গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬

মেনু

ধানমন্ডিতে জোড়া খুনের মামলায় গৃহকর্মী সুরভীর প্রাণদণ্ড

নিজেস্ব প্রতিবেদক

নিজেস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৭:৪৬ পিএম, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | আপডেট: ০৬:৫৭ এএম ২০২৬
ধানমন্ডিতে জোড়া খুনের মামলায় গৃহকর্মী সুরভীর প্রাণদণ্ড
ছবি

ছবি সংগৃহীত

সাত বছর আগে ঢাকার ধানমন্ডিতে আফরোজা বেগম এবং তার গৃহকর্মী দিতি হত্যা মামলায় গৃহকর্মী সুরভী আক্তার নাহিদকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। তবে আফরোজা বেগমের বাসার কর্মী বাচ্চু মিয়ার অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় খালাস দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত আসামি সুরভীকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে ৬ মাস কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।  

মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার সপ্তম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ তাওহীদা আক্তার এই রায় দেন। সংশ্লিষ্ট আদালতের প্রসিকিউটর মাহফুজ হাসান এই তথ্য নিশ্চিত করেন।  

এর আগে গত ৮ ফেব্রুয়ারি মামলার রায়ের দিন ছিল। তবে রায় প্রস্তুত না হওয়ায় তা পিছিয়ে ১৭ ফেব্রুয়ারি রাখা হয়।  

২০১৯ সালের ১ নভেম্বর রাতে ধানমন্ডির ২৮ নম্বর (নতুন ১৫) রোডে ‘লোবেলিয়া হাউজ’ নামের একটি ভবনের পঞ্চম তলা থেকে টিমটেক্স গ্রুপের এমডি ও ক্রিয়েটিভ গ্রুপের ডিএমডি কাজী মনির উদ্দিন তারিমের শাশুড়ি আফরোজা বেগম (৬৫) এবং তার গৃহকর্মী দিতির (১৮) রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার করা হয়। তাদের দুজনকেই গলা কেটে হত্যা করা হয়।  

আফরোজা যে ফ্ল্যাটে থাকতেন, আর তার উল্টো দিকের ফ্ল্যাট এবং তার ঠিক উপরে ছয়তলার ফ্ল্যাট নিয়ে ডুপ্লেক্সে বাসায় স্বামী-সন্তান নিয়ে থাকেন তার মেয়ে দিলরুবা সুলতানা রুবা। তিনিই এই ঘটনায় ৩ নভেম্বর মামলা দায়ের করেন।  

থানা পুলিশ, ডিবি পুলিশের হাত ঘুরে মামলার তদন্তভার পায় পিবিআই। ঘটনার প্রায় ২৭ মাস পর ২০২২ সালের ১ ফেব্রুয়ারি দুজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দেন তদন্ত কর্মকর্তা মজিবুর রহমান।  

২০২২ সালের ১১ অক্টোবর দুই আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু হয়। বিচার চলাকালে আদালত ৩২ জন সাক্ষীর মধ্যে ২৫ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করে।

দিলরুবা সুলতান রুবা মামলায় অভিযোগ করেন, আফরোজা বেগম এবং তার মেয়ে দিলরুবা সুলতানা রুবি পাশাপাশি বসবাস করেন। বিকাল সাড়ে ৪টা থেকে ৫টার মধ্যে দিলরুবা ওই কাজের মেয়েকে তার মায়ের ফ্ল্যাটে কাজের জন্য পাঠান। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে দিলরুবা তার মাকে ফোন দিলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি। এজন্য দিলরুবা তার বাসার কাজের ছেলে রিয়াজকে মায়ের ফ্ল্যাটে পাঠান। রিয়াজ সেখানে গিয়ে কলিং বেল চাপেন এবং ডাকাডাকি করে কোনও শব্দ না পেয়ে দরজা ধাক্কা দিলে তা খোলা দেখতে পান। রিয়াজ আফরোজা বেগমকে ডাইনিং রুমের মেঝেতে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে দৌড়ে গিয়ে দিলরুবাকে জানান। দিলরুবা দৌড়ে বাসার ভেতরে প্রবেশ করে দেখতে পান যে, ডাইনিং রুমের মেঝেতে আফরোজা বেগম পড়ে আছেন এবং পাশের গেস্টরুমে কাজের মেয়ে দিতির রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে আছে।

এসি/১৭/০২/২০২৬

সংশ্লিষ্ট খবর

মুফতি আমির হামজার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা
২১ এপ্রিল ২০২৬

মুফতি আমির হামজার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

কুষ্টিয়া-৩ আসনের এমপি মুফতি আমির হামজার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন সিরাজগঞ্জের আদালত।মঙ্...

ট্রাইব্যুনালের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে সতর্কতা বার্গম্যানের
১৯ এপ্রিল ২০২৬

ট্রাইব্যুনালের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে সতর্কতা বার্গম্যানের

রাজনীতিকীকরণের প্রভাব আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের গ্রহণযোগ্যতা ক্ষুণ্ন করতে পারে বলে সতর্ক করেছ...

ভূমি দখলের মামলায় চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের জামিন
১৭ এপ্রিল ২০২৬

ভূমি দখলের মামলায় চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের জামিন

চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে জমি দখল ও মারধরের অভিযোগে করা একটি মামলায় জামিন পেয়েছেন সম্মিলিত সনাতনী জাগর...

রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারে উদ্যোগ
১৬ এপ্রিল ২০২৬

রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারে উদ্যোগ

বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে দায়ের করা হয়রানিমূলক মামলাগুলো প্রত্যাহারের বিষয়ে সর...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

কোনো সক্রিয় জরিপ নেই