গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

মেনু

রায় কি ফিরিয়ে দেবে গণতন্ত্র, নাকি খুলে দেবে অনিশ্চয়তার নতুন অধ্যায়?

ভোটের দুয়ারে বাংলাদেশ

সুখদেব কুমার সানা

সুখদেব কুমার সানা

প্রকাশিত: ০১:৩৫ পিএম, ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | আপডেট: ০৪:২৬ এএম ২০২৬
ভোটের দুয়ারে বাংলাদেশ
ছবি

প্রতিনিধিত্বকারী ছবি

১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬। ক্যালেন্ডারে এটি একটি দিন মাত্র। কিন্তু বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় ইতিহাসে দিনটি হয়ে উঠতে পারে একটি গুরুত্বপূর্ণ বাঁক-যেখান থেকে গণতন্ত্র হয় নতুন করে দাঁড়াবে, নয়তো আবারো গভীর অনিশ্চয়তার খাদে নেমে যাবে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে প্রশ্ন এখন কে জিতবে, কে হারবে-সেই সরল অঙ্কে সীমাবদ্ধ নেই। মূল প্রশ্ন হলো-এই ভোট কি আদৌ জনগণের রায় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে?

অন্তর্বর্তী সরকার বলছে, ‘ভোট হবে স্বচ্ছ ও সুষ্ঠু।’ কিন্তু এই সরকারের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত দৃশ্যপট বিবেচনায় এতটা নির্ভার হওয়ার কারণ নেই। মাঠের বাস্তবতা, সহিংসতার শঙ্কা, ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা এবং নির্বাচন কমিশনের কার্যকারিতার অভাব-সব মিলিয়ে জনগণ ভাবছে, ভোট কি সত্যিই তাদের রায় ফিরিয়ে দেবে, নাকি এটি আবারো রাজনৈতিক মঞ্চের খেলা হয়ে যাবে?
২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থানে দীর্ঘ স্বৈরশাসনের পতনের পর যে গণতান্ত্রিক পুনর্জাগরণের প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল, তারই বাস্তব পরীক্ষা হতে যাচ্ছে এই নির্বাচন। সেই প্রশ্নের উত্তর খোঁজার চেষ্টা-এবং একই সঙ্গে দেশের মানুষ যা প্রত্যাশা করছে, যা নিয়ে শঙ্কিত, তারই প্রতিফলন এই বিশ্লেষণী প্রতিবেদন

 

জুলাই অভ্যুত্থানের পর জনগণের প্রত্যাশা, ভোট মানেই মর্যাদা: স্বৈরতান্ত্রিক শাসনের পতনের পর মানুষের চাওয়া ছিল খুবই মৌলিক-ভোটাধিকার, নিরাপত্তা এবং সম্মানের সঙ্গে রাজনৈতিক অংশগ্রহণ। দীর্ঘ সময় ধরে ভোটবিহীন বা প্রশ্নবিদ্ধ ভোটের অভিজ্ঞতা মানুষকে বিক্ষুব্ধ করেছিল। ফলে অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে প্রথম জাতীয় নির্বাচন থেকে জনগণ আশা করেছিল একটি সহিংসতামুক্ত, নিরপেক্ষ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রক্রিয়া। কিন্তু ভোটের দিন যত ঘনিয়ে এসেছে, প্রত্যাশার পাশাপাশি শঙ্কাও গভীর হয়েছে।

 

অন্তর্বর্তী সরকারের অর্জন, ব্যর্থতা ও বিতর্ক: অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর রাষ্ট্র পরিচালনায় কিছু ইতিবাচক উদ্যোগ নেওয়া হলেও সামগ্রিকভাবে দেড় বছরের অভিজ্ঞতা প্রশ্নবিদ্ধই থেকে গেছে।

 

ইতিবাচক দিক: প্রকাশ্য রাজনৈতিক দমন-পীড়নের মাত্রা কমেছে। কিছু প্রশাসনিক সংস্কার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নির্বাচন আয়োজনের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।

 

বিতর্ক ও ব্যর্থতা: আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ধারাবাহিক অবনতি। রাজনৈতিক সহিংসতা ও মব কালচারের বিস্তার। সংখ্যালঘু ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যর্থতা। সাংবাদিক ও সংবাদমাধ্যমের ওপর হামলা, মামলা, দখলদারিত্ব। সাংস্কৃতিক কর্মকান্ড ও মাজারভিত্তিক প্রার্থনালয় আক্রান্ত।

 

