গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
রোববার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬

মেনু

শ্যামাপূজা ও দীপাবলির আলোয় মাতোয়ারা হিন্দু সম্প্রদায়

নিজেস্ব প্রতিবেদক

নিজেস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২২:১২ পিএম, ০৮ নভেম্বর ২০২৬ | আপডেট: ২৩:০১ এএম ২০২৬
শ্যামাপূজা ও দীপাবলির আলোয় মাতোয়ারা হিন্দু সম্প্রদায়
ছবি

শ্যামাপূজা বা কালীপূজা ও দীপাবলি

হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব শ্যামাপূজা বা কালীপূজা ও দীপাবলি রোববার (৮ নভেম্বর) শুরু হয়েছে। কার্তিক মাসের অমাবস্যা তিথিতে শক্তি ও শান্তির দেবী শ্যামা মায়ের আরাধনায় রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে মন্দির ও মণ্ডপে নেওয়া হয়েছে নানা আয়োজন। দুই দিনের এ উৎসব সোমবারও চলবে।

বাঙালি সংস্কৃতিতে কালীপূজা ও দীপাবলির বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। বাংলাদেশে বাঙালি হিন্দুদের কাছে উৎসবটি ‘দীপাবলি’ নামে পরিচিত। অবাঙালি হিন্দু সম্প্রদায়ের কাছে এটি ‘দিওয়ালি’ নামে পরিচিত। ধর্মীয় এ আয়োজনকে অনেকে ‘দীপান্বিতা কালীপূজা’ও বলেন। অশুভ ও অকল্যাণের প্রতীক অন্ধকার দূর করে শুভ ও কল্যাণ প্রতিষ্ঠার প্রত্যয়ে শত শত বছর ধরে এ উৎসব পালিত হয়ে আসছে। বাঙালি, অসমীয়া ও ওড়িয়া হিন্দুরা কার্তিকের অমাবস্যা তিথিতে কালীপূজা করেন।

রোববার রাতে মূল পূজা ও দীপ প্রজ্বালনের মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে এ উৎসব। পঞ্জিকা অনুযায়ী, অমাবস্যা তিথি সোমবার পর্যন্ত থাকবে। তবে পঞ্জিকাভেদে তিথি শুরুর ও শেষের সময়ে কিছুটা পার্থক্য রয়েছে। ঢাকার সময় অনুযায়ী একটি পঞ্জিকায় রোববার সকাল ১১টা ৫৮ মিনিটে তিথি শুরু হয়ে সোমবার দুপুর ১টা ২ মিনিটে শেষ হওয়ার কথা বলা হয়েছে। অন্য প্রচলিত পঞ্জিকায় সময়ের কিছুটা পার্থক্য রয়েছে। ঢাকায় নিশীথকাল বা মধ্যরাতের বিশেষ পূজার সময় রাত ১১টা ১৬ মিনিট থেকে ১২টা ৮ মিনিট পর্যন্ত।

কালীপূজা সাধারণত মধ্যরাতে অনুষ্ঠিত হয়। সন্ধ্যায় হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা বাড়ি, মন্দির ও শ্মশানে প্রদীপ প্রজ্বালন করেন। এ সময় প্রয়াত পিতা-মাতা ও স্বজনদের স্মরণ করার রীতিও রয়েছে। একই অমাবস্যা তিথিতে অনেকে লক্ষ্মীপূজাও করেন। প্রদীপের আলোয় অন্ধকার দূর করে শুভ ও কল্যাণের প্রত্যাশাই দীপাবলি উৎসবের অন্যতম তাৎপর্য।

উৎসব উপলক্ষে রাজধানীর ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির, রমনা মন্দির, রামকৃষ্ণ মিশন ও মঠ, সিদ্ধেশ্বরী কালীমন্দির, সবুজবাগ থানাধীন শ্রীশ্রী বরদেশ্বরী কালীমাতা মন্দির, পুরান ঢাকার রাধাগোবিন্দ জিউ ঠাকুর মন্দির, পোস্তগোলা মহাশ্মশান, তাঁতীবাজার, শাঁখারীবাজার ও বাংলাবাজারসহ বিভিন্ন মন্দির ও মণ্ডপে পূজার আয়োজন করা হয়েছে। এসব স্থানে পূজা, আরতি, প্রদীপ প্রজ্বালন ও ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতায় অংশ নিচ্ছেন ভক্তরা।

