গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬

মেনু

লটারির মতো নিরাপদ বিনিয়োগ, কেন কিনবেন প্রাইজবন্ড

নিজেস্ব প্রতিবেদক

নিজেস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৩:৪৭ পিএম, ০২ মে ২০২৬ | আপডেট: ২৩:২০ এএম ২০২৬
লটারির মতো নিরাপদ বিনিয়োগ, কেন কিনবেন প্রাইজবন্ড
ছবি

ছবি সংগৃহীত

প্রাইজবন্ড অনেকের কাছে লটারির মতো মনে হলেও এটি আসলে একটি নিরাপদ সঞ্চয়মাধ্যম। এখানে মূলধন হারানোর কোনো ঝুঁকি নেই—কারণ এটি সরকারের কাছে জনগণের এক ধরনের ঋণ, যা চাইলে যেকোনো সময় ফেরত পাওয়া যায়।

লটারি নয়, কেন ভিন্ন প্রাইজবন্ড

লটারিতে একবার ড্র শেষ হলে টিকিটের আর কোনো মূল্য থাকে না। কিন্তু প্রাইজবন্ডে একবার ড্র হয়ে গেলেও সেটির কার্যকারিতা শেষ হয় না। একই বন্ড পরবর্তী সব ড্রতে অংশ নিতে পারে। ফলে একবার কিনেই দীর্ঘদিন পুরস্কার জয়ের সুযোগ পাওয়া যায়।

এছাড়া প্রাইজবন্ডের কোনো নির্দিষ্ট মেয়াদ নেই। এটি আজীবন বৈধ থাকে এবং প্রয়োজন হলে যে কোনো সময় নগদায়ন করা যায়। ফলে বিনিয়োগকারীর মূল অর্থ সবসময় নিরাপদ থাকে।

সুদ নেই, তবে আছে পুরস্কারের সুযোগ

প্রাইজবন্ডে কোনো সুদ বা লভ্যাংশ নেই। তবে বছরে চারবার ড্র অনুষ্ঠিত হয়—৩১ জানুয়ারি, ৩০ এপ্রিল, ৩১ জুলাই ও ৩১ অক্টোবর। নির্ধারিত দিনে ছুটি থাকলে পরবর্তী কার্যদিবসে ড্র হয়।

পুরস্কার জিতলে তা ২ বছরের মধ্যে দাবি করতে হয়, না করলে তা বাতিল হয়ে যায়।

কেন প্রাইজবন্ড কিনবেন

প্রাইজবন্ড জনপ্রিয় হওয়ার পেছনে কয়েকটি কারণ রয়েছে—

* মূলধন হারানোর ঝুঁকি নেই
* একই বন্ড দিয়ে বারবার ড্রতে অংশ নেওয়া যায়
* যেকোনো সময় ভাঙানো সম্ভব
* উপহার হিসেবে ব্যবহারযোগ্য
* এটি সরকারের সরাসরি দায়

কোথা থেকে কিনবেন

বাংলাদেশ ব্যাংক-এর কার্যালয়, তফসিলি ব্যাংক (শরিয়াহভিত্তিক ছাড়া), সঞ্চয় ব্যুরো অফিস ও ডাকঘর থেকে সহজেই প্রাইজবন্ড কেনা ও ভাঙানো যায়। কোনো জটিল প্রক্রিয়া ছাড়াই নগদ অর্থ দিয়ে এটি কেনা সম্ভব।

পুরস্কার দাবি করার নিয়ম

পুরস্কার জিতলে নির্ধারিত পিবি-২৩ ফরম পূরণ করে মূল বন্ডসহ সংশ্লিষ্ট ব্যাংক বা অফিসে জমা দিতে হয়। সাধারণত ২ মাসের মধ্যে পুরস্কারের টাকা ব্যাংক হিসাবে জমা হয়।

কর সংক্রান্ত বিষয়

বর্তমান আয়কর আইন অনুযায়ী প্রাইজবন্ডের পুরস্কারের ওপর ২০ শতাংশ হারে উৎসে কর কেটে নেওয়া হয়।

সারসংক্ষেপ

প্রাইজবন্ড এমন একটি বিনিয়োগ যেখানে ঝুঁকি কম, মূলধন নিরাপদ এবং ভাগ্য সহায় হলে বড় অঙ্কের পুরস্কার জয়ের সুযোগ রয়েছে। তাই যারা নিরাপদ সঞ্চয়ের পাশাপাশি কিছুটা ‘লটারির মতো’ সম্ভাবনা রাখতে চান, তাদের জন্য প্রাইজবন্ড একটি কার্যকর বিকল্প।

এসি/আপ্র/০২/০৫/২০২৬
 

সংশ্লিষ্ট খবর

এক কার্গো এলএনজি কিনবে সরকার
১৯ আগস্ট ২০২৬

এক কার্গো এলএনজি কিনবে সরকার

দেশের জ্বালানি চাহিদা মেটাতে এক কার্গো তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস বা এলএনজি কিনবে সরকার। আন্তর্জাতিক কো...

বিএসইসির ১৭ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর, পাঁচজনের বেতন অবনমন
১৯ আগস্ট ২০২৬

বিএসইসির ১৭ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর, পাঁচজনের বেতন অবনমন

চাকরি বিধি লঙ্ঘনের দায়ে শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (ব...

ঋণনির্ভরতা কমিয়ে নিজস্ব অর্থায়নে এগোবে বাংলাদেশ
১৮ আগস্ট ২০২৬

ঋণনির্ভরতা কমিয়ে নিজস্ব অর্থায়নে এগোবে বাংলাদেশ

রাজস্ব খাতে সংস্কারের মাধ্যমে বাংলাদেশ ঋণনির্ভরতা কমিয়ে নিজস্ব অর্থায়নে উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাচ্ছে বল...

৬০ হাজার কোটি টাকা কৃষিঋণ বিতরণের লক্ষ্য, মিলবে উট পালনেও
১৮ আগস্ট ২০২৬

৬০ হাজার কোটি টাকা কৃষিঋণ বিতরণের লক্ষ্য, মিলবে উট পালনেও

চলতি অর্থবছরে কৃষি ও পল্লি খাতে ৬০ হাজার কোটি টাকা ঋণ বিতরণের লক্ষ্য ঠিক করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক, যা গ...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

প্রধানমন্ত্রীর কাজে সন্তুষ্ট ৬৬ শতাংশ, সরকারের প্রতি ৫৪ শতাংশ

সরকারের ছয় মাস পূর্তি উপলক্ষে পরিচালিত এক জনমত জরিপে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দায়িত্ব পালনে ৬৬ দশমিক ৩০ শতাংশ উত্তরদাতা সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন। তাঁদের মতে, প্রধানমন্ত্রী ভালোভাবে দায়িত্ব পালন করছেন। অন্যদিকে সরকারের সামগ্রিক কর্মকাণ্ডে সন্তুষ্টির কথা জানিয়েছেন ৫৪ দশমিক ৫০ শতাংশ মানুষ। সরকারের কর্মকাণ্ডকে খারাপ বলেছেন ৩২ দশমিক ৯০ শতাংশ। ডপলার অপিনিয়ন রিসার্চের ‘অ্যাপ্রুভাল রেটিং সার্ভে ২০২৬’-এ এসব তথ্য উঠে এসেছে। প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন এই জরিপে সরকারের সঠিক মূল্যায়ন হয়েছে?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 3 ঘন্টা আগে