গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬

মেনু

পাকিস্তানে এক দোকান থেকে ৩০ জনের অগ্নিদগ্ধ মরদেহ উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ১০:৫৮ পিএম, ২২ জানুয়ারি ২০২৬ | আপডেট: ১৭:০৭ এএম ২০২৬
পাকিস্তানে এক দোকান থেকে ৩০ জনের অগ্নিদগ্ধ মরদেহ উদ্ধার
ছবি

ছবি সংগৃহীত

পাকিস্তানের বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে পরিচিত করাচি শহরের অন্যতম ব্যস্ত শপিং কমপ্লেক্স গুল প্লাজার একটি দোকান থেকে ৩০ জনের দগ্ধ মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এদের মধ্যে এ পর্যন্ত ১৫ জনের পরিচয় উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।

করাচির দক্ষিণ জোনের উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক আসাদ রাজা গতকাল বুধবার এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, ‘গুল প্লাজার দ্বিতীয় তলায় দুবাই ক্রোকারিজ নামের একটি দোকান থেকে ৩০ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ১৫ জনের নাম-পরিচয় জানা গেছে। বাকিদের পরিচয় উদ্ধারে কাজ শুরু হয়েছে।’

তিনি আরো জানান, এই ৩০ জনের মরদেহ উদ্ধারের মাধ্যমে গুল প্লাজায় মোট মৃতের সংখ্যা ৬১ জনে পৌঁছালো। এখনো এখনো ৪০ জনের বেশি নিখোঁজ আছেন বলেও উল্লেখ করেছেনতিন।

গত ১৭ জানুয়ারি শনিবার আগুন লাগে করাচির অন্যতম বড় শপিং কমপ্লেক্স গুল প্লাজায়। প্লাজার বেসমেন্টে প্রথম আগুন লাগে এবং তারপর অবিশ্বাস্য দ্রুতগতিতে পুরো শপিং কমপ্লেক্সে ছড়িয়ে পড়ে তা। ধারণা করা হচ্ছে, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে সূত্রপাত হয়েছে আগুনের। সেই আগুনের মাত্রা এত বেশি ছিল যে ফায়ার সার্ভিস কর্মীদের ২৪ ঘণ্টা সময় লেগেছে তা নিয়ন্ত্রণে আনতে।

১৯৮০ সালে তৈরি হওয়া এই ৫ তলা শপিং কমপ্লেক্সটির আয়তন একটি ফুটবল মাঠের চেয়েও বড় এবং ১ হাজার ২ শতাধিক দোকান আছে এখানে। আগুনে এসব দোকানের অধিকাংশই ভস্মীভূত হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শী, ফায়ার সার্ভিস এবং পুলিশসূত্রে জানা গেছে, এর আগে করাচিতে এত বড় আকারের অগ্নিকাণ্ড দেখা যায়নি।

তবে হতাহত এবং নিখোঁজের সংখ্যা এত বেশি হওয়ার কারণ হিসেবে গুল প্লাজা কর্তৃপক্ষের অব্যবস্থাপনাকে দায়ী করেছে ফায়ার সার্ভিস কর্তৃপক্ষ।

করাচি ফায়ার সার্ভিসের এক কর্মকর্তা পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম জিও নিউজকে জানিয়েছেন, গুল প্লাজায় মোট ফটক বা গেইটের সংখ্যা ২৬টি, কিন্তু চলাচলের জন্য ২টি বাদে বাকি সবগুলো গেইট সবসময় বন্ধ থাকতো। আগুন লাগার সময়েও ফটকগুলো আর খোলা হয়নি। ফলে শত শত মানুষ শপিং কম্পেক্সটিতে আটকা পড়েছিলেন। এছাড়া মার্কেটের অগ্নি নির্বাপক যন্ত্রগুলোও নষ্ট ছিল বলে জানা গেছে।

বুধাবরের ব্রিফিংয়ে উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক আসাদ রাজা বলেন, ‘প্রাথমিক আনুসন্ধানে আমরা জানতে পেরেছি যে আগুন থেকে বাঁচার জন্য দোকানটির শাটার বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু পড়ে এটিই তাদের মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়ায়। নিহতদের মধ্যে দোকানের মালিক ও কর্মচারীরাও আছেন।’

করাচি পুলিশের এই জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা আরো জানান, গুল প্লাজা অগ্নিকাণ্ডে নিহতের সংখ্যা ১০০ ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে ধারণা করছেন তারা।

করাচির পুলিশপ্রধান এবং কমিশনার সৈয়দ হাসান নাকভি জানিয়েছেন, অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা তদন্তে সিন্ধ রাজ্য সরকার একটি কমিটি করেছে এবং সেই কমিটি ইতোমধ্যে ঘটনাস্থল পরিদর্শনও করেছে।

সূত্র : এএফপি

এসি/আপ্র/২২/০১/২০২৬
 

সংশ্লিষ্ট খবর

পশ্চিমবঙ্গে দ্বিতীয় ধাপের ভোটগ্রহণ আজ, সীমান্তে কড়াকড়ি
২৯ এপ্রিল ২০২৬

পশ্চিমবঙ্গে দ্বিতীয় ধাপের ভোটগ্রহণ আজ, সীমান্তে কড়াকড়ি

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ-এ বিধানসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপের ভোটগ্রহণ আজ বুধবার (২৯ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত হবে। এ...

জাতিসংঘ সম্মেলনে ইরানকে সহসভাপতি নির্বাচন
২৮ এপ্রিল ২০২৬

জাতিসংঘ সম্মেলনে ইরানকে সহসভাপতি নির্বাচন

পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তির পর্যালোচনা সম্মেলনে ইরান-কে সহসভাপতি হিসেবে মনোনীত করা নিয়ে যুক...

হজে গিয়ে মৃত্যু, জান্নাতুল বাকিতে দাফন হলেন জামালপুরের শিক্ষক
২৮ এপ্রিল ২০২৬

হজে গিয়ে মৃত্যু, জান্নাতুল বাকিতে দাফন হলেন জামালপুরের শিক্ষক

পবিত্র হজ পালন করতে গিয়ে সৌদি আরবে এক বাংলাদেশি হজযাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। মৃত ব্যক্তি মো. আব্দুল হাই ব...

বিরিয়ানি–তরমুজ খাওয়ার পর একই পরিবারের ৪ জনের মৃত্যু
২৮ এপ্রিল ২০২৬

বিরিয়ানি–তরমুজ খাওয়ার পর একই পরিবারের ৪ জনের মৃত্যু

ভারতের মুম্বাই শহরে বিরিয়ানি ও তরমুজ খাওয়ার পর মাত্র ১২ ঘণ্টার ব্যবধানে একই পরিবারের চার সদস্যের রহস...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

কোনো সক্রিয় জরিপ নেই