প্রশাসনে নিরপেক্ষতার ঘাটতি নিয়ে অভিযোগ: সরকারের ভেতর থেকেই প্রধান উপদেষ্টার ভূমিকা ও সিদ্ধান্ত নিয়ে আপত্তি ওঠা এই সময়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক বাস্তবতা।

 

‘ম্যাটিকুলাস ডিজাইন’ বিতর্ক: অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহম্মদ ইউনূসের কার্যকলাপ শুরু থেকেই আলোচনার কেন্দ্রে। সমালোচকদের অভিযোগ-তিনি পরিকল্পিতভাবে ক্ষমতার ভারসাম্য নিজের অনুকূলে সাজিয়েছেন। নতুন দল এনসিপিকে ঘিরে ‘কিংস পার্টি’ তত্ত্ব এবং জামায়াতে ইসলামিকে কেন্দ্র করে সরকারি সহানুভূতির অভিযোগ রাজনৈতিক পরিসরে গভীর সন্দেহ তৈরি করেছে। সরকারি সিদ্ধান্তে স্বচ্ছতার অভাব এবং নীরবতার রাজনীতি এই সন্দেহ আরো ঘনীভূত করেছে।
প্রধান উপদেষ্টার যে ভূমিকা, তা নিয়ে রহস্য এবং প্রশ্নের শেষ নেই। তিনি কি নীরব অথচ কার্যকর অভিভাবক, নাকি নির্বাচনী ফলাফলের আড়ালে প্রভাবশালী? প্রকাশ্যে কম কথা, কিন্তু সিদ্ধান্তে গভীর প্রভাব-এই বৈপরীত্য প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। তিনি কি নিরপেক্ষ অভিভাবক, নাকি অদৃশ্য শক্তির প্রতিনিধিত্ব করছেন? এই প্রশ্নের স্পষ্ট উত্তর না থাকাই নির্বাচনের অনিশ্চয়তা ও বিতর্ক আরো ঘনীভূত করেছে।
২০২৪ সালে সরকার পতনের পর যুক্তরাষ্ট্র সফরে গিয়ে ‘ম্যাটিকুলাস ডিজাইন’ স্বীকারোক্তির রেফারেন্স ও সংশয় প্রকাশ করছে মহলবিশেষ।

 

মুক্তিযুদ্ধের পক্ষ-বিপক্ষ পুনরায় উত্তপ্ত: এই নির্বাচনে নতুন করে সক্রিয় হয়েছে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষ-বিপক্ষ বিতর্ক। বিএনপি দাবি করছে, তারা মুক্তিযুদ্ধের পক্ষশক্তি। অন্যদিকে, তাদের এক সময়ের জোটসঙ্গী জামায়াতে ইসলামি বহু মানুষের কাছে বিপক্ষ শক্তি। ফলে বিএনপির দাবি একদিকে সমর্থন পাচ্ছে, অন্যদিকে প্রশ্নেরও জন্ম দিচ্ছে। জামায়াতের জোটে যুক্ত হয়েছে ২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া নতুন দল এনসিপি। সমালোচকদের একাংশ তাদের ‘কিংস পার্টি’ হিসেবে চিহ্নিত করছেন। ফলে ভোটের রাজনীতি এখন শুধু দলগত নয়-এটি আদর্শিক সংঘাতের দিকেও মোড় নিচ্ছে।

 

আওয়ামী লীগবিহীন নির্বাচন অন্তর্ভুক্তির প্রশ্ন: ১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের নেতৃত্বদানকারী দল আওয়ামী লীগকে বাইরে রেখে নির্বাচন আয়োজন এই ভোটের সবচেয়ে বড় কাঠামোগত সংকট। দেশ-বিদেশের বিজ্ঞ রাজনৈতিক বিশ্লেষক এই ইস্যুকে আগামী নির্বাচনের বড় বিতর্ক বলে শঙ্কা প্রকাশ করে আসছেন। ভোটের দিন পাঁচেক আগে সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগ (সিপিডি) আনুষ্ঠানিকভাবে স্পষ্ট করে বলেছে- আওয়ামী লীগ ছাড়া নির্বাচন অন্তর্ভুক্তিমূলক হবে না এবং ভোট-পরবর্তী সময়ে এর বৈধতা নিয়ে দেশে-বিদেশে প্রশ্ন উঠবে। আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের কাছেও একটি বৃহৎ ঐতিহাসিক দলবিহীন নির্বাচন স্বাভাবিকভাবেই গ্রহণযোগ্যতার চ্যালেঞ্জ তৈরি করবে।

 

