সাভারে চলন্ত বাসে এক নারী যাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে বাসচালক, তার সহকারী এবং চালকের এক পরিচিত ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন পেয়ে সড়কে ব্যারিকেড দিয়ে বাসটি থামিয়ে ওই নারীকে উদ্ধার করা হয়।
শনিবার (২৬ জুলাই) দিবাগত রাতে সাভার উপজেলার আশুলিয়ার বাড়ইপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলেন বাসচালক মো. ইমরান (৩৫), তার সহকারী মো. মুসফেকুর রহমান (২০) এবং চালকের পরিচিত মো. সুমন প্রামাণিক (৩০)। তাদের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, শনিবার রাত দেড়টার দিকে ঢাকার গাবতলী বাসস্ট্যান্ড থেকে সাভারের নবীনগর যাওয়ার উদ্দেশ্যে সাভার পরিবহনের একটি বাসে ওঠেন ওই নারী। নবীনগরের কাছাকাছি পৌঁছালে বাসচালক ইমরান গাড়ি চালানোর দায়িত্ব সহকারী মুসফেকুরের কাছে দিয়ে ওই নারীর সঙ্গে থাকা এক ব্যক্তিকে মারধর ও হত্যার হুমকি দিয়ে বাস থেকে নামিয়ে দেন। পরে ইমরানও বাস থেকে নেমে যান। তখন বাসে ছিলেন মুসফেকুর ও সুমন প্রামাণিক।
অভিযোগ অনুযায়ী, এরপর সুমনের সহায়তায় মুসফেকুর চলন্ত বাসে ওই নারীকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। এদিকে বাস থেকে নামিয়ে দেওয়া ব্যক্তি জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে বিষয়টি পুলিশকে জানান।
খবর পেয়ে আশুলিয়া থানা পুলিশ বাড়ইপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় একটি বাস দিয়ে সড়কে ব্যারিকেড সৃষ্টি করে। পরে সাভার পরিবহনের বাসটি থামিয়ে ওই নারীকে উদ্ধার করা হয় এবং ঘটনাস্থল থেকেই মুসফেকুর ও সুমনকে আটক করা হয়।
পরে ভুক্তভোগী নারী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন। মামলার পর রোববার বিকেলে অভিযান চালিয়ে আশুলিয়ার বাড়ইপাড়া এলাকা থেকে বাসচালক ইমরানকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
এসি/আপ্র/২৭/০৭/২০২৬