শিক্ষকদের শতভাগ বেতন ও এমপিওভুক্তি সুবিধা কেবল বেগম খালেদা জিয়াই নিশ্চিত করেছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমানউল্লাহ আমান।
তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান শিক্ষকদের জন্য ৫০ শতাংশ বেতন সুবিধা দিয়ে কাজ শুরু করেছিলেন, পরবর্তীতে বেগম খালেদা জিয়া তা শতভাগে উন্নীত করেন।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) জেলার কেরানীগঞ্জ উপজেলার আটি ভাওয়াল স্কুল এন্ড কলেজ মাঠে ঢাকা-২ আসনের শিক্ষার মান উন্নয়নে ‘মতবিনিময় সভা এবং কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
শিক্ষকদের বেতন বৃদ্ধির পেছনের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট স্মৃতিচারণ করে আমানউল্লাহ আমান বলেন, শহীদ মিনারে শিক্ষকদের আমরণ অনশনে তাদের অবস্থা যখন মরণাপন্ন, তখন বেগম খালেদা জিয়া ওমরাহ পালন শেষে দেশে ফেরেন। বিমানবন্দর থেকে সরাসরি শহীদ মিনারে যান এবং ক্ষমতায় গেলে তাদের শতভাগ বেতন দেওয়া হবে বলে আশ্বাস দেন। পরবর্তীতে তিনি তার কথা রেখেছিলেন।
শিক্ষার মান বৃদ্ধি ও শিক্ষকদের দায়িত্বশীলতা নিয়ে তিনি বলেন, শিক্ষকদের উচিত প্রতিটি শিক্ষার্থীকে নিজের সন্তান মনে করে পাঠদান করা।
বিএনপির এই জ্যেষ্ঠ্য নেতা বলেন, কোনো কোনো প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক নিজের সন্তানকে অন্য স্কুলে ভর্তি করে পরীক্ষা দেওয়ান, যা নিজের স্কুলের শিক্ষার ওপর অনাস্থার শামিল।
শিক্ষকদের এসব বিষয়ে সচেতন থেকে শিক্ষার পরিবেশ ও মান বজায় রাখার প্রতি গুরত্বারোপ করেন তিনি।
তিনি জানান, প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও কলেজ পর্যায়ের ১ম, ২য় ও ৩য় স্থান অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করতে ধারাবাহিকভাবে এই পুরষ্কার দেওয়া হচ্ছে।
একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের মাদকের হাত থেকে রক্ষা করা, পরিবেশ সুরক্ষায় প্রিয়জনদের জন্মদিনে গাছ লাগানো এবং সামাজিক দায়িত্ব পালনে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ঢাকা জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার ইরফান ইবনে আমান অমি।
এছাড়াও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, স্থানীয় মাধ্যমিক ও প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক, শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এসি/আপ্র/২০/৯/২০২৬