ইতিহাসের ভারে চাপা এক বাস্তবতা: স্বাধীনতার অগ্রণী দলকে নির্বাচনের বাইরে রেখে ভোট আয়োজন-এটি শুধুমাত্র রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নয়; এটি ইতিহাসের ভার বহন করছে। বিশ্লেষকদের মতে, একটি বড় ঐতিহাসিক দলকে বাইরে রেখে নির্বাচন হলে অভ্যন্তরীণ বৈধতার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতাও ঝুঁকিতে পড়ে। রাষ্ট্রের ইতিহাসের ভার এই নির্বাচনের ওপর চেপে বসেছে-এবং সেই ভার অস্বীকার করার সুযোগ নেই। নেতা অপরাধী হতে পারেন; দল কেন? এ প্রশ্ন থেকে যাবে।

 

নির্বাচন কমিশন ও ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ বিতর্ক: নির্বাচন কমিশন দাবি করছে, সব দলের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করা হয়েছে। কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে- প্রায় ৬০টি নিবন্ধিত দলের মধ্যে ১৫টারও বেশি নির্বাচনে অংশ নিতে পারেনি। সরকারি সংলাপে দেখা গেছে মূলত বিএনপি ও জামায়াতের প্রাধান্য। ছোট ছোট দলগুলোকে অনেকক্ষেত্রেই উপেক্ষা করা হয়েছে। আর বিশেষ করে এই নির্বাচনের মূল বিরোধী শক্তিকে বাইরে রেখে ভোট আয়োজন-এই বৈপরীত্য নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতাকে প্রশ্নের মধ্যেই রেখেছে। এই প্রশ্নও থেকে যাবে।

 

‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’ ও আগাম অবিশ্বাসের রাজনীতি: ভোটের আগেই বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’ অভিযোগ এই নির্বাচনের আস্থার সংকটকে স্পষ্ট করেছে। বিএনপি, জামায়াত, জাতীয় পার্টি-সব পক্ষই একে অপরকে সন্দেহ করছে। বিশ্লেষকদের মতে, এটি একদিকে চাপ তৈরির কৌশল, অন্যদিকে সম্ভাব্য ফল প্রত্যাখ্যানের পূর্বপ্রস্তুতি। এই অবিশ্বাসের পরিবেশ ভোট-পরবর্তী স্থিতিশীলতার জন্যও অশনিসংকেত।

 

সংখ্যালঘু ভোটার ও নিরাপত্তা সংকট: চট্টগ্রামের রাউজান ও মীরসরাইয়ে সংখ্যালঘুদের বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ, ভোটের আগে ভয় তৈরির অভিযোগ, নাগরিক সমাজ ও মানবাধিকার সংগঠনগুলোর সতর্কবার্তা-সব মিলিয়ে সংখ্যালঘু ভোটারদের নিরাপত্তা এই নির্বাচনের সবচেয়ে স্পর্শকাতর বিষয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক রোবায়েত ফেরদৌসের ভাষায়, ‘সংখ্যালঘুরা এখন দ্বিমুখী প্যারাডক্সে- ভোট দিলে নিরাপত্তা নেই, না দিলেও দায় চাপানো হয়।’

ট্রান্সপাারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি), এএলআরডি এবং ২৭ নাগরিকের বিবৃতি স্পষ্ট করে বলছে-নির্বাচনের আগে ও পরে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে ভোটের নৈতিক ভিত্তি দুর্বল হয়ে পড়বে। মব সহিংসতা নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে সংস্থাগুলো।

 

শেষ মুহূর্তে কেন বিএনপির দিকে ঝুঁকছে জনমত: নির্বাচনের একেবারে শেষ প্রান্তে এসে দৃশ্যমান একটি পরিবর্তন-মানুষ ঝুঁকছে বিএনপির দিকে। দেশি-বিদেশি কয়েকটা জরিপে উঠে এসেছে, ভোট সুষ্ঠু হলে বিএনপিই এগিয়ে থাকবে। এমনকি তারেক রহমানকে সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী হিসেবেও দেখানো হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এটি কেবল বিএনপির প্রতি আস্থা নয়; বরং সুষ্ঠু ভোটবিহীন দেশে দীর্ঘ সময় ধরে জমে থাকা ক্ষোভ, ভোটাধিকার হরণ এবং রাজনৈতিক বদ্ধতার বিরুদ্ধে মানুষের এক ধরনের প্রতিবাদী মনোভাব।

 

