গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মেনু

গল্পের টানে এআই ড্রামায় আটকে যাচ্ছে মানুষ

বিনোদন ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

প্রকাশিত: ২০:৩৮ পিএম, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | আপডেট: ২১:২৯ এএম ২০২৬
গল্পের টানে এআই ড্রামায় আটকে যাচ্ছে মানুষ
ছবি

ছবি সংগৃহীত

ফেসবুক খুললেই ইদানীং চোখে পড়ছে ছোট ছোট নাটক। কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই শুরু হচ্ছে প্রেম, প্রতারণা, পারিবারিক দ্বন্দ্ব, রহস্য কিংবা প্রতিশোধের গল্প। প্রধান চরিত্র কখনো বড় প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী, কখনো মাফিয়া, আবার কখনো ফ্যান্টাসির কোনো চরিত্র। দ্রুত সংলাপ, নাটকীয় অভিব্যক্তি আর সম্পর্কের টানাপোড়েনে গল্প এগিয়ে যায়। 

এরপর এমন এক জায়গায় গিয়ে ভিডিও থেমে যায়, যেখানে দর্শকের মনে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন জাগে—এরপর কী হলো? সেই উত্তর জানতে পরের পর্বে যেতে আবার স্ক্রল করতে হয় কিংবা পর্দায় একটি স্পর্শ করতে হয়।


গত কয়েক দিনে ফেসবুকে আলোচনায় আসা ‘ডন লুকা ও নোরা’ এমনই একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর নাটকের উদাহরণ। কয়েক মাস ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ ধরনের ছোট নাটক দেখা গেলেও এখন ফেসবুকের বিজ্ঞাপনেও এগুলো চোখে পড়ছে। এসব নাটকের অনেকগুলো পুরোপুরি কিংবা আংশিকভাবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে তৈরি করা হচ্ছে। তবে মজার বিষয় হলো, দর্শক সব সময় জানেনও না যে তিনি যে নাটকটি দেখছেন, সেটির কতটা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে তৈরি। 

অনেক সময় জানার প্রয়োজনও মনে করেন না। তাঁর কাছে আসল প্রশ্ন একটাই—গল্পটি তাঁকে কত দ্রুত আটকে ফেলতে পারছে। দর্শক স্ক্রল করতে করতে থেমে গেলেন কি না, সেটিই যেন প্রথম পরীক্ষা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছোট পর্বের নাটক জনপ্রিয় হওয়ার পেছনে এই বিষয়টিই বড় ভূমিকা রাখছে। গল্পের শুরুতেই প্রেম, রহস্য, পারিবারিক দ্বন্দ্ব কিংবা প্রতিশোধের মতো উপাদান হাজির করা হয়। প্রচলিত নাটকের মতো চরিত্র পরিচয় করিয়ে দিতে বা গল্প ধীরে ধীরে এগিয়ে নিতে এখানে সময় দেওয়া হয় না। প্রথম কয়েক সেকেন্ডেই একটি সমস্যা, সম্পর্কের সংকট কিংবা রহস্য সামনে আসে। 

এরপর দ্রুত আরেকটি ঘটনা। শেষটাও হয় এমন জায়গায়, যেখানে দর্শকের মনে তৈরি হয় নতুন প্রশ্ন—এরপর কী হলো? এটাই মাইক্রো-ড্রামার মূল কৌশল। 

প্রচলিত নাটকে একটি পুরো পর্বজুড়ে গল্প বিকশিত করার সুযোগ থাকে। কিন্তু মাইক্রো-ড্রামায় সেই সুযোগ নেই। ফলে গল্পের টানটান উত্তেজনা ধরে রাখতে অমীমাংসিত ঘটনা বা আকস্মিক মোড়কে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। পরের পর্ব যদি মাত্র একটি স্পর্শ বা স্ক্রলের দূরত্বে থাকে, তাহলে নতুন কোনো তথ্য, বিশ্বাসঘাতকতা কিংবা সম্পর্কের টানাপোড়েন দর্শককে সহজেই পরের ভিডিওতে নিয়ে যায়। 

