গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬

মেনু

শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণের অনুরোধ পর্যালোচনায় ভারত

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৩:১৯ পিএম, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ | আপডেট: ২২:২০ এএম ২০২৬
শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণের অনুরোধ পর্যালোচনায় ভারত
ছবি

নয়া দিল্লিতে সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল -ছবি সংগৃহীত

বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণের জন্য ঢাকার অনুরোধ ‘আইনি ও বিচারিক প্রক্রিয়ার আওতায়’ পর্যালোচনা করছে ভারত। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) নয়া দিল্লিতে সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, “চলমান বিচারিক ও অভ্যন্তরীণ আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে অনুরোধটি পরীক্ষা করা হচ্ছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে গঠনমূলকভাবে যুক্ত থাকবে ভারত এবং পরিস্থিতির ওপর নিবিড় নজর রাখা হচ্ছে।”

ছাত্র-জনতার ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের অভ্যুত্থানের মুখে ক্ষমতা হারিয়ে শেখ হাসিনা ভারতে আশ্রয় নেন এবং বর্তমানে দিল্লিতে অবস্থান করছেন। পরবর্তীতে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে তার বিরুদ্ধে বিচার শুরু হলে তাকে দেশে ফেরাতে অন্তর্বর্তী সরকার প্রথম চিঠি পাঠায়।

এরপর গত নভেম্বরে ট্রাইব্যুনাল মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণার পর শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে প্রত্যর্পণের জন্য আবারও ভারতের কাছে অনুরোধ জানানো হয়। তবে এসব চিঠির কোনো আনুষ্ঠানিক জবাব দেয়নি দিল্লি।

সাম্প্রতিক সময়ে নতুন নির্বাচিত সরকারের পক্ষ থেকেও একই অনুরোধ পুনর্ব্যক্ত করা হয়। চলতি মাসের ৭ এপ্রিল দিল্লি সফরে গিয়ে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠকে বিষয়টি উত্থাপন করেন। পরদিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামালকে ফেরত চাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

ওই সফরে খলিলুর রহমান ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল এবং পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস বিষয়ক মন্ত্রী হারদীপ সিংহ পুরির সঙ্গেও বৈঠক করেন।

ভারতের মুখপাত্র জানান, এই প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া দেশটির নিজস্ব আইনি কাঠামোর মধ্যে ‘কঠোর মূল্যায়নের’ মধ্য দিয়ে এগোচ্ছে। একই সঙ্গে তিনি ইঙ্গিত দেন, বিষয়টি সংবেদনশীল হলেও বাংলাদেশের নতুন সরকারের সঙ্গে স্বাভাবিক কূটনৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখতে আগ্রহী দিল্লি।

তিনি আরও বলেন, দুই দেশের মধ্যে গঠনমূলক সম্পৃক্ততা অব্যাহত থাকবে এবং বাণিজ্য, জ্বালানি ও আঞ্চলিক নিরাপত্তাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে উভয় পক্ষ সম্মত হয়েছে। পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক ইস্যুতে শিগগিরই আনুষ্ঠানিক বৈঠক হওয়ার প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেন তিনি।

আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দুই দেশের সম্পর্ক যখন নিম্ন পর্যায়ে নেমে আসে, তখন তা স্বাভাবিক করতে ভারতের বর্তমান সরকার বাংলাদেশের নতুন প্রশাসনের সঙ্গে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করছে।
সানা/আপ্র/১৮/৪/২০২৬

 

সংশ্লিষ্ট খবর

গরম কমবে কবে জানালো আবহাওয়া অফিস
০৩ জুন ২০২৬

গরম কমবে কবে জানালো আবহাওয়া অফিস

সারাদেশের অধিকাংশ জায়গায় তাপপ্রবাহ বইছে। এই তাপপ্রবাহ আজও অব্যাহত থাকতে পারে। তবে ৫ জুন (শুক্রবার) স...

সরকারপ্রধান হিসেবে প্রথম বিদেশ সফরে যাচ্ছেন তারেক রহমান
০৩ জুন ২০২৬

সরকারপ্রধান হিসেবে প্রথম বিদেশ সফরে যাচ্ছেন তারেক রহমান

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রথম বিদেশ সফরের আমন্ত্রণ এসেছিল ভারত থেকে। গত ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচনের...

ঢাকায় আজ বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে, কমতে পারে তাপমাত্রা
০৩ জুন ২০২৬

ঢাকায় আজ বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে, কমতে পারে তাপমাত্রা

ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বুধবার (৩জুন) বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহা...

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতি হলেন ড. খলিলুর রহমান
০৩ জুন ২০২৬

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতি হলেন ড. খলিলুর রহমান

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি পদে নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খ...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

পদত্যাগ করলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান

বর্তমান সরকারের চারমাস পূর্ণ না হতেই হঠাৎ মন্ত্রিসভা থেকে সরে দাঁড়ালেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে তিনি তার পদত্যাগপত্র জমা দেন। দীপেন দেওয়ানের আকস্মিক এই পদত্যাগের পেছনে শারীরিক অসুস্থতার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। আপনি কি মনে করেন তিনি সত্যিই অসুস্থতার কারণে সরে গেলেন?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 1 দিন আগে