জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলায় সাত বছরের এক শিশুকে স্কুল থেকে ডেকে নিয়ে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ উঠেছে। পরে তার লাশ ঘরের মেঝের মাটির নিচে পুঁতে রাখা হয়। এ ঘটনায় শিশুটির সহপাঠীর বাবা জামিনুর ইসলামকে (৪০) গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
পুলিশ জানিয়েছে, জামিনুরের মেয়ে ও নিহত শিশুটি একই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণিতে পড়ত। বৃহস্পতিবার সকালে স্কুলে যাওয়ার পর জামিনুর কৌশলে শিশুটিকে নিজের বাড়িতে নিয়ে যান। ওই সময় তাঁর স্ত্রী বাড়িতে ছিলেন না। সেখানে শিশুটিকে ধর্ষণের পর ঘটনা ধামাচাপা দিতে ওড়না দিয়ে পেঁচিয়ে হত্যা করা হয়। পরে ঘরের মেঝেতে গর্ত করে লাশ পুঁতে রাখা হয় বলে পুলিশের ভাষ্য।
শিশুটি স্কুল থেকে বাড়িতে না ফেরায় ওই দিনই তার বাবা মাদারগঞ্জ থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন। এরপর পুলিশ শিশুটির সন্ধানে তৎপরতা চালায়।
পুলিশ জানায়, শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) গভীর রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জামিনুরের বসতঘরে অভিযান চালানো হয়। একপর্যায়ে ঘরের মেঝের মাটির নিচ থেকে শিশুটির লাশ উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় গ্রেফতার জামিনুর ইসলাম রোববার মাদারগঞ্জ আমলি আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। মাদারগঞ্জ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান ভুঞাঁ জানান, জবানবন্দি শেষে আদালতের বিচারক রোমানা আক্তার তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
ঘটনার পর শিশুটির পরিবারের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটি তদন্ত করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
সানা/আপ্র/১৫/৯/২০২৬