এসব গল্পের বিষয় অবশ্য নতুন নয়। সম্পদ, প্রেম, পারিবারিক দ্বন্দ্ব, প্রতিশোধ, ঈর্ষা, গোপন পরিচয় ও সামাজিক মর্যাদার মতো বিষয় টেলিভিশন ও সিনেমায় বহুবার দেখা গেছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নতুন করে এসব গল্পের কাঠামো তৈরি করছে না; বরং পরিচিত গল্পকে খুব অল্প সময়ে পর্দায় হাজির করার কাজটি সহজ করে দিচ্ছে।

 


সহজভাবে বললে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর নাটক এমন এক ধরনের শ্রুতিদৃশ্য গল্প, যেখানে চরিত্র, দৃশ্য, কণ্ঠ, অ্যানিমেশন কিংবা ভিডিওর বড় অংশই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে তৈরি করা যায়। একটি নাটকের পেছনে থাকে গল্পের ধারণা, চিত্রনাট্য, চরিত্র তৈরি, চরিত্রের চেহারা নির্ধারণ, দৃশ্য তৈরি, ভিডিও নির্মাণ, কণ্ঠ তৈরি, ঠোঁটের সঙ্গে সংলাপ মেলানো, সংগীত ও শব্দ সংযোজন এবং সম্পাদনার মতো বিভিন্ন কাজ। 

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এসব কাজের অনেকগুলো করতে পারে বা সেগুলোতে সহায়তা করতে পারে। তবে কোন কাজ কীভাবে হবে, সেই সিদ্ধান্ত মানুষই নেয়। বর্তমান কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তি মানুষের দেওয়া নির্দেশ বা প্রম্পট ছাড়া নিজে থেকে একটি পূর্ণাঙ্গ নাটক নির্মাণ করে না। 

ফলে পর্দায় যা দেখা যাচ্ছে, তার পেছনে নির্মাতার সিদ্ধান্তও থাকে। তবে আগে যে কাজের জন্য একটি ছোট প্রযোজনা দলের প্রয়োজন হতো, তার কিছু অংশ এখন কম্পিউটারের পর্দায় করা সম্ভব। এ কারণেই গল্প তৈরির প্রক্রিয়ায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বড় পরিবর্তন আনছে। এর অর্থ অবশ্য পুরো প্রযোজনাটিই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে করতে হবে, এমন নয়। চিত্রনাট্যের ধারণা, সংলাপ, চরিত্রের নকশা, পটভূমি, কণ্ঠ, ভিডিও দৃশ্য, সাবটাইটেল ও সম্পাদনার মতো কাজে এর সহায়তা নেওয়া যায়। প্রকল্পের ধরন অনুযায়ী এর ব্যবহারও ভিন্ন হতে পারে। 

তবে মানুষ কেন এসব নাটক দেখছে, তার একটি ধারণা পাওয়া যায় মেটা-অরম্যাক্সের ২০২৬ সালের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে। ভারতের মাইক্রো-ড্রামার দর্শকদের নিয়ে করা ওই গবেষণায় দেখা গেছে, ৮৯ শতাংশ দর্শক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ফিড থেকেই এসব নাটকের সঙ্গে যুক্ত হন। 

দর্শকেরা সপ্তাহে গড়ে ৩ দশমিক ৫ ঘণ্টা মাইক্রো-ড্রামা দেখেন। এই সময় সাধারণত ৭ থেকে ৮টি ছোট পর্বে ভাগ হয়ে থাকে। মোট দেখার প্রায় ৯০ শতাংশই হয় ব্যক্তিগত পর্দায়।

 


