, অমানুষ! এভাবে কেউ একটি ভবনকে ধ্বংস করে? আমার কিছু বলার নেই। ভাবতেও লজ্জা হচ্ছে যে, আমি মানুষ।’

রাজধানীর কারওয়ান বাজারে সংঘবদ্ধ উগ্রবাদীদের হামলা ও অগ্নিসংযোগের শিকার প্রথম আলো ভবনে মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে শিল্পকর্ম প্রদর্শনী ‘আলো’ দেখতে এসে এ কথা বলেন ক্যাননের পরিবেশক জেএএন অ্যাসোসিয়েটসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুল্লাহ এইচ কাফি। এদিন ছিল প্রদর্শনীর সপ্তম দিন।

দুপুরে প্রদর্শনী দেখতে আসেন শিল্পী ঢালী আল মামুন। তিনি শিল্পী মাহ্বুবুর রহমানের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, এই শিল্পকর্মে তথ্য, উপাত্ত, অর্থসহ অনেক কিছুর সংমিশ্রণ ঘটেছে। এসবের মাধ্যমে এ ঘটনা ইতিহাসের অংশ হয়েছে। তিনি মনে করেন, দর্শনার্থীরা যখন এই শিল্পকর্ম দেখছেন, তখন তাঁদের মধ্যেও একধরনের প্রতিক্রিয়া তৈরি হবে।

প্রথম আলোর অগ্নিদগ্ধ ভবন ঘুরে দেখে এই শিল্পী বলেন, ‘কোনো প্রতিষ্ঠানকে এভাবে আঘাত করা, গুঁড়িয়ে দেওয়াটা জবরদস্তি সংস্কৃতির অংশ। আর যেকোনো জবরদস্তিই সংকটজনক। যেটা আগেও হয়েছে, এখনো হচ্ছে।’ মঙ্গলবার প্রদর্শনী দেখতে আসেন আরেক চিত্রশিল্পী ওয়াকিলুর রহমান।

প্রথম আলো ভবনে চলছে ব্যতিক্রমী শিল্পকর্ম প্রদর্শনী ‘আলো’। এই শিল্প-আয়োজন দেখতে প্রতিদিন বিভিন্ন স্থান থেকে দর্শনার্থীরা আসছেন। পুড়ে যাওয়া কম্পিউটার, যন্ত্রাংশ, ভাঙা আসবাব ও বইপত্রের ধ্বংসাবশেষ দেখে অনেকেই আবেগতাড়িত হয়ে পড়ছেন।

গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে একদল উগ্রবাদী প্রথম আলো ভবনে হামলা করে ব্যাপক লুটপাট চালায়। এরপর ভবনে আগুন ধরিয়ে দেয়। অগ্নিদগ্ধ এই ভবনে ১৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হয়েছে বিশিষ্ট শিল্পী মাহ্বুবুর রহমানের শিল্প প্রদর্শনী ‘আলো’। অগ্নিদগ্ধ এই ভবনে আয়োজিত প্রদর্শনীটি চলবে ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। সবার জন্য খোলা থাকবে প্রতিদিন বেলা ১১টা থেকে ১টা এবং বেলা ৩টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত।
কারওয়ান বাজারে বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠানে কাজ করেন সগর মীর। তিনি জানান, প্রতিদিন অফিসে যাওয়ার পথে প্রথম আলোর অগ্নিদগ্ধ ভবনকে দেখে তিনি আবেগতাড়িত হন। তবে মঙ্গলবার ভেতরে প্রদর্শনী দেখতে এসে এই ধ্বংসস্তূপ তাঁকে স্তব্ধ করছে। তিনি দাবি জানান, যারা মব করে ভবন ধ্বংস করেছে, তাদের বিরুদ্ধে এখনই আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। কারণ, বিচার না হলে আজ প্রথম আলো, কাল অন্য কারো ওপরে আক্রমণ হবে।
সানা/আপ্র/২৪/২/২০২৬

 

 

সংশ্লিষ্ট খবর

জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় বিকল্প উৎস খুঁজছে সরকার: শামা ওবায়েদ
০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় বিকল্প উৎস খুঁজছে সরকার: শামা ওবায়েদ

দেশের জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকার বিকল্প উৎস খুঁজছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবা...

ভিডিও কলে স্বজনদের সঙ্গে কথা বলবেন কারাবন্দিরা
০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ভিডিও কলে স্বজনদের সঙ্গে কথা বলবেন কারাবন্দিরা

কারাগারে বন্দিজীবনে স্বজনদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের সুযোগ বাড়াতে চালু হচ্ছে ভিডিও কল সুবিধা। ইতোমধ্য...

আইনের সীমাবদ্ধতায় অপরাধীরা বারবার ফিরছে: আইজিপি
০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আইনের সীমাবদ্ধতায় অপরাধীরা বারবার ফিরছে: আইজিপি

মাদক ও ছিনতাইবিরোধী অভিযানে অনেক অপরাধীকে একাধিকবার আইনের আওতায় আনা হলেও আইনের বিভিন্ন সীমাবদ্ধতার ক...

আধুনিকায়ন হচ্ছে ইস্টার্ন রিফাইনারি, বছরে তেল শোধন হবে ৪৫ লাখ টন
০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আধুনিকায়ন হচ্ছে ইস্টার্ন রিফাইনারি, বছরে তেল শোধন হবে ৪৫ লাখ টন

দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার এবং পরিশোধিত তেলে আমদানি নির্ভরতা কমাতে ইস্টার্ন রিফাইনারির আধুনিকায়...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

র‌্যাব বিলুপ্ত করে এসআরবি গঠনের বিল সংসদে

র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন বিলুপ্ত করে পুলিশের আওতাধীন ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন’ নামে নতুন একটি বিশেষায়িত ইউনিট গঠনের বিধান রেখে ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন আইন, ২০২৬’-এর বিল জাতীয় সংসদে উত্থাপন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনের চতুর্থ দিনে বিলটি সংসদে উত্থাপন করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। এ সময় সংসদের বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। প্রিয় পাঠক, আপনি মনে করেন র‌্যাব বিলুপ্তির এই উদ্যোগ সঠিক?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 1 দিন আগে