গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২৬

মেনু

নাইজারের বৃহত্তম বিমানবন্দরে ভয়াবহ বন্দুক হামলায় নিহত ৩৫

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৪:১৬ পিএম, ১৯ জুন ২০২৬ | আপডেট: ২০:০৬ এএম ২০২৬
নাইজারের বৃহত্তম বিমানবন্দরে ভয়াবহ বন্দুক হামলায় নিহত ৩৫
ছবি

ছবি সংগৃহীত

আফ্রিকার দেশ নাইজারের বৃহত্তম বিমানবন্দর দিওরি হামানি ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্টে ভয়াবহ বন্দুক হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে ৩৫ জন নিহত হয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে।

শুক্রবার (১৯ জুন) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ করেছে বিবিসি।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমটির প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকালের দিকে ঘটেছে এ হামলার ঘটনা। 

এক বিবৃতিতে নাইজারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে ২২ জন হামলাকারী, ১১ জন সেনাসদস্য এবং ২ জন বেসামরিক আছেন।

এছাড়া হামলাকারীদের মধ্যে ৪ জন আহত হয়েছে এবং ২০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনাস্থলে এবং গ্রেপ্তারদের কাছ থেকে একাধিক আরপিজি-৭ রকেট প্রোপেল্ড গ্রেনেড লাঞ্চার, বেশ কয়েকটি একে ৪৭, বিস্ফোরক, বেশ কয়েকটি গ্রেনেড, ওয়াকিটকি এবং কয়েক হাজার রাউন্ড গোলাবারুদ জব্দ করা হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে।

এদিকে, হামলার দায় স্বীকার করে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বিবৃতি দিয়েছে নাইজারের সশস্ত্র জঙ্গিগোষ্ঠী জামা’য়াত নুসরাত আল ইসলাম ওয়াল মুসলিমিন (জেএনআইএম)। সংগঠনটি আন্তর্জাতিক ইসলামি সন্ত্রাসীগোষ্ঠী আল কায়েদার সমর্থনপুষ্ট।

দিওরি হামানি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরটি নাইজারের রাজধানী নিয়ামেতে অবস্থিত। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার ভোরবেলায় ফজরের নামাজ শেষ হওয়ার পর পরই বিমানবন্দর এলাকায় গুলি ও বিস্ফোরণের আওয়াজ পান তারা।

লাওয়ালি সালহা নামে এক প্রত্যক্ষদর্শী বিবিসিকে বলেন, আমার বাসা বিমানবন্দরের কাছাকাছি। বৃহস্পতিবার ভোর ৫টা ৫০ মিনিটের দিকে ফজরের নামাজ শেষ হওয়ার পর পর আমরা প্রথম বিস্ফোরণের শব্দ শুনি। প্রথমে আমরা ভেবেছিলাম হয়তো কাছাকাছি কোনো ট্রাক কিংবা বাসের টায়ার ফেটে গেছে। পরে গুলির শব্দ শুনে বুঝতে পারলাম যে আসলে কী ঘটছে।

উল্লেখ্য, দিওরি হামানি নাইজারের সবচেয়ে স্পর্শকাতর নিরাপত্তাসংশ্লিষ্ট স্থাপনাগুলোর একটি। মূলত, বেসামরিক হলেও এই বিমানবন্দরে নাইজার সেনাবাহিনীর একটি ঘাঁটি রয়েছে। এছাড়া, এ বিমানবন্দরে আফ্রিকার সাহেল অঞ্চলভুক্ত দেশগুলোর জোট অ্যালায়েন্স অব সাহেল স্টেটস বা এইএসের স্থাপনাও আছে। এই জোটের সদস্যরাষ্ট্র ৩টি— নাইজার, মালি ও বুরকিনা ফাসো।

এ কারণে বিমানবন্দরটির নিরাপত্তা ব্যবস্থাও কড়া। বিমানবন্দর এবং সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোতে ৩৫০টিরও বেশি নজরদারি ক্যামেরা আছে।

পশ্চিম আফ্রিকার মুসলিম অধ্যুষিত দেশ নাইজারের সরকার ও সেনাবাহিনী গত ১০ বছর ধরে কট্টর ইসলাপন্থি বিভিন্ন সন্ত্রাসীগোষ্ঠীর সঙ্গে লড়াই করছে। এর আগে, গত জানুয়ারিতে একবার একই বিমানবন্দরে হামলা করেছিল আইএসপন্থি একটি সন্ত্রাসী গোষ্ঠী। সেই হামলায় নাইজারের একজন সেনাসদস্য এবং ২০ জন হামলাকারী নিহত হয়েছিলেন।

এসি/আপ্র/১৯/০৬/২০২৬

 

সংশ্লিষ্ট খবর

হরমুজকে যুক্তরাষ্ট্রের এলাকা করার হুমকি ট্রাম্পের
১৫ আগস্ট ২০২৬

হরমুজকে যুক্তরাষ্ট্রের এলাকা করার হুমকি ট্রাম্পের

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানকে পরাজিত করার পর খুব শিগগির হরমুজ প্রণালিকে যুক্তরা...

পাইলটের শরীরে গাঁজার উপাদান শনাক্ত, বিমান নামার রহস্য কী
১৫ আগস্ট ২০২৬

পাইলটের শরীরে গাঁজার উপাদান শনাক্ত, বিমান নামার রহস্য কী

মাঝ আকাশে হঠাৎ প্রায় ৩০০ ফুট নিচে নেমে যাওয়ার ঘটনার পর ভারতের এয়ার ইন্ডিয়ার এক পাইলটের শরীরে গাঁজার...

শিশুহত্যায় ফাঁসি, ১১৯ বছর পর উঠলো নতুন প্রশ্ন
১৫ আগস্ট ২০২৬

শিশুহত্যায় ফাঁসি, ১১৯ বছর পর উঠলো নতুন প্রশ্ন

ওয়েলসের ইতিহাসে সর্বশেষ ফাঁসিতে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত নারী লেসলি জেমসকে নিয়ে ১১৯ বছর পর নতুন করে প্রশ্ন...

ট্রাম্পের মামলায় পরিবারের সদস্যদের তলব চায় বিবিসি
১৫ আগস্ট ২০২৬

ট্রাম্পের মামলায় পরিবারের সদস্যদের তলব চায় বিবিসি

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের করা ১০ বিলিয়ন ডলারের মানহানি মামলায় তার পরিবারের সদস্যদের কাছ...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

লোডশেডিং নিয়ে বিএনপি সরকারের কড়া সমালোচনা নাহিদ ইসলামের

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট নিয়ে বিএনপি সরকারের কড়া সমালোচনা করেছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। শুক্রবার (১৪ আগস্ট) এক সমাবেশে তিনি বলেছেন, বর্তমান পরিস্থিতি ২০০১-২০০৬ সময়কার লোডশেডিং সংকটের কথা মনে করিয়ে দিচ্ছে। প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন নাহিদ ইসলাম সঠিক বলেছেন?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 19 ঘন্টা আগে