ভারতের ১৪টি রাজ্যের ৬৫০ জন মাইক্রো-ড্রামা দর্শক ও ২ হাজার দর্শকের সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে করা গবেষণায় আরও দেখা গেছে, ৬৫ শতাংশ দর্শক গত এক বছরে মাইক্রো-ড্রামার সংস্পর্শে এসেছেন। রোমান্স, পারিবারিক নাটক ও কৌতুকও দর্শকদের কাছে জনপ্রিয়। অর্থাৎ মানুষ শুধু নাটক দেখছে না, অল্প অল্প সময়ে নাটক দেখার একটি অভ্যাসও তৈরি করছে। মেটার গবেষণা বলছে, রাত ৮টা থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত মাইক্রো-ড্রামা দেখার প্রবণতা সবচেয়ে বেশি। 

যাতায়াতের সময় এবং কাজের বিরতিতেও মানুষ এসব নাটক দেখেন। মোট দেখার ৫৭ শতাংশ হয় ‘অ্যাম্বিয়েন্ট মোডে’—অর্থাৎ মানুষ অন্য কোনো কাজ করার সময় যেমন টেলিভিশন দেখে, তেমনি অন্য কাজের পাশাপাশি এসব ভিডিও দেখে।


তাই মাইক্রো-ড্রামা সরাসরি প্রচলিত টেলিভিশন বা দীর্ঘ সময়ের স্ট্রিমিং কনটেন্টের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করছে না। বরং এটি দিনের সেই ছোট ছোট সময় দখল করছে, যখন কেউ একটি নাটক বা অনুষ্ঠান দেখতে এক ঘণ্টা দিতে চান না, কিন্তু কয়েক মিনিটের চলমান গল্প দেখতে আপত্তি নেই। 

এখানে আরেকটি প্রশ্নও গুরুত্বপূর্ণ—কৃত্রিমভাবে তৈরি চরিত্রগুলো কি দর্শকদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে? মেটা-অরম্যাক্সের গবেষণা অনুযায়ী, ৪৭ শতাংশ দর্শক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর মাইক্রো-ড্রামাকে অনন্য ও সৃজনশীল মনে করেন। মাত্র ৬ শতাংশ দর্শক এগুলো একেবারেই দেখতে চান না। অন্যদিকে, ৩৮ শতাংশ দর্শক জানিয়েছেন, তাঁরা বাস্তব অভিনেতাদের অভিনীত প্রযোজনা দেখতে বেশি পছন্দ করেন।


এতে বোঝা যায়, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিজেই সব সময় এসব নাটকের মূল আকর্ষণ নয়। দর্শকের কাছে গল্প গুরুত্বপূর্ণ, আর মানুষের অভিনয় এখনো পছন্দের একটি বড় অংশ। কৃত্রিমভাবে তৈরি চরিত্রের সীমাবদ্ধতাও অনেক সময় চোখে পড়ে। চরিত্রের ব্যক্তিত্বের সঙ্গে না মেলা মুখের অভিব্যক্তি, অভিব্যক্তির সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ নড়াচড়া, অস্বাভাবিক চোখের দৃষ্টি কিংবা ঠোঁটের নড়াচড়ার সঙ্গে কণ্ঠের অসামঞ্জস্য পুরো দৃশ্যের কৃত্রিমতা প্রকাশ করে দিতে পারে। 

বিশেষ করে কোনো চরিত্রের আবেগীয় ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হলে এসব ত্রুটি আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে। তারপরও এসব নাটক দেখা থেমে নেই। কারণ দর্শক হয়তো প্রথমে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দেখতে বসছেন না, তিনি গল্প দেখতে বসছেন। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সেখানে গল্পটিকে দ্রুত পর্দায় নিয়ে আসার একটি মাধ্যম।

 বাংলাদেশের ফেসবুক ফিডে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার নাটক নতুন মনে হলেও এর পেছনে রয়েছে চীনের বড় মাইক্রো-ড্রামা শিল্প। স্মার্টফোনের লম্বা পর্দার জন্য তৈরি এক থেকে দুই মিনিটের পর্ব, দ্রুত গল্প এবং শেষে ঝুলিয়ে রাখা উত্তেজনা সেখানে অনেক আগেই জনপ্রিয় হয়েছে। ২০২৬ সালে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তি এই উৎপাদন পদ্ধতিকে আরও দ্রুত করে দিয়েছে।