ভোট হবে-এই নিশ্চয়তাই কেন এখনো অনিশ্চিত: অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই নির্বাচন নিয়ে একটি মৌলিক সংশয় কাজ করেছে-ভোট হবে তো? আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি, রাজনৈতিক সহিংসতার পুনরাবৃত্তি, প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন এবং নির্বাচন কমিশনের দৃশ্যমান দৃঢ়তার অভাব-সব মিলিয়ে এই সংশয় এখনো পুরোপুরি কাটেনি।

সরকার ও নির্বাচন কমিশনের বক্তব্যে সব প্রস্তুতির আশ্বাস ও অভয় থাকলেও মাঠপর্যায়ের বাস্তবতায় ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা, ভোটার উপস্থিতি এবং ফল ঘোষণার স্বচ্ছতা নিয়ে ভয় রয়ে গেছে। ভোটারদের বড় অংশের মনে প্রশ্ন-ভোট দিলে আদৌ তার মূল্য থাকবে তো?

 

জনগণের শঙ্কা কোথায়? কারণগুলো পরিষ্কার-মব সহিংসতার আশঙ্কা, প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিয়ে সন্দেহ, বড় দলের অনুপস্থিতিতে ভোটের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে সংশয়, ভোটার উপস্থিতি কমে নির্বাচন অর্থহীন হবে কিনা, সহিংসতা ভোটকে অচল করে দেবে কিনা, ফলাফল গ্রহণযোগ্য না হলে রাজনৈতিক অস্থিরতা আরো বৃদ্ধি পাবে কিনা? এসব ভাবনা ভর করে আছে জনমনে। 
 

জনপ্রত্যাশা: এই নির্বাচনের কাছে মানুষের প্রত্যাশা খুব মৌলিক। বৃহদাংশ ভোটার আশা করছে, সহিংসতামুক্ত ভোটের দিন। ভোট কেন্দ্রে গিয়ে নিজের রায় দেয়ার সুযোগ এবং এমন একটি ফলাফল, যা ভোটারের সিদ্ধান্তকেই প্রতিফলিত করবে। ভোটের দিন মানুষ শুধু ব্যালট দিতে চায় না-নিরাপদে বাড়ি ফিরতেও চায়।

 

কী হতে পারে? এই নির্বাচন সফল হলে এটি হবে গণতন্ত্র পুনর্গঠনের সূচনা। উদিত হবে রাজনৈতিক পুনরুদ্ধারের নতুন সূর্য। আর ব্যর্থ হলে-জুলাই অভ্যুত্থানের মাধ্যমে তৈরি হওয়া আশার জায়গাটিও ভেঙে পড়বে। বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ইতিহাসে যা আরেকটি হারানো সুযোগ হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে।

 

শেষ কথা: ভোট মানে কেবল সাংবিধানিক প্রক্রিয়া নয়। ভোট মানে মানুষের মর্যাদা, আস্থা ও ভবিষ্যৎ।  ভোট দুয়ারে কিংবা ভোটের দুয়ারে বাংলাদেশ। এখন প্রশ্ন কে জিতবে-তা নয়। প্রশ্ন একটাই-এই ভোট কি মানুষের বিশ্বাস ফিরিয়ে আনতে পারবে, নাকি গণতন্ত্রকে আবারো অনিশ্চয়তার পথে ঠেলে দেবে?

সানা/আপ্র/১১/২/২০২৬
 

সংশ্লিষ্ট খবর

ভোটের মাঠে ১২ লাখ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী
১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

ভোটের মাঠে ১২ লাখ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

শুক্রবারের মধ্যেই ফল প্রকাশের আশা

আ. লীগকে বাইরে রেখে নির্বাচন অন্তর্ভুক্তিমূলক হবে না
০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

আ. লীগকে বাইরে রেখে নির্বাচন অন্তর্ভুক্তিমূলক হবে না

সিপিডির মিডিয়া ব্রিফিং

শুল্কমুক্ত সুবিধা পাবে বাংলাদেশের ৭,৩৭৯ পণ্য
০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

শুল্কমুক্ত সুবিধা পাবে বাংলাদেশের ৭,৩৭৯ পণ্য

জাপানের সঙ্গে ইপিএ সই

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

বাজারে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী গ্যাস সংকটের সুযোগে অতিরিক্ত দাম নিচ্ছে, এর মধ্যেই সরকার গ্যাস সিলিন্ডারের দাম বাড়িয়েছে। এটা কতটা যুক্তিসঙ্গত মনে করেন?

মোট ভোট: ২ | শেষ আপডেট: 1 সপ্তাহ আগে