দুই দিনের এ উৎসবকে ঘিরে হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে বিরাজ করছে আনন্দ ও উৎসবের আমেজ। ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও আলোকসজ্জার মধ্য দিয়ে সোমবারও বিভিন্ন স্থানে দীপাবলির আয়োজন অব্যাহত থাকবে। অবশ্য ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে এই পূজার আনুষ্ঠানিকতা আরো কয়েকদিন ধরে চলবে।
সানা/আপ্র/৮/১১/২০২৬

 

 

সংশ্লিষ্ট খবর

সংসদের চতুর্থ অধিবেশন শুরু সোমবার, চলবে ১৮ নভেম্বর পর্যন্ত
০৮ নভেম্বর ২০২৬

সংসদের চতুর্থ অধিবেশন শুরু সোমবার, চলবে ১৮ নভেম্বর পর্যন্ত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের চতুর্থ অধিবেশন শুরু হচ্ছে আগামীকাল সোমবার। অধিবেশন চলবে ১৮ নভেম্বর পর্যন্ত। সাপ...

সমবায় আন্দোলনকে পুনরুজ্জীবিত করতে রাষ্ট্রপতির আহ্বান
০৮ নভেম্বর ২০২৬

সমবায় আন্দোলনকে পুনরুজ্জীবিত করতে রাষ্ট্রপতির আহ্বান

সমবায় আন্দোলনকে পুনরুজ্জীবিত করতে সমবায় সমিতিগুলোকে দুর্নীতিমুক্ত করা, সক্ষমতা বাড়ানো, উৎপাদিত পণ্যে...

দেশের ২৯তম পররাষ্ট্র সচিব হলেন সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী
০৮ নভেম্বর ২০২৬

দেশের ২৯তম পররাষ্ট্র সচিব হলেন সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী

বাংলাদেশের ২৯তম পররাষ্ট্র সচিব হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন কূটনীতিক সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী। রোববার (৮ নভে...

মালয়েশিয়ায় বিনা খরচে চাকরির সুযোগ, লটারিতে নির্বাচিত ৩০০
০৮ নভেম্বর ২০২৬

মালয়েশিয়ায় বিনা খরচে চাকরির সুযোগ, লটারিতে নির্বাচিত ৩০০

মালয়েশিয়ায় বিনা অভিবাসন ব্যয়ে চাকরির সুযোগ পেতে লটারির মাধ্যমে প্রাথমিকভাবে ৩০০ জন কর্মী নির্বাচিত হ...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

গণহত্যাকারীদের আর রাজনীতি করতে দেবে না জনগণ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

দেশে গণহত্যা, হত্যাকাণ্ড ও আলেম-ওলামাদের ওপর নির্যাতনের সঙ্গে জড়িত ফ্যাসিবাদী শক্তিকে জনগণ আর রাজনীতি করতে দেবে না বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেছেন, গণ-অভ্যুত্থানের মুখে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়া এবং এখনো নিজেদের কর্মকাণ্ডের জন্য অনুশোচনা প্রকাশ না করা ব্যক্তিরা বাংলাদেশে ফিরে রাজনীতি করতে পারবেন না। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) দুপুরে চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার নাজিরহাট পৌরসভায় আল-জামিয়াতুল ইসলামিয়া আজিজুল উলুম বাবুনগরী মাদ্রাসার ১০৪তম বার্ষিক দ্বীনি মহাসম্মেলন ও দস্তারবন্দী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। প্রিয় পাঠক, মন্ত্রীর এই বক্তব্য সঠিক বলে মনে করেন?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 1 দিন আগে