 


সংবাদমাধ্যম ক্যাক্সিন ও সিএনএর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালের প্রথম তিন মাসেই চীনে প্রায় ১ লাখ ২৮ হাজার নতুন মাইক্রো-ড্রামা প্রকাশিত হয়েছে। এর মধ্যে ৯৫ শতাংশের বেশি নাটক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে তৈরি। 

অথচ এক বছর আগেও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে বানানো নাটক ছিল খুবই কম। উন্নত ভিডিও নির্মাণ মডেল ও সফটওয়্যার বাজারে আসার পর এই পরিবর্তন শুরু হয়েছে। চীনের ঝেজিয়াং প্রদেশের হেংদিয়ান শহর বহুদিন ধরেই সিনেমা ও নাটক তৈরির বড় কেন্দ্র। মাইক্রো-ড্রামার শুরুর দিকে সেখানে প্রচুর শুটিং হতো। 

অভিনেতাদেরও ব্যাপক চাহিদা ছিল। ক্যাক্সিন জানিয়েছে, তখন অভিনেতারা দিনে ৮০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ ইউয়ান এবং মাসে ১০ হাজার ইউয়ানের বেশি আয় করতেন। চীনের মাইক্রো-ড্রামা খাতে মোট প্রায় ৬ লাখ ৯০ হাজার মানুষ কাজ করতেন।


কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা আসার পর সেই কাজের বাজারে বড় পরিবর্তন এসেছে। অনেক অভিনেতা কাজ হারিয়েছেন অথবা কম পারিশ্রমিকে কাজ খুঁজতে বাধ্য হচ্ছেন। 

কারণ নাটক তৈরির সময় ও খরচ দুটোই কমে গেছে। চায়না ডেইলির মতে, বাস্তবে শুট করা একটি আধুনিক নাটকে যেখানে ৩ থেকে ৪ লাখ ইউয়ান খরচ হয়, সেখানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে একটি কস্টিউম মাইক্রো-ড্রামা বানাতে খরচ পড়ে ২ থেকে ৩ লাখ ইউয়ান। 

ক্যাক্সিন জানিয়েছে, কিছু কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর মাইক্রো-ড্রামা বানাতে এখন ২০ হাজার ইউয়ানেরও কম খরচ হচ্ছে। আগে নাটক বানাতে অনেক মানুষের প্রয়োজন হতো। এখন কিছু সফটওয়্যার ও প্রযুক্তি ব্যবহার করেই কাজ শুরু করা যায়। 

ফলে বড় বাজেট না থাকা নির্মাতারাও নিজেদের গল্প পর্দায় তুলে ধরার সুযোগ পাচ্ছেন। তবে এর অন্য দিকও রয়েছে। সবাই যদি সহজে নাটক বানাতে পারেন, তাহলে বিপুলসংখ্যক ভিডিওর ভিড়ে সত্যিই ভালো মানের নাটক খুঁজে পাওয়া কঠিন হয়ে যেতে পারে।


তাহলে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কি অভিনেতাদের জায়গা নিয়ে নেবে? সম্ভবত তার চেয়ে বড় প্রশ্ন হলো, দর্শক কত দ্রুত গল্প দেখার নতুন অভ্যাস তৈরি করছেন। একই চরিত্রের উপস্থিতি, একের পর এক নাটকীয় মোড় এবং পর্বের পর পর্ব গল্প এগিয়ে যাওয়া মাইক্রো-ড্রামাকে ধারাবাহিক অনুষ্ঠানের মতো করে তুলছে। দর্শকের আবার ফিরে এসে দেখার আগ্রহ তৈরি হচ্ছে। 

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমও এই অভ্যাস তৈরির উপযোগী জায়গা। দর্শক কতক্ষণ দেখলেন, কোথায় ভিডিও বন্ধ করলেন, কোন দৃশ্যে মন্তব্য করলেন, কতজন শেয়ার করলেন—এসব প্রতিক্রিয়া পরের কনটেন্ট তৈরির ধারণা দিতে পারে। 

