গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মেনু

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে পাঁচ দফা প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রকাশিত: ০১:০৩ পিএম, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | আপডেট: ০২:০৭ এএম ২০২৬
রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে পাঁচ দফা প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের
ছবি

বুধবার স্থানীয় সময় বেলা ১১টায় নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরের ১১ নম্বর কক্ষে রোহিঙ্গা সংকটবিষয়ক এক উচ্চপর্যায়ের পার্শ্ব-অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান -ছবি পিএমওর সৌজন্যে

বাংলাদেশে আশ্রিত রোহিঙ্গাদের দ্রুত, নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসইভাবে মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনে আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক অংশীজনদের একটি সুস্পষ্ট ও বিশ্বাসযোগ্য রোডম্যাপ প্রণয়নের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে রোহিঙ্গাদের নিজ ভূমিতে মৌলিক অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, সহিংসতা বন্ধ, পর্যাপ্ত ও পূর্বানুমেয় মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখা, ন্যায়বিচার ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা এবং আন্তসীমান্ত অপরাধ মোকাবিলায় আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদারের জন্য পাঁচ দফা প্রস্তাব তুলে ধরেছেন তিনি।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সময় বেলা ১১টায় নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরের ১১ নম্বর কক্ষে রোহিঙ্গা সংকটবিষয়ক এক উচ্চপর্যায়ের পার্শ্ব-অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এসব প্রস্তাব দেন। বাংলাদেশ ও গাম্বিয়ার যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে বাংলাদেশ ছাড়াও যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, তুরস্ক, মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। খবর বাসস-এর।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমরা চাই তারা নিরাপদে, স্বেচ্ছায়, মর্যাদার সঙ্গে এবং তাদের অধিকার সুরক্ষিত রেখে মিয়ানমারে নিজ ঘরে ফিরে যাক। বাংলাদেশ মানবিকতার সঙ্গে তার দায়িত্ব পালন করেছে। এখন আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কেও দৃঢ় প্রত্যয়ের সঙ্গে তার দায়িত্ব পালন করতে হবে।”

প্রয়োজনীয় পরিস্থিতি সৃষ্টি করা হলে বাংলাদেশ রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে সহায়তা করতে প্রস্তুত বলেও জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর পাঁচ প্রস্তাব
প্রথমত, আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক অংশীজনদের রোহিঙ্গাদের দ্রুত, নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনের জন্য একটি সুস্পষ্ট ও বিশ্বাসযোগ্য রোডম্যাপ প্রণয়ন করতে হবে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ও সংশ্লিষ্ট রাষ্ট্রগুলোকে স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টায় সহায়তা করতে হবে এবং নিজেদের প্রভাব কাজে লাগিয়ে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে প্রত্যাবাসনের অনুকূল পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে হবে।

দ্বিতীয়ত, রোহিঙ্গাসহ মিয়ানমারের বেসামরিক জনগণের ওপর সহিংসতা বন্ধ করতে হবে। রোহিঙ্গাদের নিজ ভূমিতে মৌলিক অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে, যাতে তারা নিজ দেশে ফিরে যাওয়ার বিষয়ে আস্থা ফিরে পান।

তৃতীয়ত, রোহিঙ্গাদের জন্য পর্যাপ্ত ও পূর্বানুমেয় মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে আশ্রয়দাতা স্থানীয় জনগোষ্ঠীকেও প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে হবে, যাতে রোহিঙ্গাদের উদারভাবে আশ্রয় দেওয়ার কারণে কক্সবাজারের স্থানীয় মানুষের উন্নয়নের আকাঙ্ক্ষা বাধাগ্রস্ত না হয়।

চতুর্থত, টেকসই প্রত্যাবাসনের জন্য ন্যায়বিচার ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে। আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে জবাবদিহি নিশ্চিতের প্রচেষ্টায় গাম্বিয়ার নেতৃত্বের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথাও উল্লেখ করেন। গুরুতর অপরাধের জন্য দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনা এবং আন্তর্জাতিক বিচারিক ও তদন্ত ব্যবস্থাগুলোকে অব্যাহত সহায়তার আহ্বান জানান তিনি।

পঞ্চমত, মাদকভিত্তিক অর্থনীতি, মানবপাচার, ডিজিটাল প্রতারণা, অবৈধ অস্ত্র ও অন্যান্য আন্তসীমান্ত অপরাধ মোকাবিলায় আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা আরও জোরদার করতে হবে।

তারেক রহমান বলেন, “এখন সহমর্মিতা থেকে সংকটের মূল কারণ ও তার সমাধান খোঁজার পথে এগিয়ে যাওয়ার সময় এসেছে। প্রতিশ্রুতি থেকে কার্যকর পদক্ষেপে যাওয়ার সময় এসেছে। বাস্তুচ্যুতি ব্যবস্থাপনা থেকে এই বাস্তুচ্যুতির অবসান ঘটানোর দিকে এগিয়ে যাওয়ার সময় এসেছে।”

