গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬

মেনু

জগন্নাথের দ্বিতীয় ক্যাম্পাসে অগ্রগতির আশ্বাস

শিক্ষায় বাড়ছে বিনিয়োগ, বদলাচ্ছে শিক্ষাক্রম

নিজেস্ব প্রতিবেদক

নিজেস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২১:০৪ পিএম, ১৭ জুন ২০২৬ | আপডেট: ০২:৪৫ এএম ২০২৬
শিক্ষায় বাড়ছে বিনিয়োগ, বদলাচ্ছে শিক্ষাক্রম
ছবি

জবিতে ডিনস অ্যাওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন -ছবি সংগৃহীত

শিক্ষা খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি করে ১ লাখ ৩৬ হাজার কোটি টাকায় উন্নীত করা হয়েছে এবং আগামী কয়েক বছরের মধ্যে তা জিডিপির ৫ শতাংশে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন। একইসঙ্গে ২০২৮ সালের মধ্যে শিক্ষাক্রমকে আরো আধুনিক, দক্ষতানির্ভর ও যুগোপযোগী করার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।

বুধবার (১৭ জুন) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) কেন্দ্রীয় অডিটোরিয়ামে প্রথমবারের মতো আয়োজিত ডিনস অ্যাওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী।

তিনি বলেন, গত বছর শিক্ষা খাতে প্রায় ৮৭ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ ছিল। চলতি অর্থবছরে তা বাড়িয়ে ১ লাখ ৩৬ হাজার কোটি টাকা করা হয়েছে, যা দেশের জিডিপির প্রায় ২ শতাংশ। পর্যায়ক্রমে এ বরাদ্দ ৩ দশমিক ৫, ৪ এবং পরে ৫ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য রয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শুধু বাজেট বাড়ালেই হবে না, বরং প্রতিটি টাকার কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। শিক্ষায় বিনিয়োগের মাধ্যমে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলাই সরকারের প্রধান লক্ষ্য।

প্রচলিত মুখস্থনির্ভর শিক্ষাব্যবস্থার পরিবর্তে প্রকল্পভিত্তিক ও দক্ষতানির্ভর শিক্ষা চালুর ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন শিক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেন, ২০২৭-২৮ সালের মধ্যে শিক্ষাক্রমে বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হবে। নতুন কারিকুলামে শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা, বাস্তব দক্ষতা ও সমস্যা সমাধানের সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয় অগ্রাধিকার পাবে।

বাংলাদেশের জনসংখ্যাকে দেশের সবচেয়ে বড় সম্পদ উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বিশ্বের অনেক দেশে জনশক্তির সংকট থাকলেও বাংলাদেশে বিপুল জনসম্পদ রয়েছে। এ সম্পদকে দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তরের দায়িত্ব শিক্ষকদের ওপর বর্তায়।

কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার (টিভেট) গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং টেকসই আর্থ-সামাজিক অগ্রগতির জন্য কারিগরি শিক্ষার বিকল্প নেই। এ খাতের উন্নয়নে চলতি বাজেটে ১৮ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের দীর্ঘদিনের আবাসন সংকট নিরসনে দ্বিতীয় ক্যাম্পাস ও নতুন ছাত্রাবাস নির্মাণের বিষয়ে সরকারের উদ্যোগের কথাও জানান শিক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেন, এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করা হবে এবং দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য নতুন প্রকল্প গ্রহণের বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে।

অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহাসিক ভূমিকার কথা স্মরণ করে বলেন, ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধসহ দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছেন। পরে তিনি ডিনস অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানান এবং তাদের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।
সানা/ডিসি/আপ্র/১৭/৬/২০২৬
 

সংশ্লিষ্ট খবর

প্রধানমন্ত্রীর কাজে সন্তুষ্ট ৬৬ শতাংশ, সরকারের প্রতি ৫৪ শতাংশ
২০ আগস্ট ২০২৬

প্রধানমন্ত্রীর কাজে সন্তুষ্ট ৬৬ শতাংশ, সরকারের প্রতি ৫৪ শতাংশ

সরকারের ছয় মাস পূর্তি উপলক্ষে পরিচালিত এক জনমত জরিপে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দায়িত্ব পালনে ৬৬ দশ...

স্বাস্থ্যকেন্দ্রে পানি-স্যানিটেশনে দক্ষিণ এশিয়ায় পিছিয়ে বাংলাদেশ
২০ আগস্ট ২০২৬

স্বাস্থ্যকেন্দ্রে পানি-স্যানিটেশনে দক্ষিণ এশিয়ায় পিছিয়ে বাংলাদেশ

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও জাতিসংঘ শিশু তহবিলের যৌথ মনিটরিং কর্মসূচির সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বাংলাদেশের...

৩৫ বছর পর রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আজ, সিইসির দাবি ঐতিহাসিক, বিশ্ব তাকিয়ে
২০ আগস্ট ২০২৬

৩৫ বছর পর রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আজ, সিইসির দাবি ঐতিহাসিক, বিশ্ব তাকিয়ে

আজ বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) দেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী রাজনৈতিক পর...

রাষ্ট্রপতি ভোটের আগে বিদায়ী বক্তব্য কাঁদলেন মির্জা ফখরুল
১৯ আগস্ট ২০২৬

রাষ্ট্রপতি ভোটের আগে বিদায়ী বক্তব্য কাঁদলেন মির্জা ফখরুল

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের এক দিন আগে বিএনপির সংসদীয় দলের সভায় আবেগঘন বিদায়ী বক্তব্য দিয়েছেন দলটির সদ্য স...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

প্রধানমন্ত্রীর কাজে সন্তুষ্ট ৬৬ শতাংশ, সরকারের প্রতি ৫৪ শতাংশ

সরকারের ছয় মাস পূর্তি উপলক্ষে পরিচালিত এক জনমত জরিপে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দায়িত্ব পালনে ৬৬ দশমিক ৩০ শতাংশ উত্তরদাতা সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন। তাঁদের মতে, প্রধানমন্ত্রী ভালোভাবে দায়িত্ব পালন করছেন। অন্যদিকে সরকারের সামগ্রিক কর্মকাণ্ডে সন্তুষ্টির কথা জানিয়েছেন ৫৪ দশমিক ৫০ শতাংশ মানুষ। সরকারের কর্মকাণ্ডকে খারাপ বলেছেন ৩২ দশমিক ৯০ শতাংশ। ডপলার অপিনিয়ন রিসার্চের ‘অ্যাপ্রুভাল রেটিং সার্ভে ২০২৬’-এ এসব তথ্য উঠে এসেছে। প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন এই জরিপে সরকারের সঠিক মূল্যায়ন হয়েছে?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 2 ঘন্টা আগে