চীনের মাইক্রো-ড্রামার লেখকেরাও বলছেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মন্তব্য, শেয়ার ও দর্শকের প্রতিক্রিয়া গল্প তৈরির প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করছে। ফলে গল্প তৈরি হচ্ছে দর্শক, অ্যালগরিদম ও নির্মাতার মধ্যে এক ধরনের চলমান পরীক্ষার মাধ্যমে। 

এই জনপ্রিয়তার বাণিজ্যিক দিকও রয়েছে। মিডিয়া পার্টনার্স এশিয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী, চীন ছাড়া বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলে মাইক্রো-ড্রামার আয় ২০২৫ সালের ২ দশমিক ৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার থেকে বেড়ে ২০২৬ সালে ৩ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাবে। ২০৩১ সালে তা ৯ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়াতে পারে।


চীন ছাড়া এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের মাইক্রো-ড্রামার বাজার ২০৩১ সালের মধ্যে ২ দশমিক ৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছাতে পারে বলেও পূর্বাভাসে বলা হয়েছে। ২০২৬ সালের সম্ভাব্য বাজারমূল্যের তুলনায় এটি প্রায় তিন গুণ। 

প্ল্যাটফর্মগুলোও তাই মাইক্রো-ড্রামাকে বিনোদনের একটি স্বতন্ত্র ব্যবসা হিসেবে দেখছে। সাবস্ক্রিপশন, অর্থের বিনিময়ে পর্ব দেখা, বিজ্ঞাপন এবং অন্যান্য ডিজিটাল মডেলের মাধ্যমে এ খাত থেকে আয় করা হচ্ছে। দর্শকের কাছে অবশ্য এসব অর্থনীতি খুব একটা গুরুত্বপূর্ণ নয়। তিনি হয়তো জানেন, আরও একটি ভিডিও দেখতে গিয়ে তাঁর সময় চলে যাচ্ছে। 

তারপরও দেখছেন। কারণ গল্পটি তাঁকে একটি প্রশ্নের সামনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে—এরপর কী হলো?

ডিসি/আপ্র/১৫/০৯/২০২৬
 

সংশ্লিষ্ট খবর

চল্লিশেই থেমে গেল পরিচালক মারুফ হোসেন সজীবের জীবন
১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

চল্লিশেই থেমে গেল পরিচালক মারুফ হোসেন সজীবের জীবন

নাট্যকার ও পরিচালক মারুফ হোসেন সজীব আর নেই। হৃদরোগের সমস্যায় ভুগতে থাকা এই তরুণ নির্মাতা মঙ্গলবার (১...

এমিতে হরর-কমেডি সিরিজের বাজিমাত
১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

এমিতে হরর-কমেডি সিরিজের বাজিমাত

টেলিভিশনের সেরা অনুষ্ঠানগুলোর পুরস্কার দেওয়া হয় ৭৮তম এমি অ্যাওয়ার্ডের আসর। আসরটি বসেছিল যুক্তরাষ্ট্র...

কখনো ভাবিনি, এমন একটা সময় আসবে: সামিয়া আফরিন
১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কখনো ভাবিনি, এমন একটা সময় আসবে: সামিয়া আফরিন

ক্যান্সারের সঙ্গে দীর্ঘ পাঁচ বছরের লড়াই। এর মধ্যে আবারও কঠিন পরীক্ষার মুখোমুখি হয়েছেন উপস্থাপক সামিয়...

অনলাইন জুয়ার ভয়াবহতা নিয়ে ভিডিও, প্রশংসায় অভিনেত্রী চমক
১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

অনলাইন জুয়ার ভয়াবহতা নিয়ে ভিডিও, প্রশংসায় অভিনেত্রী চমক

অনলাইন জুয়ার ভয়াবহ পরিণতি ও নেতিবাচক প্রভাব সম্পর্কে সমাজকে সচেতন করতে সোচ্চার হয়েছেন জনপ্রিয় অভিনেত...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

কোনো সক্রিয় জরিপ নেই