গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
সোমবার, ১০ আগস্ট ২০২৬

মেনু

এসএসসিতে পাসের হার ও জিপিএ-৫ দুটোই কমেছে

নিজেস্ব প্রতিবেদক

নিজেস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১০:১৯ পিএম, ১০ আগস্ট ২০২৬ | আপডেট: ১১:২৭ এএম ২০২৬
এসএসসিতে পাসের হার ও জিপিএ-৫ দুটোই কমেছে
ছবি

ছবি সংগৃহীত

চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পাসের হার এবং জিপিএ–৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা—দুটিই উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। সোমবার (১০ আগস্ট) সকাল ১০টায় একযোগে ফল প্রকাশ করা হয়। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ফল উদ্বোধন করেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

এ বছর ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার হয়েছে ৬৪ দশমিক ০৫ শতাংশ। গত বছর এই হার ছিল ৬৮ দশমিক ০৪ শতাংশ। ফলে এক বছরের ব্যবধানে পাসের হার কমেছে ৩ দশমিক ৯৯ শতাংশ পয়েন্ট।

জিপিএ–৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যাও কমেছে উল্লেখযোগ্যভাবে। ২০২৬ সালে ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে জিপিএ–৫ পেয়েছে ১ লাখ ৬ হাজার ৯ জন পরীক্ষার্থী। গত বছর এ সংখ্যা ছিল ১ লাখ ২৫ হাজার ১৮ জন। অর্থাৎ জিপিএ–৫ কমেছে ১৯ হাজার ৯ জন।

সব মিলিয়ে ১১টি শিক্ষা বোর্ডে (৯টি সাধারণ, মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ড) গড় পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ। সেখানে জিপিএ–৫ পেয়েছে ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন শিক্ষার্থী।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর নিয়মিত, অনিয়মিত ও মানোন্নয়ন পরীক্ষার্থী মিলিয়ে মোট কয়েক লাখ শিক্ষার্থী এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নেয়। পরীক্ষাগুলো দেশের সব শিক্ষা বোর্ডে নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হয়।

সকালে ফল প্রকাশের পর শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইট এবং মোবাইল ফোনে বার্তার মাধ্যমে ফল জানতে পারে। ফল প্রকাশ উপলক্ষে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ডে বিশেষ নিয়ন্ত্রণ কক্ষ খোলা হয়।

ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, শহরের তুলনায় অনেক গ্রামীণ ও পিছিয়ে পড়া এলাকায় পাসের হার তুলনামূলক কমেছে। বিশেষ করে বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে উচ্চ নম্বর অর্জনের প্রতিযোগিতা আগের বছরের তুলনায় কিছুটা কম ছিল বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন ফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে বলেন, পাসের হার কমলেও পরীক্ষার মান ও মূল্যায়নের স্বচ্ছতা বজায় রাখা হয়েছে। তিনি শিক্ষার্থীদের হতাশ না হয়ে উচ্চশিক্ষার পরবর্তী ধাপের জন্য প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানান।

বিশেষজ্ঞদের মতে, চলতি বছরের ফলাফলে যে নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা গেছে, তার পেছনে পাঠদানের ধারাবাহিকতা, পরীক্ষার প্রশ্নের মান, বিষয়ভিত্তিক মূল্যায়ন এবং শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতির বৈষম্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তারা শিক্ষা ব্যবস্থার গুণগত উন্নয়নে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।

এদিকে ফল প্রকাশের পর অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের উচ্ছ্বাসের পাশাপাশি হতাশার চিত্রও দেখা গেছে। যারা প্রত্যাশিত ফল পায়নি, তারা পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করার সুযোগ পাবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডগুলো।
সানা/আপ্র/১০/৮/২০২৬

 

সংশ্লিষ্ট খবর

ঢাকায় সর্বোচ্চ পাস, মাদ্রাসা বোর্ডে সর্বনিম্ন
১০ আগস্ট ২০২৬

ঢাকায় সর্বোচ্চ পাস, মাদ্রাসা বোর্ডে সর্বনিম্ন

চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে সর্বোচ্চ পাসের হার অর্জন করেছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড। এ বোর্ডে...

এসএসসির ফলে পাস ও জিপিএ-৫ এ এগিয়ে মেয়েরা
১০ আগস্ট ২০২৬

এসএসসির ফলে পাস ও জিপিএ-৫ এ এগিয়ে মেয়েরা

এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে এবারও পাসের হার ও জিপিএ-৫ প্রাপ্তিতে ছেলেদের চেয়ে এগিয়ে রয়েছে মেয়েরা।...

৩১২ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থীই পাস করেনি
১০ আগস্ট ২০২৬

৩১২ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থীই পাস করেনি

চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে দেশের ৩১২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে...

এসএসসি পরীক্ষায় ফেল পৌনে ৭ লাখের বেশি শিক্ষার্থী
১০ আগস্ট ২০২৬

এসএসসি পরীক্ষায় ফেল পৌনে ৭ লাখের বেশি শিক্ষার্থী

চলতি ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এ বছর সারাদেশে মোট ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৮...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

কোনো সক্রিয় জরিপ নেই