মানবিকতার তাগিদে সীমান্ত খুলেছিল বাংলাদেশ
রোহিঙ্গাদের দীর্ঘদিনের নিপীড়ন ও বঞ্চনার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কয়েক দশক ধরে মিয়ানমারে রোহিঙ্গারা বৈষম্য, নিপীড়ন ও বঞ্চনার শিকার হয়ে আসছে। ১৯৭৮ সাল থেকে বিভিন্ন সময়ে বাংলাদেশ রোহিঙ্গাদের বড় বড় ঢল প্রত্যক্ষ করেছে। ১৯৮০-এর দশকেও রোহিঙ্গাদের কয়েকটি বড় দফার আগমন ঘটে। তৎকালীন বিভিন্ন সরকারের সময়ে কিছু রোহিঙ্গাকে প্রত্যাবাসনের ব্যবস্থাও করা হয়েছিল।

তবে ২০১৭ সালে মিয়ানমারে সহিংসতার পর সংকটের আরও অবনতি ঘটে। নয় বছরেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশ বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে মানবিক দায়িত্ব পালন করে আসছে। বর্তমানে দেশে ১২ লাখের বেশি রোহিঙ্গা অবস্থান করছে। মিয়ানমারে চলমান সহিংসতার কারণে এখনো মানুষ সেখান থেকে পালিয়ে আসছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রতিবছর শিবিরগুলোতে হাজার হাজার শিশুর জন্ম হচ্ছে। এর ফলে দীর্ঘস্থায়ী বাস্তুচ্যুতির সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে নতুন আরেকটি প্রজন্ম। মায়েরা সন্তানদের নিরাপদ ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখছেন, তরুণেরা অনিশ্চয়তার মধ্যে বেড়ে উঠছেন এবং প্রবীণেরা ফেলে আসা ঘরবাড়ি ও গ্রামের স্মৃতি বুকে নিয়ে নিজ ভূমিতে ফিরে যাওয়ার আকাঙ্ক্ষা পোষণ করছেন।

“মানবিকতার তাগিদেই বাংলাদেশ তার সীমান্ত খুলে দিয়েছিল”—বলে উল্লেখ করেন তিনি।

রোহিঙ্গাদের জন্য বাংলাদেশের নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিবিরগুলোতে খাদ্য ও স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া হচ্ছে। প্রায় ছয় হাজার লার্নিং সেন্টারের মাধ্যমে রোহিঙ্গা শিশুদের মিয়ানমারের পাঠ্যক্রমভিত্তিক শিক্ষা দেওয়া হচ্ছে। তরুণদের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে, যাতে ভবিষ্যতে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে তাদের পুনঃএকীভূত হওয়ার জন্য প্রস্তুত করা যায়।

তিনি বলেন, শিবিরগুলোর পরিস্থিতি উন্নত করতে বাংলাদেশ সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তবে দীর্ঘ সময় বসবাসের জন্য এসব শিবির কোনো আদর্শ স্থান নয়।

মানবিক সহায়তা কমছে
দীর্ঘস্থায়ী বাস্তুচ্যুতির কারণে বাংলাদেশের ওপর সামাজিক, অর্থনৈতিক, পরিবেশগত ও নিরাপত্তাজনিত চাপ ক্রমেই বাড়ছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এর মাশুল শুধু রোহিঙ্গাদের নয়, কক্সবাজারের আশ্রয়দাতা স্থানীয় জনগোষ্ঠীকেও দিতে হচ্ছে।

দীর্ঘস্থায়ী অনিশ্চয়তা ও হতাশা থেকে মানবপাচার, অবৈধ অভিবাসী পাচার, মাদকপাচারসহ বিভিন্ন আন্তদেশীয় অপরাধ ও নিরাপত্তাঝুঁকি তৈরি হচ্ছে বলেও জানান তিনি। অনেকে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নৌকায় করে মালয়েশিয়ার উদ্দেশে পাড়ি দিচ্ছেন। একটি দেশে অমীমাংসিত থেকে যাওয়া সংকট পুরো অঞ্চলের জন্য নিরাপত্তাজনিত চ্যালেঞ্জে পরিণত হতে পারে বলে সতর্ক করেন প্রধানমন্ত্রী।

মানবিক সহায়তা সংকুচিত হয়ে আসায় উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, প্রয়োজন যত বাড়ছে, মানবিক সহায়তার জীবনরেখা ততই সংকুচিত হচ্ছে। ২০২৫ সালের যৌথ সাড়াদান পরিকল্পনায় ৯৩৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি সহায়তার আবেদন জানানো হয়েছিল। ২০২৬ সালের জন্য সেই আবেদন কমিয়ে প্রায় ৭১০ মিলিয়ন ডলারে নামিয়ে আনা হয়েছে, যা দিয়ে কেবল ন্যূনতম জীবনরক্ষাকারী প্রয়োজন মেটানো সম্ভব।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে না। বাংলাদেশের পাশে অব্যাহতভাবে দাঁড়িয়ে থাকা আন্তর্জাতিক অংশীদারদের প্রতি আমরা গভীরভাবে কৃতজ্ঞ। এখন আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে আমাদের তাদের সহায়তা বেশি প্রয়োজন।”

