গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মেনু

নাইজারের বৃহত্তম বিমানবন্দরে ভয়াবহ বন্দুক হামলায় নিহত ৩৫

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৪:১৬ পিএম, ১৯ জুন ২০২৬ | আপডেট: ০১:৩২ এএম ২০২৬
নাইজারের বৃহত্তম বিমানবন্দরে ভয়াবহ বন্দুক হামলায় নিহত ৩৫
ছবি

ছবি সংগৃহীত

আফ্রিকার দেশ নাইজারের বৃহত্তম বিমানবন্দর দিওরি হামানি ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্টে ভয়াবহ বন্দুক হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে ৩৫ জন নিহত হয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে।

শুক্রবার (১৯ জুন) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ করেছে বিবিসি।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমটির প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকালের দিকে ঘটেছে এ হামলার ঘটনা। 

এক বিবৃতিতে নাইজারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে ২২ জন হামলাকারী, ১১ জন সেনাসদস্য এবং ২ জন বেসামরিক আছেন।

এছাড়া হামলাকারীদের মধ্যে ৪ জন আহত হয়েছে এবং ২০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনাস্থলে এবং গ্রেপ্তারদের কাছ থেকে একাধিক আরপিজি-৭ রকেট প্রোপেল্ড গ্রেনেড লাঞ্চার, বেশ কয়েকটি একে ৪৭, বিস্ফোরক, বেশ কয়েকটি গ্রেনেড, ওয়াকিটকি এবং কয়েক হাজার রাউন্ড গোলাবারুদ জব্দ করা হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে।

এদিকে, হামলার দায় স্বীকার করে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বিবৃতি দিয়েছে নাইজারের সশস্ত্র জঙ্গিগোষ্ঠী জামা’য়াত নুসরাত আল ইসলাম ওয়াল মুসলিমিন (জেএনআইএম)। সংগঠনটি আন্তর্জাতিক ইসলামি সন্ত্রাসীগোষ্ঠী আল কায়েদার সমর্থনপুষ্ট।

দিওরি হামানি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরটি নাইজারের রাজধানী নিয়ামেতে অবস্থিত। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার ভোরবেলায় ফজরের নামাজ শেষ হওয়ার পর পরই বিমানবন্দর এলাকায় গুলি ও বিস্ফোরণের আওয়াজ পান তারা।

লাওয়ালি সালহা নামে এক প্রত্যক্ষদর্শী বিবিসিকে বলেন, আমার বাসা বিমানবন্দরের কাছাকাছি। বৃহস্পতিবার ভোর ৫টা ৫০ মিনিটের দিকে ফজরের নামাজ শেষ হওয়ার পর পর আমরা প্রথম বিস্ফোরণের শব্দ শুনি। প্রথমে আমরা ভেবেছিলাম হয়তো কাছাকাছি কোনো ট্রাক কিংবা বাসের টায়ার ফেটে গেছে। পরে গুলির শব্দ শুনে বুঝতে পারলাম যে আসলে কী ঘটছে।

উল্লেখ্য, দিওরি হামানি নাইজারের সবচেয়ে স্পর্শকাতর নিরাপত্তাসংশ্লিষ্ট স্থাপনাগুলোর একটি। মূলত, বেসামরিক হলেও এই বিমানবন্দরে নাইজার সেনাবাহিনীর একটি ঘাঁটি রয়েছে। এছাড়া, এ বিমানবন্দরে আফ্রিকার সাহেল অঞ্চলভুক্ত দেশগুলোর জোট অ্যালায়েন্স অব সাহেল স্টেটস বা এইএসের স্থাপনাও আছে। এই জোটের সদস্যরাষ্ট্র ৩টি— নাইজার, মালি ও বুরকিনা ফাসো।

এ কারণে বিমানবন্দরটির নিরাপত্তা ব্যবস্থাও কড়া। বিমানবন্দর এবং সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোতে ৩৫০টিরও বেশি নজরদারি ক্যামেরা আছে।

পশ্চিম আফ্রিকার মুসলিম অধ্যুষিত দেশ নাইজারের সরকার ও সেনাবাহিনী গত ১০ বছর ধরে কট্টর ইসলাপন্থি বিভিন্ন সন্ত্রাসীগোষ্ঠীর সঙ্গে লড়াই করছে। এর আগে, গত জানুয়ারিতে একবার একই বিমানবন্দরে হামলা করেছিল আইএসপন্থি একটি সন্ত্রাসী গোষ্ঠী। সেই হামলায় নাইজারের একজন সেনাসদস্য এবং ২০ জন হামলাকারী নিহত হয়েছিলেন।

এসি/আপ্র/১৯/০৬/২০২৬

 

সংশ্লিষ্ট খবর

নিউইয়র্ক টাইমসের নির্বাহীকে গুলি, শ্বশুর-শাশুড়ি গ্রেফতার
২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নিউইয়র্ক টাইমসের নির্বাহীকে গুলি, শ্বশুর-শাশুড়ি গ্রেফতার

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের ডাবলিনে দ্য নিউইয়র্ক টাইমসের গেমস বিভাগের প্রকৌশল নির্বাহী...

ইসরায়েলকে আর মার্কিন সামরিক সহায়তা নয়
২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ইসরায়েলকে আর মার্কিন সামরিক সহায়তা নয়

ইসরায়েলের আসন্ন পার্লামেন্ট নির্বাচনে আরব-প্রধান দুটি রাজনৈতিক জোটকে অংশগ্রহণে নিষেধাজ্ঞার পর দেশটিক...

শনির চাঁদে পৃথিবীর অণুজীবের টিকে থাকার ইঙ্গিত
২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

শনির চাঁদে পৃথিবীর অণুজীবের টিকে থাকার ইঙ্গিত

শনির উপগ্রহ এনসেলাডাসে প্রাণের অস্তিত্বের সম্ভাবনা নিয়ে বিজ্ঞানীদের আগ্রহ দীর্ঘদিনের। বরফে ঢাকা এই উ...

ভারতের পথেই হাঁটছে যুক্তরাষ্ট্র, মন্তব্য জয়শঙ্করের
২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ভারতের পথেই হাঁটছে যুক্তরাষ্ট্র, মন্তব্য জয়শঙ্করের

যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরে ভারতের অনুসৃত কৌশলগত স্বায়ত্তশাসনের কূটনৈতিক পথেই হাঁটছে বলে মন্তব্য করেছে...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

কোনো সক্রিয় জরিপ নেই