বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডি ও ম্যানেজিং কমিটিতে রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত বা দলীয় পদে থাকা ব্যক্তিদের নির্বাচন, মনোনয়ন ও অনুমোদনের ক্ষেত্রে অযোগ্য ঘোষণা করা হবে কি না—তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।
একই সঙ্গে এসব কমিটিতে স্থানীয়ভাবে স্বীকৃত শিক্ষানুরাগী, অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক, সৎ ও সমাজে গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিত্ব, মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষাবিদ, আইনজীবী, চিকিৎসকসহ বিশিষ্ট নাগরিকদের অন্তর্ভুক্তির সুযোগ নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় বিধান প্রণয়নের নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না, তাও জানতে চেয়েছেন আদালত।
এ বিষয়ে বিচারিক নির্দেশনা জারি করা হবে কি না, রুলে সেই বিষয়েও জানতে চাওয়া হয়েছে।
সোমবার (২০ জুলাই) এ সংক্রান্ত এক রিট আবেদনের শুনানি শেষে বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।
আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মো. নাদির খান ও মো. সোহেল রানা।
এর আগে গত ৭ জুন একজন অভিভাবকের পক্ষে জনস্বার্থে রিট আবেদন করেন রুবেল মিয়া। তার পক্ষে আইনজীবী নাদির খান হাইকোর্টে এ আবেদন দায়ের করেন।
রিট আবেদনে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডি ও ম্যানেজিং কমিটি প্রবিধানমালা, ২০২৪-এর বিধি ৭ সংশোধন অথবা দেশের সব শিক্ষা বোর্ডের জন্য নতুন বিধিমালা প্রণয়নের নির্দেশনা চাওয়া হয়।
রিটে বলা হয়, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিচালনা কমিটিতে রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত বা দলীয় পদধারী ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর নিরপেক্ষতা, জবাবদিহি ও সুশাসনের ক্ষেত্রে প্রশ্ন তৈরি করতে পারে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক কার্যক্রমকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রাখতে এসব কমিটিতে সমাজে গ্রহণযোগ্য, সৎ ও শিক্ষার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
আদালত রুলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে বলেছেন। রুলের জবাব পাওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে পরবর্তী আদেশ দেবেন হাইকোর্ট।
সানা/আপ্র/২১/৭/২০২৬