গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মেনু

অভিবাসনপথে বছরে প্রায় আট হাজার মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৯:১১ পিএম, ২২ এপ্রিল ২০২৬ | আপডেট: ০৭:৫২ এএম ২০২৬
অভিবাসনপথে বছরে প্রায় আট হাজার মৃত্যু
ছবি

প্রতি ১০টি মৃত্যু বা নিখোঁজের ঘটনার মধ্যে চারটির বেশি ঘটেছে ইউরোপ যাওয়ার সমুদ্র রুটগুলোতে -ছবি রয়টার্স

 বিশ্বজুড়ে অভিবাসনপথে মৃত্যু ও নিখোঁজের সংখ্যা উদ্বেগজনকভাবে উচ্চ অবস্থায় রয়েছে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা। সংস্থাটির সর্বশেষ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালে অন্তত ৭ হাজার ৯০৪ জন অভিবাসী মারা গেছেন বা নিখোঁজ হয়েছেন, যা গড়ে বছরে প্রায় ৮ হাজার প্রাণহানির সমান।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইউরোপমুখী সমুদ্রপথগুলোই সবচেয়ে বেশি প্রাণঘাতী হয়ে উঠেছে। মোট মৃত্যু ও নিখোঁজের প্রতি ১০টির মধ্যে ৪টির বেশি ঘটনাই এসব পথে ঘটেছে। বিশেষ করে ভূমধ্যসাগর অঞ্চলে নৌকাডুবি ও ‘অদৃশ্য দুর্ঘটনা’ বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে, যেখানে পুরো নৌকা নিখোঁজ হয়ে যায় এবং কোনো হদিস পাওয়া যায় না।

যদিও ২০২৪ সালের রেকর্ড ৯ হাজার ১৯৪ জনের তুলনায় এ সংখ্যা কিছুটা কম, তবু সহায়তার ঘাটতির কারণে আরো প্রায় ১ হাজার ৫০০ সম্ভাব্য মৃত্যুর ঘটনা যাচাই করা যায়নি বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। ২০১৪ সাল থেকে এখন পর্যন্ত অভিবাসনপথে ৮২ হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে, যার ফলে প্রায় ৩ লাখ ৪০ হাজার পরিবার সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

সংস্থাটির মানবিক সহায়তা বিভাগের পরিচালক মারিয়া মোইতা বলেন, এই পরিসংখ্যান বৈশ্বিক ব্যর্থতার প্রতিফলন। প্রতিটি সংখ্যার পেছনে রয়েছে বিপজ্জনক যাত্রায় নিখোঁজ বা প্রাণ হারানো মানুষের গল্প।

প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, ইউরোপে অভিবাসী আগমনের সামগ্রিক হার কমলেও যাত্রার ধরনে পরিবর্তন এসেছে। সিরীয়দের সংখ্যা কমে গেলেও বাংলাদেশিরা এখন ইউরোপমুখী অভিবাসীদের মধ্যে বৃহত্তম একক গোষ্ঠীতে পরিণত হয়েছে।

অন্যদিকে পশ্চিম আফ্রিকার রুট দিয়ে উত্তরমুখী যাত্রায় অন্তত ১ হাজার ২০০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এশিয়াতেও রেকর্ড সংখ্যক প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। বিশেষ করে রোহিঙ্গা শরণার্থীরা মিয়ানমারের সহিংসতা ও বাংলাদেশের শিবিরের দুর্দশা থেকে পালাতে গিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ পথে প্রাণ হারাচ্ছেন।

সংস্থাটির মহাপরিচালক অ্যামি পোপ বলেন, সংঘাত, জলবায়ু পরিবর্তন ও নীতিগত পরিবর্তনের কারণে অভিবাসনের রুট বদলালেও ঝুঁকি কমছে না। তাঁর মতে, প্রতিটি সংখ্যার পেছনে রয়েছে এমন পরিবার, যারা হয়তো আর কখনো তাদের প্রিয়জনের খোঁজ পাবে না।


সানা/ডিসি/আপ্র/২২/৪/২০২৬
 

সংশ্লিষ্ট খবর

বিমানের ১১ বোয়িং কেনায় বাংলাদেশকে ধন্যবাদ ট্রাম্পের
২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বিমানের ১১ বোয়িং কেনায় বাংলাদেশকে ধন্যবাদ ট্রাম্পের

বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় বিমান সংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের আরো ১১টি বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার সিদ্ধান্...

সৌদির ইয়ানবু বন্দর রক্ষায় সেনা পাঠাবে ফ্রান্স
২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সৌদির ইয়ানবু বন্দর রক্ষায় সেনা পাঠাবে ফ্রান্স

লোহিত সাগরে সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ তেল রপ্তানি বন্দর ইয়ানবু রক্ষায় সেনা, রাডার ও প্রতিরক্ষাব্যবস্থা...

শির ওয়াশিংটন সফরে জাঁকজমক বেশি, অগ্রগতি সামান্য
২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

শির ওয়াশিংটন সফরে জাঁকজমক বেশি, অগ্রগতি সামান্য

চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিনপিংয়ের যুক্তরাষ্ট্র সফর ঘিরে ওয়াশিংটনে ছিল নজিরবিহীন জাঁকজমক। বিমানঘাঁটিতে ব...

মারণাস্ত্র নয়, যুক্তিতর্কেই বিশ্বশান্তি চান তারেক রহমান
২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মারণাস্ত্র নয়, যুক্তিতর্কেই বিশ্বশান্তি চান তারেক রহমান

জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

কোনো সক্রিয় জরিপ নেই