গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
রোববার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬

মেনু

গ্রেফতারের ক্ষমতা পাচ্ছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন

নিজেস্ব প্রতিবেদক

নিজেস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৪:১৪ পিএম, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | আপডেট: ১৮:১৭ এএম ২০২৬
গ্রেফতারের ক্ষমতা পাচ্ছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন
ছবি

ছবি সংগৃহীত

জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল, ২০২৬’র খসড়ায় পাঁচ জায়গায় পরিবর্তন এনেছে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। যাচাই-বাছাই শেষে সংশোধিত আকারে বিলটি সংসদে পাসের সুপারিশ করেছে কমিটি।

বুধবার (২ আগস্ট) জাতীয় সংসদে এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হবে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে গ্রেফতারের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, কমিশন কর্তৃক তদন্তকালে কোনো আমলযোগ্য অপরাধের ঘটনা দেখতে পেলে এবং ওই ঘটনায় থানায় কোনো মামলা থাকলে আসামিকে গ্রেপ্তার করে থানায় সোপর্দ করতে পারবে কমিশন। কমিশন চাইলে যেকোনো ঘটনার তদন্তও করতে পারবে। সেই তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে সাক্ষ্য হিসেবে বিবেচিত হবে।

এ ছাড়া জাতিসংঘের নির্যাতনবিরোধী প্রটোকলের আলোকে জাতীয় প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থাপনা ইউনিট (এনপিএম) প্রতিষ্ঠা করা হবে। এই এনপিএম তার ইচ্ছেমতো যেকোনো স্থানে, বিশেষ করে আটককেন্দ্র, হাজতখানা ও সেইফ হোম পরিদর্শন করতে পারবে। এ জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোনো পূর্বানুমতির প্রয়োজন হবে না। খসড়া বিলে পূর্বানুমতির বিধান থাকায় তা নিয়ে সমালোচনা উঠেছিল।

এ ছাড়া সংসদীয় স্থায়ী কমিটি কমিশন নিয়োগের ক্ষেত্রে একজন নারী ও একজন নৃগোষ্ঠীর প্রতিনিধিকে রাখা বাধ্যতামূলক করার সুপারিশ করেছে।

এর আগে, গত ২৭ আগস্ট আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল, ২০২৬ সংসদে উত্থাপন করেন। বিলটি পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য সংশ্লিষ্ট সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়। ডেপুটি স্পিকার কমিটিকে দুই কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দিয়েছিলেন।

গত ৩০ আগস্ট সংসদীয় কমিটির বৈঠকে বিলটি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা ও যাচাই-বাছাই করা হয়। বৈঠক শেষে প্রয়োজনীয় সংশোধনসহ বিলটি সংসদে পাসের সুপারিশ করা হয়। সে অনুযায়ী আজ সুপারিশটি সংসদে উপস্থাপন করা হবে।

জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন, ২০০৯ রহিত করে নতুন আইনি কাঠামো তৈরির উদ্দেশ্যে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল, ২০২৬ আনা হয়েছে। সরকারের বক্তব্য, নতুন আইনের মাধ্যমে কমিশনকে আ কার্যকর ও স্বাধীন প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘন প্রতিরোধ ও প্রতিকারের কাঠামো শক্তিশালী করা হবে।

সংসদীয় কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী পাঁচ জায়গায় সংশোধনসহ বিলটি আজ সংসদে উপস্থাপন করা হলে এসব পরিবর্তনের বিষয়ে সংসদে বিস্তারিত আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। এরপর বিলটি পাসের জন্য সংসদে বিবেচনায় আসবে।

এসি/আপ্র/০২/০৯/২০২৬

 

সংশ্লিষ্ট খবর

এবার কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ছাড়াই দুর্গাপূজা উদযাপন হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
২৫ অক্টোবর ২০২৬

এবার কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ছাড়াই দুর্গাপূজা উদযাপন হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

দেশে ধর্মীয় সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল ও নজিরবিহীন দৃষ্টান্ত স্থাপন করে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা এবং উৎসাহ-উদ্...

১ নভেম্বর থেকে সেন্টমার্টিনে দৈনিক যেতে পারবেন সাড়ে তিন হাজার পর্যটক
২৫ অক্টোবর ২০২৬

১ নভেম্বর থেকে সেন্টমার্টিনে দৈনিক যেতে পারবেন সাড়ে তিন হাজার পর্যটক

দেশের সর্বদক্ষিণের একমাত্র প্রবালদ্বীপ সেন্টমার্টিনে পর্যটক ভ্রমণের নিয়মে পরিবর্তন এনেছে সরকার। আগাম...

মেট্রোরেলের সব স্টেশনে বসছে আধুনিক নিরাপত্তাব্যবস্থা
২৫ অক্টোবর ২০২৬

মেট্রোরেলের সব স্টেশনে বসছে আধুনিক নিরাপত্তাব্যবস্থা

রাজধানীর মেট্রোরেল স্টেশনগুলোতে নিরাপত্তা জোরদার ও যাত্রীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে বিমানবন্দরের আদলে...

মাদরাসায় শিশু নির্যাতন বন্ধে কঠোর সংস্কারের তাগিদ আজহারীর
২৫ অক্টোবর ২০২৬

মাদরাসায় শিশু নির্যাতন বন্ধে কঠোর সংস্কারের তাগিদ আজহারীর

মাদরাসায় অতিরিক্ত শারীরিক শাস্তি, বেত্রাঘাত, নির্যাতন কিংবা অনুপযুক্ত স্পর্শ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

কোনো সক্রিয় জরিপ নেই