জাতিসংঘের ২০২৫-২৬ সালের যৌথ সাড়াদান পরিকল্পনাতেও ২০২৬ সালের জন্য ৭১০ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলার প্রয়োজনের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

তারেক রহমান বলেন, মানবিক সহায়তার উদারতা রাজনৈতিক নিষ্ক্রিয়তার অজুহাত হতে পারে না। একইভাবে অনির্দিষ্টকাল ধরে কেবল বাংলাদেশই এই দায়িত্ব বহন করবে, এমন প্রত্যাশাও করা যায় না।

সংকটের সমাধান মিয়ানমারেই
রোহিঙ্গা সংকটের উৎপত্তি মিয়ানমারে এবং এর টেকসই সমাধানও মিয়ানমারেই নিহিত বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী।

রাখাইন রাজ্যের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, রোহিঙ্গারা এখনো জোরপূর্বক নিয়োগ, নির্বিচারে আটক, চলাচলে বিধিনিষেধ, জোরপূর্বক শ্রম এবং অন্যান্য ধরনের নিরাপত্তাহীনতা ও নির্যাতনের শিকার হচ্ছে। মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী এবং আরাকান আর্মি- উভয়ের বিরুদ্ধেই গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ রয়েছে। ফলে সেখানে এখনো নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের উপযোগী পরিবেশ তৈরি হয়নি।

বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আসুন আমরা একসঙ্গে নিশ্চিত করি রোহিঙ্গাদের ভাগ্য যেন নিপীড়ন, বিতাড়ন ও বাস্তুচ্যুতির আরেকটি গল্প হয়ে না থাকে। বরং তা হয়ে উঠুক ন্যায়বিচার, মর্যাদা ও আশার গল্প। আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল, এই গল্পের সূচনা হোক এখনই।”

বৈঠকে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি খলিলুর রহমান, জাতিসংঘ মহাসচিবের মিয়ানমারবিষয়ক বিশেষ দূত জুলি বিশপ এবং গাম্বিয়ার ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ বি এস জালো বক্তব্য দেন। জাতিসংঘের শরণার্থী-বিষয়ক হাইকমিশনার বারহাম ছালিহ মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন। বৈঠক পরিচালনা করেন জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান।
সানা/আপ্র/২৪/৯/২০২৬

 

সংশ্লিষ্ট খবর

স্বাস্থ্য খাত আধুনিকায়নে গেটস ফাউন্ডেশনের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর আলোচনা
২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

স্বাস্থ্য খাত আধুনিকায়নে গেটস ফাউন্ডেশনের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর আলোচনা

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে গেটস ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মার্ক সুজম্যানের বৈঠক হ...

ট্রাম্প-শি বৈঠকের আগে চার ‘রেড লাইন’ চীনের
২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ট্রাম্প-শি বৈঠকের আগে চার ‘রেড লাইন’ চীনের

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে শীর্ষ বৈঠকের আগে চীনের চারটি ‘রেড লাইন’ বা অলঙ্ঘন...

জাতিসংঘের ওপর আস্থা হারিয়েছে বিশ্ব: ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী
২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জাতিসংঘের ওপর আস্থা হারিয়েছে বিশ্ব: ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

বিশ্বে শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে কার্যকর ভূমিকা রাখতে ব্যর্থ হওয়ায় জাতিসংঘের ওপর বিশ্ববাসীর আস্থ...

জাতিসংঘে ট্রাম্পের ভাষণে বিভ্রান্তিকর যত তথ্য-দাবি
২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জাতিসংঘে ট্রাম্পের ভাষণে বিভ্রান্তিকর যত তথ্য-দাবি

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের প্রথম দিনে ৩৭ মিনিটের ভাষণ দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

বাস ভাড়া বাড়লো কিলোমিটারে ১৭ পয়সা, প্রজ্ঞাপনের আগেই বাড়তি আদায়

জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর পর সরকারি প্রজ্ঞাপন জারির আগেই রাজধানীসহ বিভিন্ন রুটে বাসভাড়া বাড়িয়ে দিয়েছেন পরিবহনকর্মীদের কেউ কেউ। কোথাও ১০ টাকার ভাড়া নেওয়া হচ্ছে ১৫ টাকা, কোথাও প্রতি স্টপেজে পাঁচ টাকা করে বেশি নেওয়া হচ্ছে। দূরপাল্লার বাসেও গন্তব্যভেদে ৫০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত বাড়তি ভাড়া নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অথচ সরকার ও সড়ক পরিবহন মালিকপক্ষ প্রতি কিলোমিটারে ১৭ পয়সা ভাড়া বাড়ানোর বিষয়ে একমত হয়েছে। প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন বাস ভাড়ার এই নৈরাজ্য সরকার নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে?

মোট ভোট: ০ | শেষ আপডেট: 1 দিন আগে