গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬

মেনু

শিশুকে কখন কোন টিকা দেবেন

স্বাস্থ্য ডেস্ক

স্বাস্থ্য ডেস্ক

প্রকাশিত: ১২:৩০ পিএম, ০১ এপ্রিল ২০২৬ | আপডেট: ২২:৫৫ এএম ২০২৬
শিশুকে কখন কোন টিকা দেবেন
ছবি

ছবি সংগৃহীত

একটি সুস্থ ও সক্ষম প্রজন্ম গড়ে তুলতে শিশুর নির্দিষ্ট সময়মতো টিকাদান বা ইপিআই কার্যক্রমের বিকল্প নেই। জন্মের পর নির্ধারিত বয়সে সঠিক টিকা নেওয়া শিশুকে বিভিন্ন ভয়াবহ সংক্রামক রোগ থেকে রক্ষা করে এবং তার রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তোলে।

টিকাদানের সময়সূচি
বাংলাদেশে সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই) অনুযায়ী, জন্মের পর থেকে ১৫ মাস বয়সের মধ্যে শিশুকে মোট ১০টি রোগ প্রতিরোধের জন্য টিকা দেওয়া হয়।

টিকাদানের সময়সূচি

জন্মের পরপরই যক্ষ্মা প্রতিরোধে বিসিজি টিকা দেওয়া হয়।
৬, ১০ ও ১৪ সপ্তাহে, পেন্টাভ্যালেন্ট টিকা (ডিপথেরিয়া, ধনুষ্টঙ্কার, হুপিং কাশি, হেপাটাইটিস বি, হিমোফিলাস ইনফ্লুয়েঞ্জি) এবং ওপিভি (পোলিও) ও পিসিভি (নিউমোনিয়া) দেওয়া হয়। এছাড়া ৬ ও ১৪ সপ্তাহ বয়সে ইনজেকটেবল পোলিও (এফআইপিভি) দেওয়া হয়।

৯ ও ১৫ মাসে হাম ও রুবেলা প্রতিরোধে দুই ডোজ এমআর টিকা দেওয়া হয়।
এছাড়া, টাইফয়েড জ্বর প্রতিরোধের জন্য ৯ মাস বয়সে এক ডোজ টাইফয়েড কনজুগেট ভ্যাকসিন (টিসিভি) দেওয়া হয়।

জরায়ুমুখ ক্যানসার প্রতিরোধে হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস (এইচপিভি) টিকা দেওয়া হয়। মূলত পঞ্চম থেকে নবম শ্রেণির ছাত্রী বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বাইরে থাকা ১০–১৪ বছর বয়সী কন্যাশিশুদের জন্য এই টিকা রয়েছে। বাংলাদেশে নারীদের মধ্যে জরায়ুমুখ ক্যানসারের মৃত্যুহার সবচেয়ে বেশি। সময়মতো এই টিকা নেওয়ার মাধ্যমে ভবিষ্যতে এই ক্যানসারের ঝুঁকি প্রায় শতভাগ কমানো সম্ভব।

প্রজননযোগ্য বয়সী নারীদের (১৫–৪৯ বছর) ধনুষ্টঙ্কার বা টিটেনাস থেকে সুরক্ষার জন্য ৫ ডোজ টিকা দেওয়া হয়। এটি মা ও ভবিষ্যৎ সন্তানের দু’জনকেই প্রাণঘাতী ধনুষ্টঙ্কার থেকে রক্ষা করে।

ডোজ মিস হলে করণীয় ও ঝুঁকি
যদি কোনো কারণে নির্ধারিত সময়ে টিকা নেওয়া না হয়, তবে হতাশ হওয়ার প্রয়োজন নেই। দ্রুত কাছের টিকাদান কেন্দ্রে যোগাযোগ করতে হবে। ডোজ মিস করলে শিশুর রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা সম্পূর্ণ গড়ে উঠতে পারে না এবং সংক্রমণের ঝুঁকি থাকে। মনে রাখতে হবে, দেরি হলেও টিকা নেওয়া না নেওয়ার চেয়ে অনেক বেশি জরুরি।

বুস্টার ডোজের প্রয়োজনীয়তা
কিছু টিকার কার্যকারিতা সময়ের সঙ্গে কমতে পারে। শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা পুনরায় শক্তিশালী করার জন্য বুস্টার ডোজ নেওয়া প্রয়োজন। উদাহরণস্বরূপ, ধনুষ্টঙ্কার বা ডিপথেরিয়ার ক্ষেত্রে বুস্টার ডোজ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে দীর্ঘস্থায়ী করে।

তথ্যসূত্র: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, ইউনিসেফ

এসি/আপ্র/০১/০৪/২০২৬

 

 

 

 

সংশ্লিষ্ট খবর

হামের উপসর্গ নিয়ে আরো ৫ শিশুর মৃত্যু
০৩ জুলাই ২০২৬

হামের উপসর্গ নিয়ে আরো ৫ শিশুর মৃত্যু

হামের উপসর্গ নিয়ে দেশে আরো পাঁচ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে গত ১১০ দিনে দেশে হাম ও হামের উপসর্গে মৃতে...

অতিরিক্ত করলা খেলে হতে পারে মারাত্মক ক্ষতি
০২ জুলাই ২০২৬

অতিরিক্ত করলা খেলে হতে পারে মারাত্মক ক্ষতি

করলার স্বাদ সাধারণত বিশ্বের গ্রীষ্মমন্ডলীয় অঞ্চলে পাওয়া যায় এবং এর তীব্র তেতো স্বাদ রয়েছে। তবে এর অন...

ব্রেন টিউমারের লক্ষণ, কারণ ও আধুনিক চিকিৎসা
০১ জুলাই ২০২৬

ব্রেন টিউমারের লক্ষণ, কারণ ও আধুনিক চিকিৎসা

প্রফেসর ডা. মো. জিল্লুর রহমানমাথাব্যথা, দৃষ্টিশক্তির সমস্যা, খিঁচুনি বা আচরণগত পরিবর্তনের মতো কিছু উ...

হামের উপসর্গে আরো ২ শিশুর মৃত্যু, এ পর্যন্ত মৃত্যু ৭১৮
৩০ জুন ২০২৬

হামের উপসর্গে আরো ২ শিশুর মৃত্যু, এ পর্যন্ত মৃত্যু ৭১৮

হামের উপসর্গ নিয়ে ২৪ ঘণ্টায় (গত সোমবার সকাল আটটা থেকে মঙ্গলবার সকাল আটটা পর্যন্ত) দেশে আরো দুই শিশু...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

কোনো সক্রিয় জরিপ নেই