গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬

মেনু

জোর করে গাড়িতে তোলা হলে চড় মারতে বাধ্য হন আকাঙ্ক্ষা

বিনোদন ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৮:০৪ পিএম, ১৯ অক্টোবর ২০২৬ | আপডেট: ১৯:২২ এএম ২০২৬
জোর করে গাড়িতে তোলা হলে চড় মারতে বাধ্য হন আকাঙ্ক্ষা
ছবি

ছবি সংগৃহীত

অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়ে এমন অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হতে হবে, তা হয়তো ভাবেননি আকাঙ্ক্ষা চৌধুরী। ভারতের টেলিভিশন জগতে পরিচিত মুখ। মডেলিং ও ইনফ্লুয়েন্সার হিসেবেও বেশ পরিচিত। সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানের আয়োজকের প্রতি তিক্ত অভিজ্ঞতা ও অব্যবস্থাপনার অভিযোগ তুলে চলে এলেন আলোচনায়। 

 

তার অভিযোগ, পুণেতে নবরাত্রির একটি অনুষ্ঠানের আয়োজকেরা তার নিরাপত্তার বিষয়টি গুরুত্ব দেননি। এমনকি তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে গাড়িতে তুলে অনুষ্ঠানস্থলে নিয়ে যাওয়া হয় তাকে। পুরো ঘটনাকে অপহরণের মতো অভিজ্ঞতা বলে বর্ণনা করেছেন আকাঙ্ক্ষা। 

এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও জানিয়েছেন তিনি। আকাঙ্ক্ষার দাবি, অনুষ্ঠান ব্যবস্থাপনায় চরম অব্যবস্থাপনা ছিল। তার সঙ্গে যোগাযোগ রাখছিলেন আয়োজক দলের তিন সদস্য, যাদের প্রত্যেকের বয়স ১৮ বছর বলে অভিযোগ করেছেন তিনি। 

নির্ধারিত সময় পেরিয়ে রাত সাড়ে ১০টা পর্যন্ত তার জন্য গাড়ির ব্যবস্থা করা হয়নি। অথচ ওই সময়ই অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার কথা ছিল। তার অভিযোগ, নিজে থেকে কাউকে পাঠানোর অনুরোধ না জানালে আয়োজকদের তাকে অনুষ্ঠানস্থলে নেওয়ার কোনো পরিকল্পনাই ছিল না। 

 

শেষ পর্যন্ত পেডকর গ্রাউন্ডসে পৌঁছানোর পর পরিস্থিতি আরও অস্বস্তিকর হয়ে ওঠে। আকাঙ্ক্ষার ভাষ্য, তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে তাকে গাড়িতে বসিয়ে অনুষ্ঠানস্থলে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর দর্শকদের সামনেই গাড়িটি থামানো হয়। সঙ্গে নিজের দল না থাকায় ভেতরে ঢুকতে রাজি হননি তিনি। 

নিরাপত্তাহীনতার কথা জানালেও তার সঙ্গে থাকা ব্যক্তিরা বিষয়টিকে গুরুত্ব না দিয়ে হাসাহাসি করেন বলে অভিযোগ আকাঙ্ক্ষার।


ব্যবস্থাপনার এমন অবস্থা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, “জোর করে গাড়িতে বসিয়ে আমাকে মাঠে নামিয়ে দেওয়া হয়। দর্শকদের সামনে গাড়ি থামানো হয়। আমি চিৎকার করে বলছিলাম, আমার সঙ্গে দল নেই, তাই আমি ভেতরে যেতে পারব না। আমি নিরাপদ বোধ করছি না। 

অথচ এই ছেলেরা হাসছিল, আমার কথা শুনছিল না। কী বোকা ব্যবস্থাপনা! এরা একেবারে চোর। সবার পারিশ্রমিক নিয়ে নিয়েছে, নিজেদের কাজে লাগিয়েছে।” ঘটনাটিকে অপহরণের মতো অভিজ্ঞতা উল্লেখ করে আকাঙ্ক্ষা আরও বলেন, তার সঙ্গে থাকা ব্যক্তিদের চড় মারার পরই গাড়িটি থামে। 

তার কথায়, “আমাকে যেন অপহরণই করা হয়েছিল। 

আমি যখন ওদের চড় মারি, তখন ওরা গাড়ি থামায়। ওদের সবার বিরুদ্ধে মামলা করব, কাউকে ছাড়ব না।” 

অব্যবস্থাপনা ও পারিশ্রমিক পরিশোধ না করার অভিযোগের পাশাপাশি প্রচারের কাজে তার ছবি ব্যবহার নিয়েও আয়োজকদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন এই তারকা।

ডিসি/আপ্র/১৯/১০/২০২৬
 

সংশ্লিষ্ট খবর

সালমান খানের সঙ্গে কাজ করলেই মরতে হবে, গ্যাংস্টারের হুমকি
১৯ অক্টোবর ২০২৬

সালমান খানের সঙ্গে কাজ করলেই মরতে হবে, গ্যাংস্টারের হুমকি

বলিউড তারকা টাইগার শ্রফকে লক্ষ্য করে গুলির ঘটনার পর নতুন করে হুমকি দিয়েছে লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাং। সামা...

বিচারকের আসনে জয়া আহসান
১৯ অক্টোবর ২০২৬

বিচারকের আসনে জয়া আহসান

রান্নাবিষয়ক রিয়েলিটি শো ‘সেরা রাঁধুনী’। প্রতিযোগিতার সিজন ৯-এ বিচারকের আসনে দেখা যাবে দুই বাংলার জনপ...

দুর্গোৎসবের আনন্দ কখনো ফিকে হয় না: নৃত্যশিল্পী পূজা সেনগুপ্ত
১৯ অক্টোবর ২০২৬

দুর্গোৎসবের আনন্দ কখনো ফিকে হয় না: নৃত্যশিল্পী পূজা সেনগুপ্ত

দুর্গোৎসবের আনন্দ নিয়ে শৈশব এবং এই সময়ের মধ্যে পার্থক্য টানতে রাজি নন নৃত্যশিল্পী পূজা সেনগুপ্ত। তা...

সারিকার অচেনা রূপে চমকে গেল ভক্তরা!
১৮ অক্টোবর ২০২৬

সারিকার অচেনা রূপে চমকে গেল ভক্তরা!

 সমুদ্রের নীলাভ জল, সাদা বাড়ি আর নীল গম্বুজের শহর সান্তোরিনি।গ্রিসের এই সুন্দর স্থাবে নীল পোশাক...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

বাংলাদেশের মতো সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিশ্বের কোথাও নেই: রাষ্ট্রপতি

বাংলাদেশে বিদ্যমান সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দৃষ্টান্ত বিশ্বের অন্য কোথাও নেই বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, বিশ্বজুড়ে যখন হানাহানি ও হিংসার আগুন জ্বলছে, তখন বাংলাদেশে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ দুর্গাপূজা উদযাপন করতে পারছেন। রোববার (১৮ অক্টোবর) শারদীয় দুর্গোৎসব ও বিজয়া দশমী ২০২৬ উপলক্ষ্যে ঢাকার রমনা কালীমন্দির পরিদর্শনকালে রাষ্ট্রপতি এসব কথা বলেন। প্রিয় পাঠক, আপনি কি রাষ্ট্রপতির এই বক্তব্যের সঙ্গে একমত?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 17 ঘন্টা আগে